বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যখাত ও প্রশাসনিক কাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) […]

স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৮

বিগত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যখাত ও প্রশাসনিক কাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সেই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দ্রুত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

*জুলাই আন্দোলন ও রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ছিল সম্পূর্ণভাবে জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই এ আন্দোলন সফল হয়েছে।

এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সরকার তাদের পাশে আছে। আহতদের চিকিৎসা ও তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সরকার করবে। রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই সর্বপ্রথম রাষ্ট্র সংস্কারের প্রস্তাব জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৩১ দফায় রূপ নেয়। বিগত নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও আমাদের এই ৩১ দফার প্রতি ম্যান্ডেট দিয়েছে। কাজেই এই দফা এখন আর শুধু দলের নয়, এটি জনগণের দফায় পরিণত হয়েছে।

*ভঙ্গুর অর্থনীতি ও জ্বালানি সংকট নিরসনে উদ্যোগ

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারে এসে আমরা দেখলাম অতীতে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে। আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, ভঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, ডিজাস্টারাস শিক্ষা ব্যবস্থা এবং একটি বিভাজিত সিভিল ও পুলিশ প্রশাসন পেয়েছি। বিগত স্বৈরাচার জ্বালানি খাতকে তাদের পকেট ভারী করার খাত হিসেবে বিবেচনা করেছিল।

বর্তমান গ্যাস সংকটের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা কাজ করছি। মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়ার পেট্রোনাস কোম্পানির সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ কথা হয়েছে। আগামী অক্টোবরের মধ্যেই তারা আমাদের এলএনজি সরবরাহ করার চেষ্টা করবে। এটি হলে আমরা ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডলাইনে যুক্ত করতে পারবো।

পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উত্তোলনে গত ১৭ বছর ধরে বাপেক্সকে বসিয়ে রাখার সমালোচনা করে তিনি জানান, বাপেক্সের জন্য দ্রুত দুটি রিগের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে দেশের ভেতরের খনিগুলো থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যায়।

*বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি

বেকারত্ব দূরীকরণ বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা অনেক। মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের শ্রমিকদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা তুলে নেওয়া হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক জোনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, যেখানে ১৮ মাসের মধ্যে কারখানা চালু করার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কোরিয়ান বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যার পাড়ে বন্ধ হয়ে থাকা মিল-কারখানার জায়গায় কোরিয়ান বিনিয়োগকারীদের জন্য সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রি করার জায়গা দেওয়া হবে। এ ছাড়াও আগামী ৬-৭ মাসের মধ্যে বিটিএমসি ও বিএসইসি’র বন্ধ থাকা প্রায় ৫০টি মিল-কারখানা ব্যক্তিখাতের মাধ্যমে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে কয়েক হাজার কর্মসংস্থান হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্টার্টআপ ফান্ড’ চালু করার কথাও জানান তিনি।

*স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঘোষণা

সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাতের সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোর বেড সংখ্যা নিয়ে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সময় উদ্যোগ নেওয়া হলেও মাঝখানে বহু বছর কোনো কাজ হয়নি। আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রত্যেকটি উপজেলার ৫১ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।

তিনি একটি হতাশার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ৫৬ বছরেও উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা হয়নি। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে মেডিকেল কলেজ থাকা জেলা হাসপাতালগুলোতে ৫০ বেড এবং সাধারণ জেলা হাসপাতালগুলোতে ১০ বেডের ডায়ালিসিস মেশিন স্থাপন করা হবে। আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে অন্তত ১০ বেডের ডায়ালিসিস সেন্টার চালু হবে। এ ছাড়া বর্তমান জনবান্ধব বাজেটে হার্টের রিং (স্টেন্ট), চোখের লেন্স ও ডায়ালিসিস সামগ্রীর ওপর কর প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ফলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ কমেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

*মাদকমুক্ত সমাজ ও তরুণদের উন্নয়ন

তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি প্রাইমারি স্কুলের ২২ লাখ ছেলে-মেয়ের অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট ও স্পোর্টস প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের শারীরিক ও মানসিক এনার্জি সঠিক জায়গায় কাজে লাগাতে হবে। আইটিখাতে তরুণদের উৎসাহিত করতে প্রযুক্তি পণ্যের ওপর ট্যাক্স শূন্য করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু গালভরা কথা শুনতে বা বলতে চাই না। আমরা কাজ ডেলিভার করতে চাই। দেশ ও জনগণকে আমরা কি দিতে পারলাম, আজকের দিনে এটাই হোক আমাদের শপথ। যারা ষড়যন্ত্র করতে চান, ঠান্ডা মাথায় তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমরা আমাদের ৩১ দফার বাস্তবায়ন করবো।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।