মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

মডেল মসজিদের নির্মাণ ব্যয় তদন্ত করে দেখা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সারা দেশে নির্মিত মডেল মসজিদগুলোর প্রকল্প ব্যয়, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি, বাস্তবায়নের মান এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের সচেতন করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সোমবার জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। […]

মডেল মসজিদের নির্মাণ ব্যয় তদন্ত করে দেখা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৬

সারা দেশে নির্মিত মডেল মসজিদগুলোর প্রকল্প ব্যয়, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি, বাস্তবায়নের মান এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের সচেতন করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে প্রশ্নোত্তরে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সরকারদলীয় সদস্য জয়নাল আবেদিন ফারুক সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, নতুন মডেল মসজিদ নির্মাণের আগে বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও নির্মাণমান তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, যেসব মসজিদের নির্মাণ ব্যয় শুরুতে ১৩ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল, পরে তা বেড়ে ২১ কোটিতে পৌঁছেছে। পাশাপাশি অনেক মসজিদে নির্মাণ ত্রুটিও দেখা দিয়েছে। তাঁর নির্বাচনী এলাকার সেনবাগের মডেল মসজিদে পানি চুইয়ে পড়ায় সেটি ব্যবহার কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালও তাঁর নির্বাচনী এলাকার একটি মডেল মসজিদের অবকাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, দুর্গাপুরের একটি মডেল মসজিদের সামনে বড় একটি পুকুর থাকায় সেখানে যাতায়াতের জন্য একটি সেতু প্রয়োজন। স্থানীয়রা মসজিদটির নাম ‘তাজমহল’ দিলেও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ অপচয়ের অভিযোগ রয়েছে। মডেল মসজিদ নির্মাণ একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন যথাযথ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, একটি মসজিদের নির্মাণ ব্যয় ১৩ কোটি টাকা থেকে কীভাবে ২১ কোটিতে উন্নীত হলো, দেশে মোট কতটি মডেল মসজিদ নির্মিত হয়েছে, প্রতিটি প্রকল্পে কত ব্যয় হয়েছে এবং ব্যয় বৃদ্ধির কারণ কী—এসব বিষয় তদন্ত করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মডেল মসজিদ প্রকল্পের সব ব্যয়, নির্মিত মসজিদের সংখ্যা এবং প্রতিটি মসজিদভিত্তিক ব্যয়ের তথ্য তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সরকারের অন্যান্য সংস্থাকেও এ তদন্তে সম্পৃক্ত করা হবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন মেগাপ্রকল্পে ব্যয় ও সময় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয় ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে। তাই মডেল মসজিদ প্রকল্পও একইভাবে তদন্তের আওতায় আনা হবে।

ধর্মীয় উগ্রবাদ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ, গুজব ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে সরকার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে তরুণদের ইসলামের শান্তির বাণী, নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের সহযোগিতায় ভবিষ্যতে যুবসমাজের জন্য নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় সচেতনতা ও সম্প্রীতিবিষয়ক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টও নিজ নিজ পরিসরে সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের চলমান কর্মসূচির আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে সম্মানী প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।