বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইলেকশন যত দেরি হবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত কমবে : সারোয়ার তুষার

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “বিএনপির একটা শংকা হচ্ছে, যত ইলেকশন দেরি হবে, বিএনপির মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা তত কমবে।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সারোয়ার তুষার বলেন, “তার কারণ হচ্ছে, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা,যদিও কেন্দ্র থেকে একটা আন্তরিকতা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ কেন্দ্র একটি আন্তরিক ভূমিকা রাখছে,তবুও […]

ইলেকশন যত দেরি হবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত কমবে : সারোয়ার তুষার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:৪৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “বিএনপির একটা শংকা হচ্ছে, যত ইলেকশন দেরি হবে, বিএনপির মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা তত কমবে।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারোয়ার তুষার বলেন, “তার কারণ হচ্ছে, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা,যদিও কেন্দ্র থেকে একটা আন্তরিকতা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ কেন্দ্র একটি আন্তরিক ভূমিকা রাখছে,তবুও সারা দেশে যেভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটছে, তাতে একটা উদ্বেগ আছে। এসব ঘটনা এত নিরবিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে যে, বাস্তবতা হচ্ছে এগুলো মহামারি আকারে রূপ নিয়েছে।”

তিনি বলেন, “ফলে বিএনপির দিক থেকে একটা উদ্বেগ আছে যে, ইলেকশন দেরিতে হলে তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে থাকবে। কারণ, ইন দ্য মিনটাইম জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে, এনসিপি নতুন দল হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছে, গণঅধিকার পরিষদও সক্রিয়। ফলে এবারের ইলেকশন ‘গিভেন’ না। তারেক রহমান দুই-তিন মাস আগেই বলেছিলেন, এবার অনেক সুইং ভোট, অনেক হিসাব থাকবে। সেসব হিসেব থেকেই বিএনপির এই উদ্বেগ।”

সরকারের বক্তব্য প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার বলেন, “দেখুন, সরকার কিন্তু এটা বলেনি যে ডিসেম্বরে ইলেকশন হবে না। তারা বলছে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে যে কোনো সময় হবে—ডিসেম্বরও তো পড়ে এর মধ্যে।

আমাদের দিক থেকে বক্তব্য হচ্ছে, ডিসেম্বরে ইলেকশন করুক, উই ডোন্ট হ্যাভ এনি প্রবলেম। তবে আমরা যে কথাগুলো বলছি, এসিওরেন্স চাইছি কারণ এবারের ইলেকশনের এজেন্ডা হচ্ছে—সংস্কারের ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। কিন্তু এই নির্বাচনটা করে ফেলাটাই এক ধরনের সংস্কার।”

সারোয়ার তুষার বলেন, “অনেকে বলছেন, নির্বাচিত সরকার এসে সংস্কার করবে। কিন্তু এটা নিয়ে দুই স্তরের সমস্যা আছে—একটা হচ্ছে কমিটমেন্ট, আরেকটা হচ্ছে পদ্ধতিগত।কিছু সংস্কার তো এই সরকার অধ্যাদেশ দিয়েই করতে পারে—যেগুলো সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

পরবর্তী সরকার এসে সেগুলোকে অনুমোদন করবে।আর সংবিধান যেহেতু একটি মৌলিক নথি, আপনি এটা সংসদে গিয়ে সরাসরি পরিবর্তন করতে পারবেন না। সংবিধান সংস্কার করতে হলে গণভোট করতে হবে অথবা গণপরিষদ নির্বাচনে যেতে হবে—যেটা আমাদের জাতীয় ঐক্যমঞ্চের স্প্রেডশিটে বলা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তাব খুবই সহজ—আগামী নির্বাচিত বডি একযোগে গণপরিষদ এবং আইনসভা হিসেবে কাজ করবে। পৃথিবীর অনেক দেশে এটা ঘটেছে। এই অঞ্চলেও অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বিএনপির কাছ থেকে আমরা এ বিষয়ে খুব ইতিবাচক সাড়া পাইনি। তারা যে যুক্তি দিচ্ছে, তা ধোপে টেকে না। তারা বলছে, এটা তো একেবারে নতুন দেশ নয়, নতুন সংবিধান নয়—তাহলে কেন লাগবে?

আমরা বলছি, পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যারা প্রয়োজনে চার-পাঁচবার গণপরিষদ নির্বাচন করেছে। যদি মনে হয় এই কনস্টিটিউশনে আর কিছু হচ্ছে না, তাহলে করতেই হবে।”

তিনি বলেন, “৩১ দফার মধ্যে সংবিধানের প্রসঙ্গ তো স্পষ্টভাবে এসেছে। সেই সংবিধান কমিশন তো এখনো হয়নি। ফলে অন্তত একটি দফা তো বিএনপির বাতিল।

এই ৩১ দফা ফ্যাসিবাদের সময় এসেছে এবং বিএনপি এখন যেভাবে সংস্কারের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছে, সেটা ইতিহাসকে সরলীকরণ।

আমরা তো গণতন্ত্র মঞ্চ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং অনেক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমরা জানি কিভাবে সংস্কার প্রক্রিয়াটি এসেছে—প্রথমে গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা, তারপর বিএনপির ২৭ দফা, তারপর ৩১ দফা, আবার গণতন্ত্র মঞ্চের নিজস্ব ৩১ দফা।

বিএনপি এখন বলছে, তারা সবার আগে সংস্কার বলেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এ সমস্ত ছোট ছোট দলই আগে সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপি আগে কখনও এসব প্রশ্ন তোলে নাই।”

সারোয়ার তুষার বলেন, “গণসংহতি আন্দোলন, রাষ্ট্রচিন্তা, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, যাসদ (রব ভাইয়ের দল)—সবাই কিন্তু ৭২-এর সংবিধান নিয়ে অনেক সমালোচনামূলক প্রশ্ন তুলেছে।

মূল সমস্যা হচ্ছে—এক ব্যক্তির হাতে সকল ক্ষমতা। এটা শুধু গত ১৬ বছরে না, বরং ৭২-এর সংবিধানের গোড়ার সমস্যা। এখানে প্রধান নির্বাহীকে কোনোভাবেই আটকে রাখার ব্যবস্থা নেই।

ইলেকশন কমিশন ভাগ্য নির্ধারণ করে না। প্রধান নির্বাহীর হাতে কতটা ক্ষমতা, তার ইনটেনশন কী—সেই অনুযায়ী নির্বাচন পরিবর্তন হয়।”

তিনি বলেন, “মূল সংস্কারটাই যদি বিএনপি বিরোধিতা করে, তাহলে অন্য সব সংস্কারে একমত হয়েও লাভ নেই।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ কতদিন থাকবে, নারী আসন কয়টা থাকবে, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল থাকবে কি না, নিয়োগ কে দেবে—এসব হচ্ছে খুবই মৌলিক প্রশ্ন।

যদি নিয়োগ আপনার হাতে থাকে, আপনি প্রধান নির্বাহী হন, তাহলে আপনি বললেন—আমি তো বিচার বিভাগের সংস্কার চাই, দুদকের সংস্কার চাই, ইসি সংস্কার চাই—কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ যদি আপনার হাতেই থাকে, তাহলে সংস্কার টিকবে না।

সুতরাং, ফান্ডামেন্টাল সংস্কার হচ্ছে সংবিধান সংস্কার। এতে বিএনপি সম্মত না হলে, সংস্কারের দাবিও অমূলক হয়ে যায়।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৭

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১

রাজনীতি

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। […]

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে দলটি। এতে সংবিধান সংশোধনী কমিটি, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাতিসংঘ সফর, বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৭

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৭