বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ধর্ষককে খোলা স্থানে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিৎ

ধর্ষণ একটি ভয়াবহ অপরাধ, যা শুধুমাত্র ভুক্তভোগীর জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকেই মনে করেন, প্রচলিত বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং ধর্ষকদের জন্য কঠোর শাস্তি না থাকায় তারা বারবার একই অপরাধ করে। এজন্য অনেকে দাবি করছেন, ধর্ষকদের […]

ধর্ষককে খোলা স্থানে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিৎ

ছবি : সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৯ মার্চ ২০২৫, ১৯:৩৭

ধর্ষণ একটি ভয়াবহ অপরাধ, যা শুধুমাত্র ভুক্তভোগীর জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অনেকেই মনে করেন, প্রচলিত বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং ধর্ষকদের জন্য কঠোর শাস্তি না থাকায় তারা বারবার একই অপরাধ করে। এজন্য অনেকে দাবি করছেন, ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিত, যাতে তারা আর কখনো এমন ঘৃণ্য অপরাধ করতে সাহস না পায়।

কঠোর শাস্তির পক্ষে যুক্তি
১. ভয় ও প্রতিরোধ সৃষ্টি: অনেকের মতে, ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তি দিলে সমাজে একটি শক্তিশালী বার্তা যাবে যে, এ ধরনের অপরাধের জন্য কোনো ছাড় নেই। এটি অন্য অপরাধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং তারা অপরাধ করার আগে দুইবার চিন্তা করবে।

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানো: প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ায় ধর্ষণ মামলার বিচার দীর্ঘ সময় নেয় এবং অনেক সময় ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পান না। প্রকাশ্যে দ্রুত শাস্তি কার্যকর করলে বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা বাড়তে পারে।

ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা : ধর্ষণের শিকার নারীরা অনেক সময় সামাজিক লজ্জা, ভয় ও হুমকির কারণে ন্যায়বিচার পান না। প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর হলে ভুক্তভোগী এবং তার পরিবার মনস্তাত্ত্বিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।

কঠোর শাস্তির বিপক্ষে যুক্তি
১. আইনের শাসনের পরিপন্থী: প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া যদি আইনসম্মত না হয়, তবে এটি এক ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। বিচারব্যবস্থা প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে না, কিন্তু জনমতের ভিত্তিতে যদি প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করা হয়, তাহলে ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি থেকে যায়।

সহিংসতার সংস্কৃতি তৈরি: সমাজে যদি প্রকাশ্যে কঠোর শাস্তির প্রচলন হয়, তবে এটি জনসাধারণের মধ্যে হিংস্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ভবিষ্যতে অন্য অপরাধের ক্ষেত্রেও মানুষ নিজ হাতে আইন তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখাতে পারে, যা সামাজিক বিশৃঙ্খলা ডেকে আনতে পারে।

মানবাধিকার লঙ্ঘন: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো সবসময় বলছে, প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড বা কঠোর শাস্তি দেওয়া নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এটি একজন অপরাধীর মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থী। এছাড়া, যদি কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি ভুলভাবে অভিযুক্ত হন, তবে তাকে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া হলে পরবর্তীতে সেই ভুল আর সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।

প্রকাশ্যে শাস্তির দাবির পেছনে জনগণের মূল চাহিদা হলো কার্যকর ও দ্রুত বিচার। তাই ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তের গতি বাড়ানো, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা, ভুক্তভোগীদের জন্য নিরাপদ ও সহানুভূতিশীল বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার।

সর্বোপরি, কেবল কঠোর শাস্তি দিলেই ধর্ষণ বন্ধ হবে না। অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি, নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সংস্কার প্রয়োজন। ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধি, যার সমাধান শুধুমাত্র কঠোর শাস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পুরো সমাজকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।