সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, সমাধানের চেষ্টা চলছে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুর

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের বিষয়টি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি। পোস্টে নুরুল হক নুর বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা বাতিল হওয়া ৪ হাজার বাংলাদেশিদের বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক […]

আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, সমাধানের চেষ্টা চলছে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩৮

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের বিষয়টি কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।

পোস্টে নুরুল হক নুর বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা বাতিল হওয়া ৪ হাজার বাংলাদেশিদের বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আমরা অবগত। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ছুটিতে দেশে এসে ভিসা বাতিলের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রবাসীদের দ্রুত পুনর্বাসন, মাসিক সহায়তা ভাতা এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি জানান।

ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে বলা হয়, পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের ও পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য মাসিক ১৫-২০ হাজার টাকা প্রবাসী সহায়তা ভাতা দিতে হবে।
কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের আবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো সম্ভব না হলে সরকারের উদ্যোগে উপযুক্ত অন্য দেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে। বিকল্প দেশে পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত সহায়তা ভাতা অব্যাহত রাখার কথাও বলা হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে-সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনা করে ভিসা জটিলতার দ্রুত সমাধান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের আগের কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ সৃষ্টি করা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কনস্যুলার সেবাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার দাবি জানানো হয়েছে।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভিসা নবায়ন, পুনঃ প্রাপ্তি ও অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতার স্থায়ী সমাধানেরও দাবি জানিয়েছেন তারা। বৈধভাবে কর্মরত ও অবস্থানরত প্রবাসীদের ভিসা সমস্যা নিরসনের পাশাপাশি তাদের কর্মসংস্থান ও বৈধ অবস্থান নিশ্চিত করতে দুই দেশের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা প্রবাসী সব বাংলাদেশিকে সুনির্দিষ্ট প্রবাসী পেনশন বা কল্যাণ ভাতা কর্মসূচির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। এতে কর্মজীবন শেষে দেশে ফিরে প্রবাসীরা সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’ ঘোষণা করতে বাধ্য হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।