রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‎কুবিতে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে হাফেজ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

রাফি হোসেন ‎কুবি প্রতিনিধি : ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে পবিত্র কুরআন ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে বেগবান করার লক্ষ্যে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে ‘কিউসিএসসি ফেস্ট-১.০: হাফেজ-ই-কুরআন সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান মায়াজের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান হয়। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত […]

‎কুবিতে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে হাফেজ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:১৮

রাফি হোসেন ‎কুবি প্রতিনিধি :

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে পবিত্র কুরআন ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে বেগবান করার লক্ষ্যে কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে ‘কিউসিএসসি ফেস্ট-১.০: হাফেজ-ই-কুরআন সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ হাসান মায়াজের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান হয়।

‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন ঢাকার গোপীবাগ রেলওয়ে ব্যারাক জামে মসজিদের খতিব আবুল হাসেম মোল্লা।

‎অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, মাফলার পরিধান ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ক্লাবের নতুন সদস্য এবং অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির সদস্যদের ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

‎কুবির আইন বিভাগের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাবিব উল্লাহ বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুরআন এন্ড কালচারাল ক্লাবকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পরিবেশে এসে এমন সংবর্ধনা আসলে একরকম স্বপ্নের মতো।

এমন পরিবেশে মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের অনেক সময় হীনমন্যতায় ভোগতে হয়। এ ধরনের প্রোগ্রাম আমাদের চলার পথে অনেক সহায়ক হবে বলে মনে করি।”

‎প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, “আপনারা যে পরিবেশ থেকে হাফেজ হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন, বর্তমান পরিবেশে সেই হাফেজি গুণাবলি ধরে রাখতে পারবেন কি না সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ।

আপনি রোজা রাখছেন, নামাজ পড়ছেন, কিন্তু আল্লাহ আপনার এসব ইবাদত কবুল করেছেন কি না, তা নিশ্চিত নয়। তবে আপনি যে পাপ করেছেন, তা নিশ্চিত।

‎​যারা হাফেজ হয়েছেন, তাদের জন্য এই পরিবেশে কুরআনকে হৃদয়ে ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। মানুষ কে কী বলল, তা শোনা বা মানা আমল নয়, বরং আমার সৃষ্টিকর্তা আমার ওপর সন্তুষ্ট কি না, তা জানাই আসল কাজ। কারণ মৃত্যুর সাথে সাথেই মানুষের কিয়ামত শুরু হয়ে যায়। সেদিন পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকবে না।”

‎কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ​”হাফেজ ছাত্রদের সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে যা উপলব্ধি করেছি, তার আলোকে বলতে পারি যে, মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত নেয়ামতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো কুরআনকে বুকে ধারণ করা বা মুখস্থ করা।

‎​আজ আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে, এমন কিছু ছাত্রের সামনে কথা বলছি যারা কেবল কুরআনকে হৃদয়াঙ্গম করেই ক্ষান্ত হননি, বরং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

নিঃসন্দেহে এটি একটি বড় প্রাপ্তি। বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ জন হাফেজে কুরআন পড়াশোনা করছেন।”

‎তিনি আরও বলেন, “​বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে একজন হাফেজের যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, তা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা উপলব্ধি করছেন, সেই প্রত্যাশা আমরা করি।

অনেক হাফেজ আছেন, যারা নিয়মিত চর্চা না করার কারণে কুরআনকে পরিপূর্ণভাবে ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। তাই নিয়মিত কুরআন চর্চার জন্য আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট পূর্বপরিকল্পনা প্রয়োজন।”

‎কুরআন এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ক্লাবের সভাপতি রিফাতুল ইসলাম বলেন, “ব্যস্ততার সময় মধ্য থেকেও আমাদের স্যারেরা এবং আমাদের প্রধান আলোচক সময় দিয়েছেন, সেজন্য আমরা কুরআন এন্ড কালচারাল স্টাডিজ ক্লাবের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

আমরা আশা করি, আমার যেন মহান আল্লাহ তায়লার কুরআনের বাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দিতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে আমারা প্রত্যাশা জানাই যেন আমাদের ক্লাবটিকে অতিদ্রুত নিবন্ধন দেওয়া হয়।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।