মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শাপলা প্রতীক না দিলে ইসি পালানোর জায়গা পাবে না : তুষার

জাতীয় নাগরিক পার্টিকে শাপলা প্রতীক না দিলে ইলেকশন কমিশন (ইসি) বাংলাদেশ থেকে পালানোর জায়গা পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার। তিনি বলেন, আমরা যে প্রতীক চাইছি, সেই প্রতীক তারা (ইলেকশন কমিশন) আমাদের দেবে না। কিন্তু তারা নাকি আমাদের ওপর একটি প্রতীক চাপিয়ে দেবে। এই ধরনের নজিরবিহীন এবং জঘন্য কথা […]

শাপলা প্রতীক না দিলে ইসি পালানোর জায়গা পাবে না : তুষার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ অক্টোবর ২০২৫, ২১:০৯

জাতীয় নাগরিক পার্টিকে শাপলা প্রতীক না দিলে ইলেকশন কমিশন (ইসি) বাংলাদেশ থেকে পালানোর জায়গা পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার। তিনি বলেন, আমরা যে প্রতীক চাইছি, সেই প্রতীক তারা (ইলেকশন কমিশন) আমাদের দেবে না।

কিন্তু তারা নাকি আমাদের ওপর একটি প্রতীক চাপিয়ে দেবে। এই ধরনের নজিরবিহীন এবং জঘন্য কথা যেই কমিশন বলতে পারে, আমরা মনে করি, এই কমিশনের পক্ষে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়া সম্ভব নয়।

রোববার (১৯ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক আয়োজিত অবস্থান ধর্মঘটে সংহতি জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তুষার বলেন, এই নির্বাচন কমিশনকে আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, যদি বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচন চান, তাহলে জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে এই ধরনের অন্যায় আচরণ বন্ধ করুন। আপনারা যে আচরণ করছেন, তা থেকে মনে হচ্ছে, আগামীতে যে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তার পথে সবচেয়ে বড় বাধা এই নির্বাচন কমিশন। তারা চায় না দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক,

জাতীয় নাগরিক পার্টি নির্বাচনে আসুক। কারণ বাংলাদেশের মানুষ এই জাতীয় নাগরিক পার্টিকে বুকের মধ্যে আগলে রেখেছে। এই জন্য নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং অদৃশ্য শক্তির পরামর্শ অনুযায়ী, তাদের দ্বারা আশ্বস্ত হয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। এই বিচার আপনাদের কাছে তুলে দিলাম।

তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে আমরা সবসময় শিক্ষকদের যেকোনো ন্যায্য দাবির পক্ষে ছিলাম এবং আছি। শহীদ মিনারে যখন শিক্ষকরা অনশনে এসেছিলেন, তাদের ওপর পুলিশ যেভাবে হামলা চালিয়েছে, আমরা তখনও তাদের পাশে ছিলাম এবং আজও আছি। এখানে এসে আপনাদের দাবি আদায় করতে হচ্ছে—এর চেয়ে দুঃখজনক আর কোনো ব্যাপার আমাদের সামনে নেই।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের যে দাবি, তা ন্যায্য; এটিতে এই সরকারের অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কারণ, এই সরকার আমাদের সবার সমর্থনে গঠিত হয়েছে, এবং এই সরকারে আমরা যাদেরকে বসিয়েছি, তাদের আপনার দাবির প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে আমরা দেখতে পেয়েছি, শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন, তারা আমাদের আপামর শিক্ষক সমাজের প্রতি যথেষ্ট যত্ন এবং যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন না। তাদের উচিত ছিল, শিক্ষকরা আন্দোলনে আসার আগে বাংলাদেশে শিক্ষক সমাজের কী ধরনের সমস্যা আছে, তা নিয়ে শিক্ষক সমাজের নেতেদের ডেকে বলা যে, আপনাদের জন্য আমরা কী করতে পারি।

কিন্তু আজ আপনাদের এখানে আসতে হচ্ছে, অনশনে বসতে হচ্ছে… এবং আপনারা যেটা ন্যায্য দাবি করেছেন, সেই দাবি নিয়ে দিনরাত এখানে বসে থেকে সরকারের কাছে বলতে হচ্ছে যে, আমাদের দাবি পূরণ করে দিন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশে থাকতে চান, যদি সম্মানের সঙ্গে থাকতে চান, তাহলে নির্বাচনের আগে, ক্ষমতা ছাড়ার আগে, তফসিল ঘোষণার আগে আমাদের শিক্ষকদের যত ন্যায্য দাবি আছে—যেগুলো আপনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—তা মেনে তারপরই ক্ষমতা ছাড়তে হবে।

যদি তা না করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজো করেন, তাহলে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ আপনাদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে এবং বলবে, ‘আমরা আপনাদের ক্ষমতায় বসিয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের জন্য কী করেছেন? আমাদের শিক্ষকদের জন্য কী করেছেন? আমাদের প্রাইমারি শিক্ষকদের জন্য কী করেছেন? আমাদের মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য কী করেছেন?

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, একটি বিচারও আপনাদের কাছে দিতে চাই। আপনারা দেখেছেন, আপনারা যতো ন্যায্য দাবি তুলছেন, তা মানা হচ্ছে না। আমাদের একটি অত্যন্ত ন্যায্য দাবি আছে। এই নির্বাচন কমিশন এবং এই সরকার,

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রীর অধীনে গঠিত এই কমিশন, যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে ধর্ণা দিয়ে বেড়ায়—তারা আমাদের এই অত্যন্ত ন্যায্য দাবি মানছে না। আমরা বলেছিলাম, আমাদের শাপলা প্রতীক দিতে হবে। কেন আমরা এই প্রতীক চেয়েছি? এই প্রতীক বাংলাদেশের মানুষের অন্তরের মধ্যে রয়েছে।

শাপলা ফুল বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসার প্রতীক। প্রতিনিয়ত নির্বাচন কমিশন বলছে, এই প্রতীক আমাদের দেওয়া যাবে না। কেন দেওয়া যাবে? এই প্রশ্নে তারা আমাদের কোনো যৌক্তিক বা আইনি ব্যাখ্যা দিতে পারছে না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৯০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৯০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৭৫