সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আপনাদের ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারব না,আসুন কোনো হানাহানি নয়,আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি: রাষ্ট্রপতি

রাজনীতিতে হানাহানি ও সংঘর্ষ এড়িয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সহিষ্ণুতা। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কোনো হানাহানি নয়, কোনো সংঘর্ষ নয়। আসুন, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি।’ […]

আপনাদের ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারব না,আসুন কোনো হানাহানি নয়,আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি: রাষ্ট্রপতি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫০

রাজনীতিতে হানাহানি ও সংঘর্ষ এড়িয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সহিষ্ণুতা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কোনো হানাহানি নয়, কোনো সংঘর্ষ নয়। আসুন, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি।’

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো দুই দিনের সরকারি সফরে রোববার দুপুরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত জনতা করতালির মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানায়। এ সময় দুই হাত তুলে জনতার অভিবাদনের জবাব দেন রাষ্ট্রপতি।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমও উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকায় তার আগমন ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ শহীদ উজ জামানের সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠের মাধ্যমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে রাষ্ট্রপতির জীবন নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘শিকড় থেকে শিখরে’ প্রদর্শন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা কোনোদিন শোধ করতে পারব না। এই ঋণ শোধ করার নয়।’

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ বরাবরই পিছিয়ে পড়া। এলাকার বেশির ভাগ মানুষ দরিদ্র এবং অনেকেই নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার কথা ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না। তবে মানুষের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা তিনি সবসময় করেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি যখনই আপনাদের কাছে এসেছি, আপনারা আমাকে ভালোবাসা দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমি চেষ্টা করেছি সেই আস্থার মূল্য দিতে। আমরা আর রক্তপাত চাই না।’

ঠাকুরগাঁওকে শান্তিপূর্ণ এলাকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানকার মানুষ ঝামেলা পছন্দ করেন না। এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখতে হবে।

সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আপনারা নিজেদের রাজনীতি করবেন, নিজেদের মতবাদ প্রচার করবেন; কিন্তু সংঘাতে জড়াবেন না। আমরা আর রক্তপাত চাই না।’

রাজনীতিতে সহিষ্ণুতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় জিনিস সহিষ্ণুতা। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি অনুরোধ থাকবে—কোনো হানাহানি নয়, কোনো সংঘর্ষ নয়। আসুন, আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করি।’

ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠাকুরগাঁওয়ে এসে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয় ছিল। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জমি হয়ে গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আমাদের সামনে বসে আছেন। মেডিক্যাল কলেজের কথা বলেছিলেন, সেটাও হয়েছে।’

ভুল্লি ও রুহিয়াকে পৃথক উপজেলা করার দাবি বাস্তবায়নের কথাও তুলে ধরেন তিনি। ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিমানবন্দর কার্যকরভাবে চালু করতে হলে এলাকায় শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মানুষের কর্মসংস্থান তৈরিতেও কাজ করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ কিছুটা কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা আমাকে ধাক্কা মেরে এমন জায়গায় নিয়ে গেলেন, যেখানে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগটা কমে গেল।’

তবে ঠাকুরগাঁওবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘আপনারা কেউ ভাববেন না যে আমি আপনাদের কাছ থেকে দূরে সরে গেছি বা আপনারা আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছেন। আমি সব সময় আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আপনাদের সঙ্গেই থাকব।’

বক্তব্যের শেষ দিকে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ‘আল্লাহ–তাআলা যেন আমাকে সেই তৌফিক দেন, জীবনের বিনিময় হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কাজ করতে পারি। দেশের মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করতে পারি। গণতন্ত্র রক্ষার জন্য কাজ করতে পারি।’

অনুষ্ঠানে ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।