শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে স্মারকলিপি

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২৬, ১৪:১০

মালয়েশিয়ায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রবাসী বাংলাদেশী ও বিএনপির কর্মীরা। একইসঙ্গে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া বিএনপির কর্মীদের পক্ষ থেকে নাসির উদ্দিন নাসির ও মোহাম্মদ মিনহাজ মন্ডলের তত্ত্বাবধানে গতকাল কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের দূতালায় প্রধানের নিকট এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু নিয়ে এখনো জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ রয়ে গেছে। এ রহস্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়।

এদিকে, ৮ দফা দাবির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আস্থাভাজনের করা দুর্নীতি মামলার কারিগর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহার করে শাস্তির

আওতায় আনা, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা, নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার পদক্ষেপ, দুর্নীতিবাজ ও বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার নিকট অর্থের বিনিময় রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারকারী, অদক্ষ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার আওয়ামী দোসর কূটনৈতিকদের (হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম, ডেপুটি হাইকমিশনার

মোসাম্মত শাহানারা মনিকা, শ্রম বিভাগের প্রথম সচীব সৈয়দ শরীফুল ইসলাম)সহ সকল দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের হাইকমিশন থেকে প্রত্যাহার, শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট ও দালালমুক্ত করে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রিক্রটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া, মালয়েশিয়ায় নারী ও মানব পাচাররোধে কঠোর ব্যবস্থা ও

জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা, জেলখানা আটক প্রবাসী বাংলাদেশীদের মানবিক বিবেচনায় দেশে ফেরতের ব্যবস্থা করা, মালয়েশিয়ান সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অবৈধদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি করাসহ ৮দফা দাবি স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় স্মারক লিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ মিনহাজ্ব মন্ডল, মোঃ রাজু ইমন আলী হানিফ, মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ মেহেদি হাসান, মোঃ আজিম হোসেন , মোঃ তনু সর্দার, মোঃ খোকন মিয়া , মোঃ সোহেল খন্দকার, মোঃ আব্দুর রহিম , মোঃ শামিম উল্লাহসহ অনেকে।

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট […]

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩০

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই। গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত […]

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:২০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই।

গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আপিল করেননি, তারা পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ পাবেন না।

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসঙ্গতি হবে না বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।