শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

তারেক রহমানের সভাস্থলে থাকবে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমাবেশস্থলে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য সমাবেশস্থল পাহারায় নিয়োজিত থাকবে। এদের মধ্যে একশ পুলিশের শরীরে স্থাপন করা থাকবে ক্যামেরা। তিনি (তারেক রহমান) হেলিকপ্টারে যেখানে নামবেন, সেখানে এবং হেলিপ্যাড থেকে সভাস্থল পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:৫৮

যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি জনসভায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সমাবেশস্থলে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য সমাবেশস্থল পাহারায় নিয়োজিত থাকবে।

এদের মধ্যে একশ পুলিশের শরীরে স্থাপন করা থাকবে ক্যামেরা। তিনি (তারেক রহমান) হেলিকপ্টারে যেখানে নামবেন, সেখানে এবং হেলিপ্যাড থেকে সভাস্থল পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জনসভাস্থল যশোর উপশহর কলেজ মাঠে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, মঞ্চের চারপাশে দুইস্তরের পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও ডিবি এবং ডিএসবি সদস্যরা সেখানে অবস্থান করবে। সভাস্থলের চারপাশে বড় বড় গাছ আছে। সভা চলাকালে ওই গাছে যাতে কেউ অবস্থান করতে না পারে, সেদিকে নজর থাকবে পুলিশের।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা সবসময় পুলিশের কাজের সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি জানান, যানবাহন রাখার জন্য শহরের পাঁচটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সভাস্থলে ভিআইপি গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন প্রবেশ করবে না। এজন্য পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এই প্রথম পুলিশের শরীরে ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। যাতে দুর্বৃত্তরা অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও তাদের অপরাধ ওই ক্যামেরায় রেকর্ড রাখা যায়। সভাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যদের বডিতেও ক্যামেরা থাকবে। শতাধিক পুলিশ ‘বডি অন ক্যামেরা’ ব্যবহার করবে।

পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে সফল করতে পুলিশ অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। নানারকম পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবারের জনসভাস্থলের দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের একটি রিহার্সেলও হয়ে যাবে। তিনি এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

প্রেস ব্রিফিং শেষে পুলিশ সুপার সভাস্থল ঘুরে দেখেন। সেখানে থাকা পুলিশ সদস্য ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) আহসান হাবীব, কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক আহমেদ, ডিবি পুলিশের ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।