সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

সিরিয়া কেন ইসলামি ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ পবিত্র ভূমি?

মুলকে শাম শুধুমাত্র একটি ভূগোলিক অঞ্চল নয়, এটি ইসলামি ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান, এবং ফিলিস্তিন, এই অঞ্চলগুলো প্রাচীনকালে মুলকে শাম হিসেবে পরিচিত ছিল। এই ভূমি ধর্মীয় ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে অসংখ্য নবী-রসুলের আগমন ঘটেছে এবং তাদের জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এখানেই সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের আগমনের পর, শাম আরও বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২:০২

মুলকে শাম শুধুমাত্র একটি ভূগোলিক অঞ্চল নয়, এটি ইসলামি ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান, এবং ফিলিস্তিন, এই অঞ্চলগুলো প্রাচীনকালে মুলকে শাম হিসেবে পরিচিত ছিল। এই ভূমি ধর্মীয় ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে অসংখ্য নবী-রসুলের আগমন ঘটেছে এবং তাদের জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এখানেই সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের আগমনের পর, শাম আরও বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে এবং তা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিকভাবে এক পবিত্র ভূমি হিসেবে পরিচিত।

কুরআন ও হাদিসে শামের উল্লেখ

কুরআন ও হাদিসে মুলকে শামের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা তাঁর কিতাবে এই ভূমির বরকত ও পবিত্রতা সম্পর্কে ঘোষণা করেছেন। একে বরকতময় ভূমি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ বিরাজমান। সুরা আরাফের ১৩৭ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলেন, এই ভূখণ্ডের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের মধ্যে আমি বরকত রেখেছি, যা শামের ভূখণ্ডের বিশেষ গুরুত্বকে প্রতিস্থাপন করে। এছাড়া সুরা বনি ইসরাঈল ১ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে ভূমির চারপাশে আমি বরকত রেখেছি…। এই আয়াতগুলো আমারদেরকে শামের পবিত্রতা ও বরকতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

দ্বিন ও দুনিয়ার বরকত

শামের বরকত শুধুমাত্র দুনিয়ার বা জাগতিক উপকারিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক ইসলামি স্কলার এই ভূখণ্ডে বরকত বলতে এমন বরকত বুঝিয়েছেন, যা এখানে দ্বিন ও দুনিয়ার উভয় ক্ষেত্রেই বিদ্যমান। একদিকে, শাম ভূখণ্ডে অতুলনীয় পরিমাণ খাদ্য, ফলমূল, নদী ও রিজিকের প্রাচুর্য রয়েছে, যা দুনিয়ার বরকত হিসেবে গণ্য। অন্যদিকে, এখানেই বহু নবী-রসুল আবির্ভূত হয়েছেন এবং আসমানি অহি তাদের মাধ্যমে অবতীর্ণ হয়েছে। এককথায় শাম দ্বিন ও দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ বরকতময় ভূমি।

হাশরের ময়দান শামে

ইসলামি ইতিহাসে শামের ভূমির একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি হাশরের ময়দান হবে। হাদিসে এসেছে, শাম হলো হাশরের ভূমি, যা শামের ধর্মীয় মর্যাদাকে আরো দৃঢ় করে। নবী করিম সা. বলেন, সেখানেই তোমাদের হাশর হবে, যা মুসনাদে আহমদে (৩৩/২১৪) বর্ণিত হয়েছে। শাম ভূমির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, যেখানে ভবিষ্যতের মহা ঘটনা সংঘটিত হবে।

যেখানে ফেরেশতারা নিজের ডানাকে ছড়িয়ে দেন

নবী করিম সা. শামের পবিত্রতা সম্পর্কে আরও বলেন, ফেরেশতারা শামের ওপর নিজেদের ডানা বিস্তার করেন, যা জামে তিরমিজিতে (৩৯৫৪) বর্ণিত হয়েছে। এটি শামের ভূখণ্ডের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং মুসলিমদের জন্য একটি পবিত্র আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত।

শাম ইসলামের প্রধান ঘাঁটি

ইসলামিক ইতিহাসে শাম ভূমির গুরুত্ব অনস্বীকার্য। নবী করিম সা. শামের জন্য দোয়া করেছেন, হে আল্লাহ! আমাদের শাম দেশে ও ইয়েমেনে বরকত দান করুন, যা সহিহ বোখারীতে (১০৩৭) উল্লেখিত। শাম ভূমির ইসলামি গুরুত্বকে আরও পরিষ্কার করে।

শামের জন্য নবীর অসিয়ত

নবী করিম সা. তার উম্মতকে শামে অবস্থানের জন্য অসিয়ত করেছেন। মুসনাদে আহমদ (৯/১৪৫)-এ বর্ণিত রয়েছে, তখন শামের ভূমিকে আঁকড়ে ধরবে, যা শামের ভূখণ্ডের বিশেষ মর্যাদাকে নির্দেশ করে।

শাম মুসলিমদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়

হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, কিয়ামতের আগে শাম হবে নিরাপদ ও ফেতনা-মুক্ত অঞ্চল। শাম তখন নিরাপদ থাকবে ও মুসলিমরা সেখানে ফেতনামুক্ত থাকবে, (আন নিহায়া ফি গরিবিল : ৩/২৭১) শাম ভূখণ্ড শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও নিরাপত্তার প্রতীক।

শাম ভূমি শুধুমাত্র ভূগোলিক দিক দিয়ে নয়, এটি ইসলামের ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা ও বরকতের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। আল্লাহ তায়ালা এই অঞ্চলের বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন এবং সেখানে অবস্থানকারী মুসলিমদের জন্য এক নিরাপদ ও বরকতময় স্থান হিসেবে বিবেচিত করেছেন। নবী করিম সা. -এর দিকনির্দেশনা আমাদের জন্য একটি প্রেরণা, যাতে আমরা শামের এই পবিত্র ভূমির প্রতি শ্রদ্ধা ও তার বরকত থেকে উপকৃত হতে পারি।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং শামের বরকত থেকে লাভবান হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন।

আন্তর্জাতিক

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, বাকি সব অনৈতিক। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ট্রাম্প যেমন […]

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

‘মমতা হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প’- পদত্যাগ করতে না চাওয়ায় দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ১৩:৫২

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। তিনি মমতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন-

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, বাকি সব অনৈতিক। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ট্রাম্প যেমন হার মানতে চাননি এবং জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন, তেমনি সুযোগ পেলে মমতাও জনতাকে রাস্তায় নামিয়ে জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতেন।

সাধারণত নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নিলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছাড়তে হয়।

গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন-

আমরা তো হারিনি যে রাজভবনে যাব। হারলে আমি রেজিগনেশন দিতাম। এখন প্রশ্নই ওঠে না। জোর করে আমাদের হারানোর চেষ্টা হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭

ইসলাম ও জীবন

‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান

আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের মূল দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র আরাফাতের ময়দান। আত্মশুদ্ধি, পাপমুক্তি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো মুসলমান ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ পবিত্র হজ পালন করছেন। ফজরের পর থেকেই গোটা বিশ্বের ২০ লাখের বেশি মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন। এর মধ্যে […]

‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান

‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাতের ময়দান

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৬, ০৯:২৬

আজ মঙ্গলবার পবিত্র হজের মূল দিন। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পবিত্র আরাফাতের ময়দান। আত্মশুদ্ধি, পাপমুক্তি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো মুসলমান ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ পবিত্র হজ পালন করছেন।

ফজরের পর থেকেই গোটা বিশ্বের ২০ লাখের বেশি মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ৭৮ হাজারেরও বেশি।

আজ ৯ জিলহজ, হজের মূল দিন। হাজিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন। চার বর্গমাইল আয়তনের বিশাল এই সমতল ভূমি আজ সাদা এহরামে আচ্ছাদিত লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে এক অনন্য দৃশ্যে পরিণত হয়েছে।

হাজিরা এখানে অবস্থান করে জিকির-আজকার, দোয়া ও ইবাদতে সময় কাটাবেন। একই সঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং হজের খুতবা শুনবেন। এ বছর আরাফাতের মসজিদে নামিরায় হজের খুতবা দেবেন মদিনার মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুজাইফি।

সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করে রাতযাপন করবেন। মিনায় জামরাতে নিক্ষেপের জন্য কংকর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকেই।

পরদিন ১০ জিলহজ মিনায় গিয়ে হাজিদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন এবং তাওয়াফে জিয়ারত।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে গেলে শয়তান তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তখন ইব্রাহিম (আ.) শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। সেই ঘটনার স্মরণেই হাজিরা জামরাতে প্রতীকী শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করেন।

হজের শেষ পর্বে হাজিরারা কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করবেন। এর মাধ্যমেই শেষ হবে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা।

এদিকে গতকাল সারাদিন ও রাত হাজিরা মিনায় অবস্থান করেন। লাখ লাখ তাঁবুর শহরে পরিণত হওয়া মিনায় তারা নামাজ, দোয়া ও ইবাদতে সময় কাটান।

পবিত্র হজ উপলক্ষে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফাসহ আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সৌদি সরকার। মোতায়েন করা হয়েছে এক লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।

তীব্র গরমের মধ্যেও হজ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে কাজ করছে ৪০টিরও বেশি সরকারি সংস্থা ও আড়াই লাখ কর্মকর্তা। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি, ড্রোন ক্যামেরা এবং তথ্য বিশ্লেষণ ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে এবারের হজ ব্যবস্থাপনায়।

ইসলাম ও জীবন

মাদরাসায় যৌন নির্যাতন রোধে কমিশন গঠন-মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শ : শায়েখ আহমাদুল্লাহ

মাদরাসাভিত্তিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাচারের অভিযোগ বন্ধে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা শায়েখ আহমাদুল্লাহ। একইসঙ্গে এ ধরনের অভিযোগ তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে শায়েখ আহমাদুল্লাহ বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলোতে যৌন অনাচারের ঘটনা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপারিশ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১০:৫৪

মাদরাসাভিত্তিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাচারের অভিযোগ বন্ধে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা শায়েখ আহমাদুল্লাহ। একইসঙ্গে এ ধরনের অভিযোগ তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে শায়েখ আহমাদুল্লাহ বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলোতে যৌন অনাচারের ঘটনা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপারিশ দিয়ে আসছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে হজ সফরে থাকলেও দেশে ফিরে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন এবং কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, মাদরাসায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিরোধে প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভির আওতায় আনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের জন্য ফ্যামিলি বাসার ব্যবস্থা, আবাসন ও শ্রেণিকক্ষ আলাদা রাখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক খাটের ব্যবস্থা জরুরি।

এছাড়া মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক বা স্টাফ নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

শায়েখ দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা থাকলেও কখনও কখনও নিরপরাধ আলেম বা ইমামদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়। উদাহরণ হিসেবে ফেনীর একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়, যেখানে ফরেনসিক পরীক্ষায় অভিযোগের সঙ্গে স্থানীয় ইমামের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টে আরও বলা হয়, দেশের বড় ও পরিচিত মাদরাসাগুলোর তুলনায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা ছোট আবাসিক মাদরাসাগুলোতে এ ধরনের অভিযোগ বেশি শোনা যায়।

এ অবস্থায় হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার অধীনে আলেম ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠলে কমিশন ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি না পাওয়ার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ধরে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ এখন জরুরি হয়ে উঠেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে শায়েখ আহমাদুল্লাহ বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলোতে যৌন অনাচারের ঘটনা অস্বীকারের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিভিন্ন পরামর্শ ও সুপারিশ দিয়ে আসছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে হজ সফরে থাকলেও দেশে ফিরে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাবনা উপস্থাপন এবং কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, মাদরাসায় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিরোধে প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভির আওতায় আনা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের জন্য ফ্যামিলি বাসার ব্যবস্থা, আবাসন ও শ্রেণিকক্ষ আলাদা রাখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক খাটের ব্যবস্থা জরুরি।

এছাড়া মহিলা মাদরাসায় পুরুষ শিক্ষক বা স্টাফ নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

শায়েখ দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত ঘটনা থাকলেও কখনও কখনও নিরপরাধ আলেম বা ইমামদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়। উদাহরণ হিসেবে ফেনীর একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়, যেখানে ফরেনসিক পরীক্ষায় অভিযোগের সঙ্গে স্থানীয় ইমামের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টে আরও বলা হয়, দেশের বড় ও পরিচিত মাদরাসাগুলোর তুলনায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা ছোট আবাসিক মাদরাসাগুলোতে এ ধরনের অভিযোগ বেশি শোনা যায়।

এ অবস্থায় হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়ার অধীনে আলেম ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠলে কমিশন ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি না পাওয়ার ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হবে।

মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি ও জনআস্থা ধরে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ এখন জরুরি হয়ে উঠেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।