বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব সরকার ও জনগণের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে এ সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে ইয়াও ওয়েন বলেন, চলতি বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫১ বছর পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশের নতুন সরকারের দেশ পরিচালনার প্রচেষ্টায় চীন সমর্থন জানায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে। দুই দেশের যৌথ ঘোষণাতেও সম্পর্ককে এই পর্যায়ে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রায় তিন বছর নয় মাস দায়িত্ব পালনের স্মৃতিচারণ করে ইয়াও ওয়েন জানান, শিগগিরই তিনি দায়িত্ব শেষে বাংলাদেশ ছাড়ছেন। এই সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন খুব কাছ থেকে দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের তরুণদের আশাবাদ ও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ের প্রশংসা করে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, তরুণরা যেকোনো দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রধান শক্তি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।