সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ক্ষমতার লোভ নয়, “জনগণের অধিকারই মূল লক্ষ্য : সারজিস আলম

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, “আমরা ক্ষমতাকে না, জনতাকে গুরুত্ব দিচ্ছি,” যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সারজিস আলমের মতে, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অত্যাচার ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। তিনি উল্লেখ […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২১:৫৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, “আমরা ক্ষমতাকে না, জনতাকে গুরুত্ব দিচ্ছি,” যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

সারজিস আলমের মতে, দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অত্যাচার ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, “বছরের পর বছর ধরে খুনি হাসিনার মাধ্যমে নানাভাবে অত্যাচারিত হয়েছে এ দেশের মানুষ।

তার ক্ষমতার পিপাসার কাছে জিম্মি ছিল মানুষ, গোপালগঞ্জের কাছেও জিম্মি হয়ে পড়েছিল এ দেশের মানুষ।” এমন পরিস্থিতিতে জনগণের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ও তার সংগঠন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নতুন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিয়ে সারজিস আলম বলেন, “দলে নেতৃত্ব নির্বাচনে গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনোভাবেই চাই না, নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটুক।” এতে বোঝা যায়, তিনি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে।

সারজিস আলম প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে বলেন, “আমরা প্রশাসক দিয়ে দেশ চলতে দেখতে চাই না। আমলারা আমলাতন্ত্রে তাদের যতটুকু টেরিটরি তারা সেখানে কাজ করবে। জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সাথে তাদের যতটুকু পরিধি সেখানে কাজ করবে।”

তিনি মনে করেন, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সঠিক সমন্বয় না থাকলে রাষ্ট্রের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হবে না।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে সারজিস আলম বলেন, “পুলিশ চাইলে অনেক কিছু ঠিক হয়ে যাওয়া সম্ভব। তাদের প্রভাবটা মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এখনো আপনাদের প্রতি আস্থা হারাইনি, আমরা আস্থাটা রাখতে চাই।

কিন্তু আস্থাটা রাখতে পারব কি না সেটা আপনাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।” এতে বোঝা যায়, তিনি পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

সারজিস আলম স্মরণ করিয়ে দেন, “দুই হাজার মানুষ পরিবারের কথা চিন্তা না করে, মা-বাবার কথা চিন্তা না করে, সহধর্মিণীর কথা চিন্তা না করে, সন্তানের কথা চিন্তা না করে জীবন দিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু নির্বাচনের জন্য দুই হাজার মানুষ জীবন দেয়নি। অর্ধ লাখ মানুষ রক্ত দেয়নি।” এতে তিনি বোঝাতে চান, শহীদদের ত্যাগ শুধু একটি নির্বাচনের জন্য ছিল না; বরং একটি ন্যায়সঙ্গত ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য।

ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করে সারজিস আলম বলেন, “আমরা আমাদের জায়গা থেকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা প্রশাসক দিয়ে দেশ চলতে দেখতে চাই না।” তিনি আরও বলেন, “

জনপ্রতিনিধিরা যেভাবে জনগণের সাথে সম্পৃক্ত, তাদের দুঃখ-কষ্ট, দুর্দশা যেভাবে বুঝে, তাদের সাথে যেভাবে মিশে সেটা কোনো আমলা কেন, যারা ওই বিভিন্ন অফিসে বসে থাকে- যতবড় অফিসারই হোক না কেন তাদের পক্ষে বুঝা সম্ভব না।”

এতে তিনি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সঠিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪