মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জবিতে গাঁজা সেবন ও সাংবাদিকদের হুমকি, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রক্টরের

রোকুনুজ্জামান, প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা উদীচীর কক্ষে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। গত কয়েক মাস ধরে সংগঠনের কক্ষে চলমান কথিত মাদক সেবনের অসংখ্য অভিযোগ বারবার প্রক্টরিয়াল বডির কাছে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪০

রোকুনুজ্জামান, প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা উদীচীর কক্ষে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

গত কয়েক মাস ধরে সংগঠনের কক্ষে চলমান কথিত মাদক সেবনের অসংখ্য অভিযোগ বারবার প্রক্টরিয়াল বডির কাছে পৌঁছালেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (১৬ নভেম্বর) প্রক্টর বরাবর দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়; বরং বহু দিন ধরেই উদীচীর কক্ষকে কয়েকজন সদস্য ও বহিরাগতরা নিয়মিত মাদক সেবনের স্থান হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠলেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই উপেক্ষিত ছিল। ফলে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে কক্ষটিকে একটি অপরাধপ্রবণ জায়গা হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের চতুর্থ তলায় প্রেসক্লাবের নিয়মিত কার্যক্রম চলার সময় হঠাৎ তীব্র গাঁজার গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিকরা বিষয়টি যাচাই করতে নম্রভাবে পাশের উদীচী জবি শাখার কক্ষে গেলে দেখতে পান জানালার পাশে সদ্য ব্যবহৃত গাজার ছাই পড়ে আছে এবং ওই স্থান থেকেই তীব্র গন্ধ বের হচ্ছে।

ঘটনার সময় কক্ষে উপস্থিত থাকলেও নাট্যকলা বিভাগের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী শোভন প্রথমে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন। এরপর একই ব্যাচের মনন মোস্তাকিন কক্ষ থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের ওপর উত্তেজিত আচরণ দেখাতে থাকেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মনন মোস্তাকিন প্রকাশ্যেই গাঁজা সেবনের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমি গাজা খাই, ভিসি ভবনের সামনে চল। আমি মাইকিং করে বলবো আমি গাঁজা খাই—যা করার কর।” তার এই আচরণকে সাংবাদিকরা ভয়ভীতি, উস্কানি এবং প্রত্যক্ষ অপমান হিসেবে দেখেছেন।

এরপর সৌমিক বোস, রুদ্ধসহ আরও কয়েকজন উদীচী সদস্য এবং দুই নারী সদস্যও সাংবাদিকদের উদ্দেশে অশোভন অঙ্গভঙ্গি ও হুমকি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়।

পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অবহিত করলে তিনি সহকারী প্রক্টরকে ঘটনাস্থলে পাঠান। সহকারী প্রক্টর উপস্থিত হলে উদীচীর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আমরিন জাহান অমি স্বীকার করেন যে সংগঠনের কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড হয়ে আসছে এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে এসব ঘটনা একাধিকবার প্রত্যক্ষ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব কর্মকাণ্ডে সংগঠনের কিছু সদস্য ছাড়াও কয়েকজন বহিরাগত নিয়মিতভাবে জড়িত। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অতীতেও উদীচীর কক্ষে সংগঠনের সদস্যদের হাতে-নাতে আটক করার ঘটনা প্রক্টরিয়াল বডির রেকর্ডে রয়েছে—যা কক্ষটিকে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণ বহন করে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ১৫ নভেম্বর (শনিবার) একাধিক সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে টিএসসির পাশে চায়ের দোকানে প্রেসক্লাবের সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক ইউছুব ওসমান অবস্থানকালে বামধারার সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ফেলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসিবের নেতৃত্বে ১৫–২০ জন নেতাকর্মী সাংবাদিকদের চারদিক থেকে ঘিরে মব তৈরির চেষ্টা করেন। এ সময় সংবাদ কেন প্রকাশ করা হয়েছে জানতে উচ্চবাচ্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন, উস্কানিমূলক মন্তব্য ও “দেখে নেওয়া হবে” ধরনের সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মনন মোস্তাকিন একজন সাংবাদিককে কয়েকবার উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি একজন খারাপ মানুষ, ভালো মানুষ হন”—যা স্পষ্টভাবে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা। সাংবাদিকরা শান্ত থেকে পেশাগত ব্যাখ্যা দিলেও নেতাকর্মীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। অভিযোগপত্রে এটিকে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, শারীরিক নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, উদীচী কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক সেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতেই সাংবাদিকদের ভয়ভীতি, হুমকি এবং সংগঠিতভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণবিধি, আইনি কাঠামো এবং সুশৃঙ্খল শিক্ষার পরিবেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাংবাদিকদের প্রতি সহমর্মিতা ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

জবি প্রেসক্লাব অভিযোগপত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—১৪ নভেম্বর সাংবাদিকদের ওপর হুমকি ও অশোভন আচরণে জড়িত মনন মোস্তাকিন, সৌমিক বোস, রুদ্র এবং নারী সদস্যদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিমূলক বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ; ১৫ নভেম্বর টিএসসিতে সাংবাদিকদের ঘিরে ধরার ঘটনায় ইভান তাহসিবসহ ১৫–২০ জনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা;

উদীচীর কক্ষে চলমান মাদকসেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত; তদন্তকালীন সময় কক্ষটি সিলগালা; সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী নির্দেশনা প্রদান; এবং অবকাশ ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে দ্রুত সিসিটিভি স্থাপন।

এদিকে, গাঁজা সেবন ও সাংবাদিক হেনস্তার সংবাদ প্রকাশের জেরে উদীচীর পক্ষ থেকে প্রক্টর অফিসে একটি পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “আমরা দুই পক্ষ থেকেই অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অভিযোগপত্র দেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইমরান হুসাইন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।