বাংলার ছাত্রজনতা আর শহিদ-আহত পরিবারসহ একসঙ্গে দাবী তুলে ধরেছে “জুলাই ঐক্য” সংগঠন। মঙ্গলবার একটি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মুখ্য সংগঠক মোসাদ্দেক ইবনে মোহাম্মদ বললেন— আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে শুধু জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে, অন্য কোনো “কিন্তু”, “যদি”, “অথবা” ধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না ছাত্র-জনতা।
ঢাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো শুধু এক নির্বাচনের জন্য জুলাই বিপ্লব নিয়ে কটূক্তি করছে। তিনি উল্লেখ করেন, “১৪০০-এর অধিক ছাত্র-জনতা শহিদ ও ৩২ হাজার আহত ভাই-বোনদের রক্তে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, আর এখন সেই সংগ্রামকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।”
আন্দোলনের দাবিগুলো হলো—
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক আদেশ জারি করা এবং জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট আয়োজন।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন; সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; গণহত্যা-দুর্নীতির বিচারের দৃশ্যমান ব্যবস্থা; এবং ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
জুলাই ঐক্য দাবি করেছে, সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো এখনো জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেনি। “রাজনীতি ও সরকার মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে,” বলেন মোসাদ্দেক। তিনি আরও বলেন, “সীমান্তের কাছে ভারতের সেনা ঘাঁটি ও স্টেশন তৈরি হচ্ছে—এটি দেশের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ।”
সংবাদ সম্মেলনের শেষে ঘোষণা করা হয়— আগামী বুধবার ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল; আর বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— রাজনৈতিক দলগুলো ব্যর্থ হলে শহিদ পরিবারের সঙ্গে রাজপথেই নামা হবে।