সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নাহিদ ইসলাম এর জায়গায় তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম

অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মাহফুজ আলম। গতকাল মঙ্গলবার মো. নাহিদ ইসলাম এই পদ থেকে পদত্যাগ করায় সরকার দ্রুত নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে মাহফুজ আলম তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। শিগগিরই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা […]

নাহিদ ইসলাম এর জায়গায় তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:৩৭

অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মাহফুজ আলম। গতকাল মঙ্গলবার মো. নাহিদ ইসলাম এই পদ থেকে পদত্যাগ করায় সরকার দ্রুত নতুন নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে মাহফুজ আলম তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। শিগগিরই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বা মন্ত্রী সরকারের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের মধ্য থেকেই তথ্য উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সরকারের শীর্ষ মহল একমত হয়েছে।

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর থেকেই নতুন উপদেষ্টা কে হচ্ছেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের নাম আলোচনায় এলেও তাকে নতুন পদে আনার সম্ভাবনা খুবই কম। সম্প্রতি তিনি সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন, ফলে তথ্য উপদেষ্টার পদে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মাহফুজ আলমকেই তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেও কোনো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাননি। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মাত্র ২০ দিনের মাথায়, ২৮ আগস্ট, তাকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা মাহফুজ আলম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন এবং পতিত হাসিনা সরকারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আন্তর্জাতিক পরিসরে তার রাজনৈতিক ও কৌশলগত দক্ষতা তুলে ধরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা তাকে এই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ছাত্র ও নাগরিক সমাজের সংযোগ রক্ষার জন্য যে লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করা হয়, সেখানে মাহফুজ আলম মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। অভ্যুত্থানের সময় তার কৌশলগত পরামর্শ এবং গণমাধ্যম ও ডিজিটাল যোগাযোগের ওপর দক্ষতা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে মাহফুজ আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নীতিনির্ধারণী কিছু বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম লক্ষ্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা। মাহফুজ আলমের নিয়োগ সেই পরিকল্পনারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে, তার নিয়োগের খবরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আশা করছেন যে, নতুন তথ্য উপদেষ্টা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তবে সরকারবিরোধী কিছু মহল এই নিয়োগের সমালোচনা করেছে এবং সরকারের তথ্য প্রচারে নতুন ধরনের কৌশল গ্রহণ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে।

এই পরিবর্তনের ফলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন কাঠামো কীভাবে গড়ে ওঠে এবং এর মাধ্যমে সরকারের যোগাযোগ ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।