মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ডোমারে প্রিপেইড মিটার নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ, দুদকে অভিযোগ

“বাড়িতে ছিলাম না, এর মধ্যেই পুরোনো মিটার খুলে নতুন প্রিপেইড মিটার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে”এমন অভিযোগ নীলফামারীর ডোমারের একাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহকের। শুধু তাই নয়, ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিলের কপি আটকে রাখা এবং গ্রাহকের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে নেসকোর ডোমার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেছেন […]

ডোমারে প্রিপেইড মিটার নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ, দুদকে অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৩:২৯

“বাড়িতে ছিলাম না, এর মধ্যেই পুরোনো মিটার খুলে নতুন প্রিপেইড মিটার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে”এমন অভিযোগ নীলফামারীর ডোমারের একাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহকের। শুধু তাই নয়, ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিলের কপি আটকে রাখা এবং গ্রাহকের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে নেসকোর ডোমার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।

গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রিপেইড মিটার স্থাপনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে যথাযথভাবে আলোচনা কিংবা সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের সম্মতি ছাড়াই পুরোনো মিটার খুলে নতুন মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

ডোমার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শাহীপাড়ার বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম (৫০) বলেন, তারা বাড়িতে না থাকার সুযোগে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এসে পুরোনো মিটার খুলে নতুন কার্ড মিটার লাগিয়ে দেন। অনুরোধ করেও তারা মিটার স্থাপন বন্ধ করেননি বলে দাবি করেন তিনি।

মনোয়ারা বেগমের ভাষ্য, নতুন মিটারে ৫০০ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি মিটারে টাকা রিচার্জ করলে ওই টাকা সমন্বয় হয়ে যাবে। পাশাপাশি পুরোনো মিটারের জামানতের টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে একই এলাকার আমিনা বেগম (৩০) বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এসে নতুন মিটার লাগানোর কথা জানিয়ে পুরোনো মিটার খুলে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেন। পুরোনো মিটারে প্রায় ১৪ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে জানিয়ে এক বছর পর পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হলেও নতুন মিটার স্থাপনে তাদের মতামত নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার।

তিনি আরও বলেন, নতুন মিটারে তার মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়নি। ফলে রিচার্জ বা অন্যান্য তথ্যের বার্তা অন্য নম্বরে গেলে তারা কীভাবে জানতে পারবেন-এ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

ডোমার বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শামীমের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিলের কপি আটকে রেখে প্রিপেইড মিটার নিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। একসঙ্গে বকেয়া বিল পরিশোধ করা তার পক্ষে সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতির সভাপতি ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কুদ্দুস আইয়ুব বলেন, গ্রাহকদের মতামত ও প্রয়োজনীয় নিয়মনীতি অনুসরণ না করেই প্রিপেইড মিটার স্থাপনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসকে জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তবে গ্রাহকদের অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন নেসকোর ডোমার নির্বাহী প্রকৌশলী নওশাদ আলম।

তিনি বলেন, নতুন সংযোগ দেওয়া কিংবা কোনো গ্রাহকের মিটার নষ্ট হলে প্রিপেইড মিটার স্থাপন বাধ্যতামূলক। এর বাইরে অন্য কোনো বিকল্প নেই। এটি নেসকোর একটি বড় প্রকল্প এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য গ্রাহকের মিটারও প্রিপেইড করা হবে।

তবে গ্রাহকদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ অস্বীকার করে নওশাদ আলম বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে কেউ করেনি। কেউ লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে গ্রাহকদের অভিযোগ, নেসকোর প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে পর্যাপ্ত তথ্য ও সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। অন্যথায় প্রিপেইড মিটার নিয়ে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ আরও

বাড়তে পারে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।