সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না : তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দফায় দফায় মতবিনিময় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের ঐক্য রক্ষা ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না। দল […]

যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না : তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দফায় দফায় মতবিনিময় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের ঐক্য রক্ষা ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না। দল ও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।”

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এই বৈঠকে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ছিল না, তবে উপস্থিত নেতাদের মাধ্যমে জানা যায়, তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নানা দিক বিবেচনা করে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। প্রার্থী ঘোষণার পর প্রত্যেকে নিজ নিজ আসনে ফিরে গিয়ে স্থানীয় সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। কারণ স্থানীয় পর্যায়ের সহযোগিতা ছাড়া কোনো নির্বাচনী লড়াই সম্ভব নয়।”

বিএনপি নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বঞ্চিতদেরও বিকল্পভাবে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পাশে থেকে কাজ করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত মানা প্রত্যেক নেতার দায়িত্ব।”

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এবং দফতরের দায়িত্বে থাকা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল ৪টা থেকে বৈঠক শুরু হয় বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দিয়ে। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় হয় খুলনা ও সিলেট বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়, এবং রাত ৮টায় শুরু হয় ঢাকা বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক।

সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি সবাইকে দলীয় নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

এদিকে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতা নিজেদের মতামত বা সাংগঠনিক বাস্তবতা তুলে ধরার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, “তারেক রহমানের সামনে আমরা সচরাচর আসতে পারি না। তাই এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও বাস্তব অবস্থা জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।”

রাজশাহী বিভাগের উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু, মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা, সৈয়দ শাহীন শওকত, অধ্যাপক কামাল হোসেন ও আবু সাঈদ চাঁদ।

বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জহির উদ্দিন স্বপন (বরিশাল–১), রওনাকুল ইসলাম টিপু (বরিশাল–২), রাজীব আহসান (বরিশাল–৪), নজরুল ইসলাম খান (পিরোজপুর–১), গোলাম নবী আলমগীর (ভোলা–১), আলতাফ হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী–১), নুরুল ইসলাম নয়ন (ভোলা–২) ও নাজিম উদ্দীন আলম (ভোলা–১)।

বৈঠক ঘিরে গুলশান কার্যালয়ের বাইরে দুপুর থেকেই বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নেন। দলীয়ভাবে জনসমাগম না করার নির্দেশনা থাকলেও বিভিন্ন আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সমর্থকরা সেখানে জড়ো হন, ফলে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

বৈঠকের এক পর্যায়ে তারেক রহমান বলেন, “আমাদের শত্রু অদৃশ্য— যাদের আমরা দেখতে পাই না। দেশি ও বিদেশি অদৃশ্য শক্তির সঙ্গে আমাদের লড়তে হবে। তাই দলীয় ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় অস্ত্র।”

তিনি আহ্বান জানান, দলের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা ও ঐক্যের সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে, যাতে নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্ত অবস্থানে যেতে পারে।

তারেক রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা ছিল— বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ না হলে দল ও জাতি উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনে অংশ নেওয়া নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪২
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩