মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

চীনের অর্থায়নেই তিস্তা প্রকল্প, ভারতের প্রভাব শেষ

ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ভাটির দেশ। হিমালয় এবং অন্যান্য উৎস থেকে সৃষ্ট নদীগুলো বাংলাদেশের বুক চিরে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। আমাদের উজানের প্রতিবেশী ভারতের সাথে ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। বাংলাদেশের এসব নদীর প্রায় সবকটিতে তারা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতের এসব কাজের ফলে ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘের পানি কনভেনশনের পাঁচ […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৪:২৩

ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ভাটির দেশ। হিমালয় এবং অন্যান্য উৎস থেকে সৃষ্ট নদীগুলো বাংলাদেশের বুক চিরে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। আমাদের উজানের প্রতিবেশী ভারতের সাথে ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। বাংলাদেশের এসব নদীর প্রায় সবকটিতে তারা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশকে পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।

বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতের এসব কাজের ফলে ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘের পানি কনভেনশনের পাঁচ এবং সাত নম্বর অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে। ১৯৭৫ সালে ভারত তিস্তা নদীর উজানে

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার গজল ডোবায় বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে ন্যায্য হিসার কোন পানি না দিয়ে ধীরে ধীরে মরুভূমিতে রূপান্তর করা হচ্ছে।

ভারতের এমন অপ্রতিবেশী সুলভ আচরণের ফলে বাংলাদেশ বাধ্য হয়েছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করতে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ অংশের তিস্তা নদীর ১১৫ কিলোমিটার এবং এর আশপাশের প্রাণপ্রকৃতি রক্ষা করা যাবে। বাংলাদেশের এ পদক্ষেপের ফলে বেজায় নারাজ হয়েছে ভারত।

বিবিসি বাংলার ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিস্তা নদীতে বাংলাদেশ অংশে একটি বহুমুখী ব্যারেজ নির্মাণের জন্য চীন যে তৎপরতা নিয়েছে, সেটি আটকে আছে ভারতের আপত্তির কারণে।

এতদিন বাংলাদেশকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে চাপে রেখেছিল ভারত। তবে এখন ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের মোড় ঘুরেছে। গত পাঁচ আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে অনেক সমীকরণ বদলে যেতে শুরু করেছে।

বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভারতের প্রভাবকে উপেক্ষা করে চীনকে দিয়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাতে চাচ্ছে।

গতকাল ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন প্রস্তুত। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব সিদ্ধান্তটি নেওয়া যাবে, ততই মঙ্গল। বাংলাদেশের পদক্ষেপের ফলে তিস্তা নদী নিয়ে ভারতের স্বৈরাচারের অবসান হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

যদিও পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করছেন, তিস্তা নিয়ে চীনের আগ্রহ মূলত কৌশলগত। এ প্রকল্পটিকে চীন ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে। তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীনের আগ্রহী হয়ে ওঠার বড় কারণ হচ্ছে তাদের বেল্ট এন্ড রোড প্রকল্প (বিআরআই)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে চীন এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে একই সুতোয় গাঁথতে চাচ্ছে।

চীনের বিআরআই প্রকল্পের আওতাধীন বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মায়ানমার অর্থনৈতিক করিডর এবং প্রস্তাবিত এই করিডরের মাধ্যমে চীন তাদের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ইউনান প্রদেশকে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের মাধ্যমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে যুক্ত করতে চায়। এজন্য তিস্তা বহুমুখী প্রকল্প চীনের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, বরাবরের মতো তিস্তা নিয়ে ভারতের আপত্তি দেখা যাচ্ছে। তারা তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চীনের আগ্রহকে বারবারই সন্দেহের চোখে দেখছে। ভারত মনে করে, চীন তাদের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে ভারতকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলতে চায়।

তবে, চীনকে তিস্তা পরিকল্পনায় যুক্ত করার বিশেষ কিছু কারণ রয়েছে, বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন। চীন তাদের নিজ দেশে পাশাপাশি লাউস, পর্তুগাল, কাজাকস্থান, আর্জেন্টিনা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বাঁধ তৈরিতে বিনিয়োগ করেছে। একই সাথে, এই প্রকল্পের অর্থায়ন করার ব্যাপারেও চীনের সম্মতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পের আওতায় তিস্তা নদীর দুই পাড়ে ২২০ কিলোমিটার গাইড বাঁধ নির্মাণ করা হবে। তিস্তার দুই পাড়ে পরিকল্পিত স্যাটেলাইটসহ নির্মাণ ছাড়াও নদী খনন, নদী শাসন, ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

এছাড়া, মাছ চাষ, পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা এবং বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের ভূকৌশলগত ট্রাম্প কার্ড হিসেবে কাজ করবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০

আন্তর্জাতিক

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বুধবার জাতিসংঘের দৈনিক ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ডুজারিক বলেন, ‘বেসামরিকদের নাগরিকদের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’তিনি বলেন, ‘এই উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে অঞ্চলের […]

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩১

ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বুধবার জাতিসংঘের দৈনিক ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ডুজারিক বলেন, ‘বেসামরিকদের নাগরিকদের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া লড়াইয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
তিনি বলেন, ‘এই উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে অঞ্চলের খুব কম দেশই মুক্ত রয়েছে। কারণ আকাশপথ ও নৌপথগুলো এখনো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।’

ডুজারিক জানান, ‘সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহাসচিব। উত্তেজনা আরো বাড়লে তা বেসামরিক নাগরিক এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য বিধ্বংসী পরিণতি বয়ে আনবে।’

সূত্র: আল জাজিরা

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫০