মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় ভোট চায় না বিএনপি

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় না বিএনপি। দলটি মনে করে, জনআকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সরকারের উচিত জাতীয় নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া। এ ধরনের সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন হওয়ার নজির নেই। কোনো চাপে নতি স্বীকার না করে এবং কোনো পক্ষের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে সরকারের উচিত নির্বাচনমুখী পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। বুধবার ও বৃহস্পতিবার (৯ […]

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৪:১৭

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় না বিএনপি। দলটি মনে করে, জনআকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে সরকারের উচিত জাতীয় নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হওয়া। এ ধরনের সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন হওয়ার নজির নেই। কোনো চাপে নতি স্বীকার না করে এবং কোনো পক্ষের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে সরকারের উচিত নির্বাচনমুখী পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিএনপি এবং ১০টি অন্যান্য দলের মধ্যে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসলে ‘মূল বিষয় থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা’।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিএনপি ও এই দলগুলো আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে যুগপৎ আন্দোলনে ছিল। সম্পর্ক জোরদার করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিএনপি আজ ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এবং জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটসহ (বিএনপির সমমনা দলগুলোর একটি জোট) অন্যান্য দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, আমরা চাই জরুরি সংস্কারের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। তিনি বলেন, সরকার যদি এটা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা আরও জোরদার করব।

জনগণ তাদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার এবং একটি নির্বাচিত সরকার চায়।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ জাতীয় নির্বাচন থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আগে কোনো আলোচনা হয়নি। এখন, তারা (অন্তর্বর্তী সরকার) হঠাৎ করেই আবার এই বিষয়টি তুলছে। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বুধবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার একইসঙ্গে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের এক প্রেস ব্রিফিংয়ের নির্বাচনের প্রসঙ্গ আসে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর উপর নির্ভর করে; তারা কতটা সংস্কার চায়। সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর আলোচনার সময় এটি নিয়েও আলোচনা হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই বছরই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত বলে মনে করে বিএনপি ও এর সমমনা দলগুলো। এ ব্যাপারে তারা একমত হয়েছে। তাদের মতে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো বিষয় জাতীয় নির্বাচনকে দূরে সরিয়ে দেবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, তারা জাতীয় নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন আদায়ের জন্য একটি প্রচারণা চালাবেন।

বৈঠকের নেতারা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। এসব ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে জনসংযগ চালানোর কথা বলছেন তারা।

সূত্র জানায়, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রনেতারা রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকাকে খাটো করে দেখার জন্য সমালোচনা করেন বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা। ছাত্রনেতাদের কর্মকাণ্ডের (যেমন: জনসমাবেশে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত যানবাহন) অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নির্বাচন করার কথা ছিল, কিন্তু তারা স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কথা বলছে।

টুকু বলেন, তিনি যতদূর জানেন, স্বাধীনতার আগে আইয়ুব খানের শাসনামল ছাড়া কোনো অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

এই সময়ে স্থানীয় নির্বাচন ইস্যু তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুকু বলেন, সরকার নির্বাচন, আইন-শৃঙ্খলা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির পরিবর্তে সংস্কারের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, এতে জনগণের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৭