সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যে দেশটা হাতে পেয়েছি, ফেরেশতা এলেও সেটা কয়েক মাসে ঠিক করতে পারবে না : উপদেষ্টা শারমীন

বাংলাদেশের বর্তমান অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, “যে দেশটা হাতে পেয়েছি, ফেরেশতা এলেও সেটা কয়েক মাসে ঠিক করতে পারবে না।” শনিবার (৩ মে) অনুষ্ঠিত ‘পিএফএস পলিউশিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কোনো […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মে ২০২৫, ১৮:০০

বাংলাদেশের বর্তমান অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, “যে দেশটা হাতে পেয়েছি, ফেরেশতা এলেও সেটা কয়েক মাসে ঠিক করতে পারবে না।”

শনিবার (৩ মে) অনুষ্ঠিত ‘পিএফএস পলিউশিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ কোনো দরিদ্র দেশ নয়। বরং এটি একটি সম্ভাবনাময় অথচ অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। আমাদের অগাধ সম্পদ রয়েছে, কিন্তু সেই সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”

শারমীন মুরশিদ দাবি করেন, “জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গু হয়েছেন, ১,৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এ ইতিহাস কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না।” তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সব রাজনৈতিক দলকে আগে নিজেদের সংস্কার করতে হবে, এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে। আপনারা সুচিন্তিত ভাবনা দিন, আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

তিনি অন্তর্বর্তী সময়কে নীতিনির্ধারণের জন্য একটি ‘মোক্ষম সময়’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের সময় সীমিত। তাই যারা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছেন, তাদের দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দরজা সবার জন্য খোলা।”

পরিবেশ দূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা ভয়াবহভাবে দূষণের মধ্যে আছি। রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা না করলে একা এই সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। আমরা একটি ভলনারেবল (সংবেদনশীল) অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি। নদী ও পানি রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা আজও পানিতে আর্সেনিকমুক্ত হতে পারিনি। ভূগর্ভস্থ পানি শোধন করতে পারিনি, সেই পানিকে রক্ষা করতে পারিনি। অথচ এটি আমাদের বিশাল সম্পদ। একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান এসে পানির উৎস ধ্বংস করে দিচ্ছে, আর স্থানীয় জনগণ কিছুই বলতে পারছে না।”

গার্মেন্টস খাতের অব্যবস্থাপনা নিয়েও তীব্র সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, “যারা শ্রমিকদের ৫ টাকা বেশি দিতে চায় না, তারা কীভাবে পরিবেশ রক্ষা করবে? দেশে বড় থেকে ছোট—সর্বত্রই ধ্বংসাত্মক অর্থনীতি ও রাজনীতির চর্চা চলছে। এই ধারা চলছে গত ৫৪ বছর ধরে।”

তিনি সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “নদী রক্ষা করতে হবে, পরিবেশ রক্ষা করতে হবে—এই দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।”

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।