সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

হাসিনার ফেরার সব পথ বন্ধ! দিল্লিতে গৃহবন্দী শেখ হাসিনা?

ছাত্রজনতার প্রবল জনরোষের মুখে ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার ফেরার সব পথ বন্ধ। কথিত নিরাপত্তার চাদর ভেদ করে অনুমতি সাপেক্ষে তার বসবাস। সব খোয়া গেছে, হারিয়েছেন সব কেউ। দাবি তাঁকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার । গঙ্গার পাড়ে তাঁরা যাঁকে আশ্রয় দিয়েছেন, তাঁরাও সন্দিহান, তিনি অনাহূত। কেউ তার অপেক্ষায় নেই। এমনকি এতদিন যারা তাঁর […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:২৭

ছাত্রজনতার প্রবল জনরোষের মুখে ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার ফেরার সব পথ বন্ধ।

কথিত নিরাপত্তার চাদর ভেদ করে অনুমতি সাপেক্ষে তার বসবাস। সব খোয়া গেছে, হারিয়েছেন সব কেউ। দাবি তাঁকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার ।

গঙ্গার পাড়ে তাঁরা যাঁকে আশ্রয় দিয়েছেন, তাঁরাও সন্দিহান, তিনি অনাহূত। কেউ তার অপেক্ষায় নেই। এমনকি এতদিন যারা তাঁর কথায় ওঠবস করছেন, ফায়দা লুটে গড়েছেন কাড়ি কাড়ি টাকার পাহাড় তাঁরাও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলতে যারা এক সময় জ্ঞান হারাতেন,তাকে সন্তুষ্ট করতে যারা থাকতেন উন্মুখ, তারাও এখন তাকে এড়িয়ে চলছেন।যারা এক সময় শেখ হাসিনার ধারে কাছেও ঘেষতে পারতেন না, পাত্তা পেতেন না দলের অন্দর কিংবা বাহিরে এখন তাদের লাইভে এসেই নানা কথাবার্তা বলতে হচ্ছে, হুমকির ফুলকি উড়িয়ে পাত্তা পাওয়ার চেষ্টা করতে হচ্ছে। উল্টো সে সব হুমকি নিয়ে তৈরি হচ্ছে মিমস।

শেখ হাসিনা ভারতে কীভাবে আছেন, কোথায় আছেন তা নিয়ে দিল্লি বরাবরই চুপনীতির অবস্থান নিয়েছে।দিল্লির এই চুপ থাকায় মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, শেখ হাসিনা কি দিল্লিতে গৃহবন্দী?

এবার ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা আবারও ফিরে আসতে মরিয়া। তিনি ফিরবেন আর প্রতিপক্ষকে ধরবেন, প্রতিপক্ষকে শূলে চড়াবেন, উন্নয়ন করবেন, মেট্রোরেলে চড়বেন, পদ্মা সেতুতে গিয়ে গায়ে হাওয়া মাখবেন।

তবে শেখ হাসিনা ফিরবেন সেই খবরে অনেকে আবার আশাবাদী, তাঁরা চান হাসিনা আবার ফিরুক। ফিরে এসে মুখোমুখি হোক বিচারের।

প্রায় ২ হাজার হত্যা, শত শত আহত মানুষ। আয়নাঘর কাণ্ডের মতো বহু অভিযোগ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ সরকারও প্রস্তুত আগেই শেখ হাসিনাকে ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। বারবার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে দিল্লিকে। শেখ হাসিানও আসতে চাইছেন। তবে দিল্লি কেন তাঁকে দেশে পাঠাচ্ছে না?জটিলতা কোথায়?

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য ।শফিকুল আলম বলেন, কিছুদিন আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন যে প্রতিবেদন দিয়েছে তাতে স্পষ্ট, শেখ হাসিনা কী ধরনের অপরাধ করেছেন। তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এটা বড় ধরনের অপরাধ৷

জাতিসংঘ ও কিছু কিছু মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনের পর অনেক চাপ তৈরি হচ্ছে। এই চাপে একটা নমুনা হল ইন্ডিয়া টুডের জরিপ। সেখানে দেখা গেছে সেখানকার ৫৫% মানুষ চান শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে কিছু অংশ চাচ্ছেন, তাঁকে অন্য দেশে পাঠিয়ে দিতে। মাত্র ১৬% থেকে ১৭ % শতাংশ মানুষ চান শেখ হাসিনাকে ভারতে রাখতে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।