সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

হজযাত্রীদের ‘সার্বক্ষণিক’ সেবার লক্ষে ‘হজ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র’ চালুর নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

হজযাত্রীদের জন্য সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করতে হজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনায়’ হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সভায় ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত […]

হজযাত্রীদের ‘সার্বক্ষণিক’ সেবার লক্ষে ‘হজ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র’ চালুর নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০০:০৬

হজযাত্রীদের জন্য সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করতে হজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনায়’ হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সভায় ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা হজ ব্যবস্থাপনা সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “হজ পালন সহজ করতে আল্লাহ আমাদের সুযোগ দিয়েছেন; আমাদের উচিত সেই সুযোগকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো। একজন হজযাত্রীও যেন কোনো দুর্ভোগের শিকার না হন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে।”

হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে হজ এজেন্সিগুলোর দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে একটি বুকলেট আকারে প্রকাশ করার নির্দেশ দেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “সরকারের দায়িত্ব হলো এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা। যদি কোনো এজেন্সি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হজযাত্রীদের যেকোনো জটিলতা থেকে রক্ষা করতে একটি হজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “একটি কল সেন্টার চালু করা হবে, যেখানে যেকোনো অভিযোগ সঙ্গে সঙ্গে মনিটরিং করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, যেখানে হজযাত্রীরা যুক্ত থাকতে পারবেন, অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং কেউ হারিয়ে গেলে দ্রুত অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হবে।”

নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, “নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সেই বিষয়ে একটি বিশেষ গাইডলাইন তৈরি করা উচিত।”

হজ ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বহীনতা প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “যে কোনো এজেন্সি যদি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। দায়িত্বশীলতা বাড়াতে এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম ও দক্ষতা যাচাই করে ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ভাগ করতে হবে।”

হজযাত্রীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে বিশেষ ভিডিও গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দেন তিনি। এতে বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে হজযাত্রীরা সহজেই জানতে পারবেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “ভিডিওতে দেখাতে হবে, অসুস্থ হয়ে গেলে কী করতে হবে, হারিয়ে গেলে কোথায় যোগাযোগ করতে হবে, কোরবানি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে কী ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে হজযাত্রীরা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারবেন।”

আগামী বছর থেকে ‘হজ ক্রেডিট কার্ড’ চালুর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “এটি চালু করা হলে হজযাত্রীদের আর্থিক লেনদেন সহজ হবে এবং যাত্রা আরও নির্বিঘ্ন হবে। দেশে ফেরার পর অব্যবহৃত অর্থ নগদ ফেরত দেওয়া হবে।”

হজযাত্রীদের লাগেজ হারানোর ঘটনা প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “চেক-ইনের পর প্রতিটি লাগেজের ট্যাগের একটি কপি সংরক্ষণ করা হবে এবং হজ ম্যানেজমেন্ট সেন্টারে রাখা হবে, যাতে লাগেজ হারিয়ে গেলে দ্রুত শনাক্ত করা যায়।”

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ২০০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১ হাজার ৯০০ জন হজের নিবন্ধন করেছেন। তবে সরকার এ বছর সরকারি খরচে কাউকে হজে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার প্রস্তুতি চলছে, যা হজযাত্রীদের জন্য আরও স্বচ্ছ, সহজ ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করবে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।