রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অবৈধ সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিত আ.লীগ : হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অবৈধ সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিত। শুধু তাই নয়, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যা নির্দেশ দিতেন, দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্ক্রলে ঠিক সেই নির্দেশই প্রচার করা হতো। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জবানবন্দি দিতে গিয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩:২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অবৈধ সিদ্ধান্তকে বৈধতা দিত। শুধু তাই নয়, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যা নির্দেশ দিতেন, দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্ক্রলে ঠিক সেই নির্দেশই প্রচার করা হতো।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জবানবন্দি দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। জুলাই আন্দোলনে ‘প্রথম শহীদ’ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন তিনি। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের সামনে তিনি তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ন্যায়বিচার ব্যবস্থা ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত। সরকারের ইঙ্গিত ছাড়া কোনো গুরুত্বপূর্ণ মামলা এগোতো না, আর বিচারিক সিদ্ধান্তও হতো ক্ষমতাসীনদের স্বার্থ অনুযায়ী। তিনি আরও বলেন, সেসময় সাধারণ মানুষই শুধু নয়, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাও ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

তিনি দাবি করেন, গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা যেসব বার্তা দিতেন, তা হুবহু দেশের প্রধান টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্ক্রলে প্রচার করা হতো। এতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল এবং জনগণ প্রকৃত তথ্য থেকে বঞ্চিত হতো।

জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদ হত্যার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, যা গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছিল। তিনি ট্রাইব্যুনালের কাছে এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অতীতে যা ঘটানো হয়েছে, তার প্রতিটি ঘটনার বিচার হতে হবে।

ট্রাইব্যুনালে তার এ সাক্ষ্য রাজনৈতিক ও বিচারিক পরিমণ্ডলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আগের সরকারের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচারব্যবস্থার দাবি আরও জোরালো হবে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

গণভোট অধ্যাদেশ ল্যাপস হয়ে গেছে, গণভোটের কার্যকারিতাও শেষ : আইনমন্ত্রী

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পর ‘আপাতত’ ১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে। এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫:০২

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনার পর ‘আপাতত’ ১৩৩টি অধ্যাদেশের কোনোটিই চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে ‘গণভোট অধ্যাদেশ’-এর বর্তমান আইনি অবস্থান নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট করে তিনি বলেছেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ তো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে গেছে বা ইনফ্যাকচুয়াস (অকার্যকর) হয়ে গেছে।

এর তো আর কার্যকারিতাই নেই। ওইটির অধীনে একটি গণভোট হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতাও শেষ। আমরা বিষয়টিকে সেভাবেই দেখছি।’

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনগুলোর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সরকার সরাসরি বাতিলের পথে না হেঁটে একটি নিয়মতান্ত্রিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘১৩৩টি আইনের ওপর আমাদের বিশেষ কমিটির বিস্তারিত আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, কোনো আইনই চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে না। আমরা এগুলোকে আরও যাচাই-বাছাই করে, স্টেকহোল্ডারদের (অংশীজন) সঙ্গে কথা বলে ফ্রেশ (নতুন) বিল আকারে পার্লামেন্টে আনব।’

আইন প্রণয়ন, সংশোধন বা বাতিলের সাংবিধানিক ও সংসদীয় রীতির বিষয়টিও মন্ত্রীর ব্রিফিংয়ে উঠে আসে। আইনগুলো কবে নাগাদ চূড়ান্ত হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আগামী ২ তারিখের মধ্যে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী। পুরো প্রক্রিয়াটি ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে আইনি কাঠামোর ধাপগুলো তিনি তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই আইনগুলোকে বিল আকারে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। আইন মন্ত্রণালয় সেটি ভেটিং করার পর আমরা পার্লামেন্টে তুলব। এরপর পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে।’

যেসব বিল শেষ পর্যন্ত সংসদ অনুমোদন করবে না, সেগুলোর আইনি পরিণতি কী হবে, সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, “যেগুলো আমরা পাস করব না, সেগুলো ল্যাপস (তামাদি) হয়ে যাবে।” তবে ঠিক কয়টি আইন বা বিল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে কিংবা শেষ পর্যন্ত কতগুলো বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করেননি তিনি। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন আইনমন্ত্রী।

বিদ্যমান বিতর্কিত আইনগুলোর মধ্যে ‘সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট’ এবং নতুন সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘পুলিশ কমিশন’ গঠনের বিষয়ে জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী তাৎক্ষণিক বা সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি ও কাঠামোগত এই বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য ও দিকনির্দেশনা থাকবে।

আইন-আদালত

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।

হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশের বিষয়টি নিজে ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হামের মতো টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছি।’