রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, প্রয়োজন না ফুরানো পর্যন্ত চলবে ত্রাণ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন বলেছেন, রাঙ্গামাটির বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। দুর্গতদের যত দিন প্রয়োজন, তত দিন ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙ্গামাটির কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা […]

বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকার, প্রয়োজন না ফুরানো পর্যন্ত চলবে ত্রাণ: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৫

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন বলেছেন, রাঙ্গামাটির বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। দুর্গতদের যত দিন প্রয়োজন, তত দিন ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙ্গামাটির কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের যত দিন প্রয়োজন, তত দিন খাদ্য ও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে তিন মাস বা তারও বেশি সময় ধরে এই সহায়তা চলবে। বন্যা ও পাহাড়ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গতদের দ্রুত পুনর্বাসনে সরকার কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য টিন সরবরাহেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষকে পরিকল্পিতভাবে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এম. ইকবাল হোসেইন বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে। সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পাহাড়ি অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অবগত রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এ সময় সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, তিনি প্রতিদিন দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। যেসব এলাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছায়নি, সেখানে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ চলছে।

তিনি জানান, দুর্গম ফারুয়া এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজ করছেন। পর্যাপ্ত ত্রাণ ও অর্থ বরাদ্দ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, রাঙ্গামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।