শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশের প্রযুক্তি খাত ভারত ও শেখ পরিবারের কাছে জিম্মি: আমিনুল

বিএনপি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, পার্শ্ববর্তী একটি দেশ ও শেখ পরিবারের কাছে দেশের প্রযুক্তি খাত জিম্মি হয়ে রয়েছে। তাদের সামগ্রিক একটি সিন্ডিকেট এই প্রযুক্তি খাতকে নিয়ন্ত্রণ করে চলছে। এই খাতকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে না পারলে দেশের সকল তথ্য উপাত্ত রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৭:২৯

বিএনপি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, পার্শ্ববর্তী একটি দেশ ও শেখ পরিবারের কাছে দেশের প্রযুক্তি খাত জিম্মি হয়ে রয়েছে। তাদের সামগ্রিক একটি সিন্ডিকেট এই প্রযুক্তি খাতকে নিয়ন্ত্রণ করে চলছে। এই খাতকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে না পারলে দেশের সকল তথ্য উপাত্ত রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর হাতিরঝিল মধুবাগ মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তরের হাতিরঝিল থানা বিএনপির কর্মীসভা ও রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার পুলিশ বাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। তারা পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে একটি ধ্বংসস্তূপের আস্তাকুঁড়ে ফেলে রেখে গেছে। সেই আস্তাকুঁড় থেকে পুলিশ এখন চেষ্টা করছে কীভাবে নতুন বাংলাদেশ গড়া যায়, কীভাবে নতুনভাবে পুলিশ প্রশাসনের প্রত্যেকটি স্তরকে সাজানো যায়। যাতে তারা দেশের মানুষের কাছে একটি আস্থার জায়গা তৈরি করতে পারেন।

আমিনুল হক বলেন, গত ৫ আগস্টের পর আজকে দীর্ঘ ৬ মাস হতে চলেছে- এখনও পর্যন্ত পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থিতিশীলতা আসেনি। কারণ আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসররা তারা রাষ্ট্রের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে বহাল তবিয়তে ষড়যন্ত্র করে বেড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি নতুন আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে চায়। যেখানে মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে। নতুন দেশ গড়তে এখন নানা প্রতিকূলতা সৃষ্টির মাধ্যমে আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসররা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য চারপাশে তারা নানান ষড়যন্ত্র চলছে। তাই সবাইকে সতর্ক হতে হবে। তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলেই ভবিষ্যৎ আধুনিক বাংলাদেশ নির্মিত হবে। যতই অনুপ্রবেশ এর চেষ্টা করা হউক না কেনো, বিএনপিতে নব্য বিএনপির কোন ঠাঁই হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন আমিনুল হক।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য তারেক রহমানে নেতৃত্বে বিএনপি লড়াই করেছে। হাসিনার পতনে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির বহু কর্মী প্রাণ দিয়েছে। গত ১৭ বছরে হাসিনা সরকারের নির্যাতন নিপীড়নের কথা কখনো ভুলা যাবে না বলে তিনি নেতাকর্মীদের স্মরণ রাখতে বলেন।

বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বিএনপি গণ মানুষের দল- তাই জনগণ কী চায় সেটা আগে বুঝতে হবে। তারেক রহমানের ৩১ দফা ধ্বংস হওয়া দেশকে ঢেলে সাজানোর রূপরেখা। আর এই রূপরেখা বাস্তবায়নের জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের সারাদেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ৩১ দফার বার্তা পৌঁছাতে হবে।

সংস্কারের নামে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তা মেনে নিবে না। কারণ এদেশের জনগণ গত ১৫ বছর যাবৎ ভোট দিতে পার নাই।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে দেশে অতি দ্রুত সময়ের ভিতরে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিন।

হাতিরঝিল থানা বিএনপি আহ্বায়ক নাজমুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান, মহানগর বিএনপি সিনিয়র সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, যুগ্ম-আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এবিএমএ রাজ্জাক, গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, আকতার হোসেন, আতাউর রহমান, হাজী মো. ইউসুফ, আফাজ উদ্দিন, মো. শাহ আলম, মহানগর সদস্য মনিরুল আলম রাহিমী, ইব্রাহিম খলিল, নুরুল হুদা ভুঁইয়া নূরু, এম এস আহমাদ আলী, কৃষকদলের মহানগর আহ্বায়ক আরশাদুল আরিস ডল, শ্রমিক দলের মহানগর আহ্বায়ক কাজী শাহ আলম রাজা, জাসাস ঢাকা মহানগর সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন আনু।

এছাড়া সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা দলের রোকেয়া সুলতানা তামান্না, মহানগর উত্তর ছাত্রদল সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মীম, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মামুন,

হাতিরঝিল থানা বিএনপি যুগ্মআহবায়ক আশরাফ হোসেন চৌধুরী অপু, সফি উদ্দিন শাহীন মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, মোস্তফা কামাল জীবন, ২২ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি নিজাম উদ্দিন টিপু, ক্যান্টনমেন্ট থানা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুর রহমান রতন, খিলক্ষেত থানা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন দেওয়ান, সিএম আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণখান থানা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মো. নাজিম উদ্দীন, তুরাগ থানা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল আলী, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক মীর মো. কামাল হোসেন, থানা বিএনপি সিনিয়র সদস্য ফরিদ উদ্দিন ফরহাদ, ৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি সিনিয়র সহ-ভাপতি মো. ওসমান গনি সেন্টু প্রমুখ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১