বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিগত ১৭ বছরের শাসনে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যখাত, শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর […]

স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৪

বিগত ১৭ বছরের শাসনে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যখাত, শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি ছিল জনগণের আন্দোলন এবং জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। আন্দোলনে নিহত, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হবে।

রাষ্ট্র সংস্কারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সর্বপ্রথম রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৩১ দফায় রূপ নেয়। তিনি দাবি করেন, সর্বশেষ নির্বাচনে জনগণ এই কর্মসূচির পক্ষে রায় দিয়েছে।

সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভঙ্গুর অর্থনীতি ও প্রশাসনিক বাস্তবতা দেখতে হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে এবং জ্বালানি খাতকে দুর্নীতির ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

বর্তমান গ্যাস সংকট নিরসনে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির বিষয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পেট্রোনাসের সঙ্গে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী সরবরাহ শুরু হলে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন অবহেলিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে নতুন রিগ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানো যায়।

শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে।

বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক জোনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জায়গায় কোরীয় বিনিয়োগে সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিটিএমসি ও বিএসইসির অধীন বন্ধ থাকা প্রায় ৫০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্টার্টআপ ফান্ড গঠনের উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫১ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।

তিনি জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মেডিকেল কলেজ থাকা জেলা হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং অন্যান্য জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হবে। পরবর্তী কয়েক বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালুর লক্ষ্য রয়েছে।

এছাড়া হার্টের স্টেন্ট, চোখের লেন্স ও ডায়ালাইসিস–সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা সরঞ্জামের ওপর কর কমানোর ফলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে জানান তিনি।

তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাখো শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রযুক্তিপণ্যের ওপর কর শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে।

বক্তব্যের শেষদিকে তারেক রহমান বলেন, সরকার শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে চায়। তিনি বলেন, জনগণের জন্য কী করা গেছে, সেটিই সরকারের সাফল্যের মূল পরিমাপ হবে। একই সঙ্গে যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।