বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপি ভোট ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ক্ষমতায় এসেছে : এটিএম আজাহার

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ‘ভোটের ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, ভোটের ফলাফলের আপনারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে আজকে এই ক্ষমতায় এসেছেন। এটা আপনারাও জানেন, জনগণও জানেন। এজন্য আপনারা জোর করে সংঘাত সৃষ্টি করতে পারেন না, দেশের জনগণের উপর চাপিয়ে থাকতে পারবেন না। শনিবার (৪ এপ্রিল) বাদ আসর, […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২০:১৪

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ‘ভোটের ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, ভোটের ফলাফলের আপনারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে আজকে এই ক্ষমতায় এসেছেন। এটা আপনারাও জানেন, জনগণও জানেন। এজন্য আপনারা জোর করে সংঘাত সৃষ্টি করতে পারেন না, দেশের জনগণের উপর চাপিয়ে থাকতে পারবেন না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বাদ আসর, রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশের আয়োজকরা ‘জুলাই সনদ কার্যকর এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার’ দাবি করেছিল।

আজহার বিএনপিকে সতর্ক করে বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবেন না। “আমাদেরকে রাজপথে আসতে বাধ্য করবেন না।

রাজপথের আন্দোলনের ফলাফল সরকারি দলের জন্য কখনও সুখকর হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। আমাদেরকে জুলুম ও অত্যাচারের ভয়ে ডরাবেন না। সব কষ্ট পার করে আমরা আজকে এই অবস্থানে পৌঁছেছি। সময় থাকতে যদি সরকার চালাতে চান, জুলাই সনদ মেনে নিন এবং কার্যকর করুন।

তিনি আরও বলেন, আজ গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়, এর মধ্য দিয়ে তারা আবার আওয়ামী লীগের কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সমস্ত ক্ষমতা দিতে চায়। আমরা দীর্ঘ ১৬ বছরে এক ব্যক্তির ক্ষমতার শাসন দেখেছি। আমাদের হাজার হাজার ভাই জীবন দিয়েছে।

জামায়াতের সিনিয়র নেতা আজহার বলেন, আমরা সর্বদা জনগণের পাশে থাকি। আজ একজন ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার মাধ্যমে যদি আপনারা দুঃস্বপ্ন দেখেন, জোর করে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না।

তিনি সরকারের প্রতি আরও বলেন, আমাদের আবার রাজপথে অবস্থান করতে বাধ্য করবেন না। যা সংসদে সমাধানযোগ্য, সেটি সংসদেই সমাধান করুন। যদি সংসদের কথা রাজপথে আনা হয়, তবে জনগণের জন্য কোনো ফলাফল সুখকর হবে না। রাজপথের আন্দোলন কখনও ব্যর্থ হয়নি, ইনশাআল্লাহ সফল হবে।

আজহার আওয়ামী লীগের উদাহরণ টেনে বলেন, একটি দল পালিয়ে গিয়ে আরেকটা দেশে আশ্রয় পেয়েছে। জানিনা, আপনারা সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছেন। আপনার জায়গা কোথায় হবে?

তিনি জ্বালানি দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে বলেন, শুনতে পাচ্ছি, তেলের দাম বাড়ানো হবে। যদি দাম বাড়ানো হয়, আমরা একটি প্রস্তাব রাখছি। আপনারা যেভাবে কার্ড বিতরণ করেন—ফ্যামিলি কার্ড, অমুক কার্ড—তেমনভাবে সবাইকে জ্বালানি কার্ড দিলে আমরা দাম বৃদ্ধির আপত্তি করব না।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জামায়াত

নেতা মোবারক হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আব্দুল কাদের, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান এবং নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মখলেসুর রহমান কাসেমী।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে শান্তিনগর পর্যন্ত চলে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫