মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না : তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দফায় দফায় মতবিনিময় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের ঐক্য রক্ষা ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না। দল […]

যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না : তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দফায় দফায় মতবিনিময় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের ঐক্য রক্ষা ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না। দল ও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।”

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এই বৈঠকে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ছিল না, তবে উপস্থিত নেতাদের মাধ্যমে জানা যায়, তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নানা দিক বিবেচনা করে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। প্রার্থী ঘোষণার পর প্রত্যেকে নিজ নিজ আসনে ফিরে গিয়ে স্থানীয় সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। কারণ স্থানীয় পর্যায়ের সহযোগিতা ছাড়া কোনো নির্বাচনী লড়াই সম্ভব নয়।”

বিএনপি নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বঞ্চিতদেরও বিকল্পভাবে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পাশে থেকে কাজ করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত মানা প্রত্যেক নেতার দায়িত্ব।”

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এবং দফতরের দায়িত্বে থাকা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল ৪টা থেকে বৈঠক শুরু হয় বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দিয়ে। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় হয় খুলনা ও সিলেট বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়, এবং রাত ৮টায় শুরু হয় ঢাকা বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক।

সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি সবাইকে দলীয় নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

এদিকে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতা নিজেদের মতামত বা সাংগঠনিক বাস্তবতা তুলে ধরার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, “তারেক রহমানের সামনে আমরা সচরাচর আসতে পারি না। তাই এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও বাস্তব অবস্থা জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।”

রাজশাহী বিভাগের উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু, মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা, সৈয়দ শাহীন শওকত, অধ্যাপক কামাল হোসেন ও আবু সাঈদ চাঁদ।

বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জহির উদ্দিন স্বপন (বরিশাল–১), রওনাকুল ইসলাম টিপু (বরিশাল–২), রাজীব আহসান (বরিশাল–৪), নজরুল ইসলাম খান (পিরোজপুর–১), গোলাম নবী আলমগীর (ভোলা–১), আলতাফ হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী–১), নুরুল ইসলাম নয়ন (ভোলা–২) ও নাজিম উদ্দীন আলম (ভোলা–১)।

বৈঠক ঘিরে গুলশান কার্যালয়ের বাইরে দুপুর থেকেই বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নেন। দলীয়ভাবে জনসমাগম না করার নির্দেশনা থাকলেও বিভিন্ন আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সমর্থকরা সেখানে জড়ো হন, ফলে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

বৈঠকের এক পর্যায়ে তারেক রহমান বলেন, “আমাদের শত্রু অদৃশ্য— যাদের আমরা দেখতে পাই না। দেশি ও বিদেশি অদৃশ্য শক্তির সঙ্গে আমাদের লড়তে হবে। তাই দলীয় ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় অস্ত্র।”

তিনি আহ্বান জানান, দলের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা ও ঐক্যের সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে, যাতে নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্ত অবস্থানে যেতে পারে।

তারেক রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা ছিল— বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ না হলে দল ও জাতি উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনে অংশ নেওয়া নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫