বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পুলিশকে ভারতীয় ফোন নম্বর দিয়ে নানা কায়দায় হুমকি দিচ্ছে আ. লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গেছে। ফোন কল, ভয়েস মেসেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—নানা কায়দায় এই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থান নেওয়ায় এসব পলাতক ব্যক্তিরা পুলিশের ওপর প্রতিশোধের মনোভাব দেখাচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারতীয় ফোন নম্বর ব্যবহার করে […]

পুলিশকে ভারতীয় ফোন নম্বর দিয়ে নানা কায়দায় হুমকি দিচ্ছে আ. লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৫৯

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে বলে জানা গেছে। ফোন কল, ভয়েস মেসেজ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—নানা কায়দায় এই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থান নেওয়ায় এসব পলাতক ব্যক্তিরা পুলিশের ওপর প্রতিশোধের মনোভাব দেখাচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারতীয় ফোন নম্বর ব্যবহার করে এই হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কার নামে সিম রেজিস্ট্রেশন করা, কোন দেশের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে—তা জানতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
সূত্র মতে, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোনে বলা হচ্ছে—“চাকরি থেকে

অবসরে গেলেও তোমাকে দেখে নেওয়া হবে”, “পরিবারকেও ছাড় দেওয়া হবে না”—এ ধরনের ভয় দেখানো হচ্ছে। এতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। অনেকেই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি)ও করেছেন।

এক সাম্প্রতিক ঘটনায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানার এসআই মনির হাসানকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয়। কলটি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এসআই মনির জানান, তিনি সন্ত্রাস দমন ও ভাঙচুরের কয়েকটি মামলার তদন্ত করছেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পলাতক আওয়ামী লীগ কর্মীরা বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে হুমকি দেয়। তিনি আরও জানান, হুমকিদাতা ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে—কোটালিপাড়া থানার ইমরান হোসেন রাজিব।

অনেক ক্ষেত্রে ফোনালাপ রেকর্ড করে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাই ফেসবুকে ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ আরও চাপের মুখে পড়ে। এতে মনস্তাত্ত্বিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান একাধিক কর্মকর্তা।
মনোবিজ্ঞানী ড. সৈয়দ তানভীর রহমান বলেন, এ ধরনের হুমকি মানসিক চাপ বাড়ায়। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে চাপ কমে যায়। সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা বলেন, “হুমকি দেওয়া একটি ক্রিমিনাল অফেন্স। এসব ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা উচিত।”
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অপারেশন্স) মো. রেজাউল করিম বলেন, “আমরা উদ্বিগ্ন নই। মামলা নেওয়ার মতো বিষয় হলে মামলা হয়, জিডির ভিত্তিতে তদন্ত হয়। ভারতীয় সিমের বিষয়টি জানার জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হচ্ছে।”

পুলিশের মতে, পলাতক আওয়ামী লীগের এই ধরনের সন্ত্রাসী আচরণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে, যা শক্ত হাতে মোকাবিলা করা হবে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।