বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ রাজপথে কিভাবে?

চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ক্যাডারেরা। চব্বিশ ঘণ্টার মাথায় নগরীর পল্টন রোড ও ব্যস্ততম প্রবর্তক মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে তারা। দুইদিনে পৃথক দুটি বিক্ষোভ মিছিল থেকে ‘একটা গুলি চললে, পাল্টা গুলি চলবে, শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান ও দিয়েছে খুন সন্ত্রাসসহ নানা অপরাধে নিষিদ্ধ ঘোষিত এ সংগঠনের কর্মীরা।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, […]

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৪, ০৭:০৩

চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ক্যাডারেরা। চব্বিশ ঘণ্টার মাথায় নগরীর পল্টন রোড ও ব্যস্ততম প্রবর্তক মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে তারা। দুইদিনে পৃথক দুটি বিক্ষোভ মিছিল থেকে ‘একটা গুলি চললে, পাল্টা গুলি চলবে, শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান ও দিয়েছে খুন সন্ত্রাসসহ নানা অপরাধে নিষিদ্ধ ঘোষিত এ সংগঠনের কর্মীরা।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে বার বার রাস্তায় নামার দুঃসাহস দেখাচ্ছে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দোসরেরা। নিষিদ্ধ হওয়ার পর রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল করে তারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে।

এসব খুনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জুলাই আগস্টের গণহত্যাসহ বিগত দেড় দশকে অগণিত খুনের ঘটনায় সুস্পষ্ট মামলা রয়েছে। কারও কারও বিরুদ্ধে অস্ত্র ও চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং মাদকের মামলাও আছে। স্বৈরাচারের পতন হলেও আওয়ামী অপরাধীদের দূর্গের কোন হেরফের হয়নি।

 

হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার তিন মাস পার হয়েছে। এ সময়ের মধ্যেও ছাত্রলীগ ও আওয়ামী অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি কোন অভিযান পরিচালনা করা হয়নি। মাঝে মধ্যে পুলিশের নিয়মিত অভিযানে দু’একজন ক্যাডার ধরা পড়ছে। কিন্তু বাকিরা থেকে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসের দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হয়নি।

আর এ সুযোগে পতিত স্বৈরাচারের সুবিধাভোগী এসব অপরাধীরা গোপনে সংঘটিত হচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা প্রকাশ্যে দিনের আলোতে ছাত্র জনতার ওপর গুলি করে ১১ জনকে হত্যা করেছে তারাই এখন সরকার বিরোধী চক্রান্ত ও নাশকতার ছক আঁকছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছে পতিত স্বৈরাচারের নিকৃষ্টিতম দোসর মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পাতালে থেকে নির্দেশনা দিয়ে তার ক্যাডারদের সংগঠিত করার খবরও রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাতে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ভয়ঙ্কর অপরাধীদের গ্রেফতার এবং তাদের অবৈধ অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার করা না হলে সরকারকে অস্থিতিশীল করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করে বসবে তারা। ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন এলাকায় তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা হোটেল-রেস্টুরেন্টে খাওয়া দাওয়ার আড়ালে পরাজিত শক্তির দোসরেরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। নগরীর হাজারী গলিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসকনের বিরুদ্ধে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সেখানে নেপথ্যে ছিল ছাত্রলীগ যুবলীগ।

ওই ঘটনায় সেনা সদস্য ও পুলিশের ওপর ভয়ঙ্কর এসিড হামলা হয়। পরে সেখান থেকে নগর যুবলীগের এক সাংগঠনিক সম্পাদককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির কয়েকটি ঘটনায়ও ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ চব্বিশ ঘণ্টার মাথায় সোমবার রাতে নগরীর দামপাড়ার পল্টন রোডে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ক্যাডারেরা।

মিছিলটি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর বাড়ির আঙ্গিনা থেকে শুরু হয়ে মেহেদীবাগের দিকে চলে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় মিছিলকারীদের মুখে মাস্ক পরা। মিছিলের সামনে থাকা এক ক্যাডারের হাতে একটি কালো ব্যাগ দেখা যায়।

তাতে আগ্নেয়াস্ত্র বা ভারী কিছু ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা ধীরগতিতে মিছিল নিয়ে মেহেদীবাগের দিকে এগিয়ে যায়। তবে সেখানে কোন পুলিশ সদস্যকে দেখা যায়নি। এর আগে রোববার রাতেও তারা নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। প্রবর্তক মোড়ে এ মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচলাইশ থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, একদল যুবক ঝটিকা মিছিল বের করে। মিছিলটি প্রবর্তক মোড় হয়ে বদনাশাহ মাজারের সামনে গিয়ে শেষ করে বিভিন্ন অলি-গলিতে ঢুকে পড়ে। মিছিলকারীদের সংগঠিত করার অভিযোগে দিদারুল আলম (৪২) নামে এক জনকে শিশু একাডেমি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিলকারীদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক দেয়া ছিল। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু সেøাগানের পাশাপাশি চলছে লড়াই চলবে শেখ হাসিনা লড়বে, শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার- স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিল করার আগে তারা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হন।

এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে মিছিল বের করেন। এ সময় আশপাশে কোথাও পুলিশকে দেখা যায়নি। ছাত্রলীগের নামে মিছিল দেখে হতবাক হন পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাদের অনেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল করা নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। স্থানীয়রা বলেন, পুলিশের আসকারা পেয়ে এসব চিহ্নিত খুনিরা রাস্তায় নামার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। জানা গেছে নওফেলপন্থি ছাত্রলীগের ক্যাডারেরা রাস্তায় নামছে। আর নেপথ্যে থেকে তাদের সংগঠিত করছেন নওফেল।

ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মুখে গত ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও অনেকটা আড়ালে চলে যায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী গ্রেফতার হন। কিন্তু ব্যতিক্রম চট্টগ্রামের পুলিশ প্রশাসন। হাতেগোনা কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের মধ্যেই সীমিত থাকে পুলিশের গ্রেফতার অভিযান।

অনেকে মনে করেন, শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের কারণেই চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ ক্যাডারেরা গ্রেফতার এড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সাথে মেট্রোপলিটন পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এখনো যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ আছে। মূলত এ কারণেই ছাত্রলীগের কাডারেরা চট্টগ্রাম থেকে সংঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে নগরীর জামালখানেও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডারেরা। তাদের ওই কর্মসূচির পরও জোরদার হয়নি পুলিশের গ্রেফতার অভিযান।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে নিপীড়ত, নির্যাতনসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা হত্যার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন আইন অনুযায়ী গত ২৩ অক্টোবর ছাত্রলীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ধারণা করা হয়েছিল, নিষিদ্ধ হওয়ার পর ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হবে। কিন্তু বাস্তবে এর উল্টোচিত্র বিরাজ করছে নগরীতে। বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে আসছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তাদের দেখা যাচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ১১ জনের পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট মামলা হয়। এ মামলার আসামিদের অনেকেও এখন প্রকাশ্যে। অপরাধীদের গ্রেফতারে প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় তারা সংঘবদ্ধ হচ্ছে। #

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩০

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪