“মানুষ স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিদায় করেছে, এখন সময় দেশ গড়ার”—এমন মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শ্রমিক, শিক্ষক, ছাত্র, নারী-পুরুষ—সবাইকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে হবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার গঠনের পর থেকেই বন্ধ কলকারখানা চালুর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে দ্রুত কীভাবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করা যায়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে করে বেকার হয়ে পড়া শ্রমিকদের পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও শুধু এটুকুই যথেষ্ট নয়। দেশে বিপুলসংখ্যক বেকার যুবক রয়েছে, যাদের জন্য দেশীয় ও বৈদেশিক—উভয় ক্ষেত্রেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এ জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং নতুন শিল্প স্থাপনে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, নতুন কারখানা স্থাপিত হলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বাড়বে। শ্রমিক ও কৃষক ভালো থাকলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে—এটাই সরকারের লক্ষ্য।
রাজধানীতে হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে তাদের সরানো হলেও তাদের জীবিকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তারা সম্মানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারেন।
তিনি জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ইতোমধ্যে হকার পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট স্থানে তাদের ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে ধাপে ধাপে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।
শেষে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে খেটে খাওয়া মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।