সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

প্রতিবন্ধী কোটায় চাকরি নিলো ছাত্রলীগ, একজনের পরীক্ষা দিলো অন্যজন

২০২২ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র নবম গ্রেডের উপ-গ্রন্থাগারিক ও ফিল্ড অফিসার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে, যার মূল কেন্দ্রে রয়েছেন আফসানা আক্তার। বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলের অনুসন্ধানে জানা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইলের সাবেক এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিনের সঙ্গে আফসানার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে পুরো […]

প্রতিবন্ধী কোটায় চাকরি নিলো ছাত্রলীগ, একজনের পরীক্ষা দিলো অন্যজন

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:১৯

২০২২ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র নবম গ্রেডের উপ-গ্রন্থাগারিক ও ফিল্ড অফিসার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে, যার মূল কেন্দ্রে রয়েছেন আফসানা আক্তার।

বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলের অনুসন্ধানে জানা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইলের সাবেক এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিনের সঙ্গে আফসানার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি তার অনুকূলে সাজানো হয়েছিল। তৎকালীন সংস্কৃতি সচিব মনসুর আহমেদ এবং গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক কবি মিনার মনসুরের সঙ্গেও তার বিশেষ যোগসাজশ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিয়োগ পরীক্ষায় আফসানার খাতায় অন্য ব্যক্তির হাতের লেখা পাওয়া গিয়েছিল, যা নিয়োগ কমিটির সভাপতি অসীম কুমার দে মেসেঞ্জারে স্বীকার করেছেন। তবে তিনি এই প্রমাণ হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছেন, খাতা সংরক্ষিত আছে কিন্তু এখন দেওয়া হবে না।

উক্ত বেসরকারি টিভি চ্যানেলের কাছে একটি কল রেকর্ডিং রয়েছে, যেখানে আফসানার নম্বর টেম্পারিং ও অবৈধ নিয়োগের বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। এতে দায়ী হিসেবে তুহিন, মিনার মনসুর ও সংস্কৃতি সচিবের নাম উঠে আসে।

আফসানা নিজেও স্বীকার করেছেন যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তার জন্মতারিখের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে সরাসরি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও ছাত্রলীগের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করেছেন।

বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলের অনুসন্ধানে জানা যায়, ময়মনসিংহের নান্দাইলের সাবেক এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিনের সঙ্গে আফসানার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি তার অনুকূলে সাজানো হয়েছিল।

তৎকালীন সংস্কৃতি সচিব মনসুর আহমেদ এবং গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক কবি মিনার মনসুরের সঙ্গেও তার বিশেষ যোগসাজশ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

শুধু আফসানা নয়, সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের সুপারিশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা রাসেল রানাকে ‘প্রতিবন্ধী’ হিসাবে দেখিয়ে একই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, যদিও তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। রাসেলের সহপাঠী ও সহকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন যে তিনি তার প্রকৃত পরিচয় গোপন করে এই চাকরি পেয়েছেন।

আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, চাকরি স্থায়ী হওয়ার আগেই আফসানা ও রাসেলকে গ্রন্থকেন্দ্রের তৎকালীন পরিচালক মিনার মনসুর ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার’ দেন, যা নিয়োগের অনিয়মকে আরও উসকে দেয়।

গ্রন্থকেন্দ্রের বই বিতরণ থেকে শুরু করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ দুদকে জমা পড়েছে। দুদক পরিচালক জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু বর্তমান পরিচালক আফসানা বেগম অভিযোগ এড়িয়ে গিয়ে অভিযুক্তদেরই সমর্থন করেছেন।

সরকারি দপ্তরে এমন অনিয়মের ফলে একদিকে মেধাবীরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে সুবিধাভোগ করছেন অসাধু কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা।

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এমন দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সাধারণ মানুষ কখনোই মেনে নেবে না। এই কেলেঙ্কারির তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম রোধ করা যায়।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।