ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে এই দেশ পরিচালনা করেছে, তারা জনগণকে শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বৈষম্য দূর করা, অন্যায়-অত্যাচার বন্ধ করা কিংবা খুনখারাবি থামানো—কোনোটিই তারা পারেনি। তিনি বলেন,
“আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শাসন জনগণ দেখেছে। তাদের শাসনে সাধারণ মানুষের ভাগ্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। শুধু দেশ, দল ও নেতা পরিবর্তন করে শান্তি আসবে না। প্রকৃত শান্তি তখনই আসবে, যখন আমরা নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন ঘটাতে পারব।”
রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে নসাটিরপাড়া কে. কে. ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন,
“পার্বত্য অঞ্চলের জন্য আলাদা আইন কেন থাকবে? তারা যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, তবে তাদের সঙ্গে শান্তিচুক্তির প্রয়োজন কী? দেশের অন্য জেলায় যে আইন কার্যকর, পার্বত্য এলাকাতেও একই আইন প্রযোজ্য হতে হবে। ভিন্ন কোনো আইন আমরা মেনে নেব না।”
তিনি আরও বলেন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং রাজনৈতিক সুবিধার জন্য আইনকে বিভক্ত করা চলবে না।
গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নরসিংদী জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল ওয়াহাব মোল্লা। বক্তব্য দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিক এবং ঢাকা বিভাগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দেলোয়ার হোসাইন সাকি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দেশের জনগণ আর পুরনো রাজনীতির প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে না। এখন প্রয়োজন আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব ও ইসলামি মূল্যবোধের পুনর্জাগরণ।