বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জবিতে গাঁজা সেবন ও সাংবাদিকদের হুমকি, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রক্টরের

রোকুনুজ্জামান, প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা উদীচীর কক্ষে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। গত কয়েক মাস ধরে সংগঠনের কক্ষে চলমান কথিত মাদক সেবনের অসংখ্য অভিযোগ বারবার প্রক্টরিয়াল বডির কাছে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪০

রোকুনুজ্জামান, প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা উদীচীর কক্ষে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

গত কয়েক মাস ধরে সংগঠনের কক্ষে চলমান কথিত মাদক সেবনের অসংখ্য অভিযোগ বারবার প্রক্টরিয়াল বডির কাছে পৌঁছালেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (১৬ নভেম্বর) প্রক্টর বরাবর দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়; বরং বহু দিন ধরেই উদীচীর কক্ষকে কয়েকজন সদস্য ও বহিরাগতরা নিয়মিত মাদক সেবনের স্থান হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠলেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই উপেক্ষিত ছিল। ফলে শিক্ষার্থীরা ধীরে ধীরে কক্ষটিকে একটি অপরাধপ্রবণ জায়গা হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের চতুর্থ তলায় প্রেসক্লাবের নিয়মিত কার্যক্রম চলার সময় হঠাৎ তীব্র গাঁজার গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিকরা বিষয়টি যাচাই করতে নম্রভাবে পাশের উদীচী জবি শাখার কক্ষে গেলে দেখতে পান জানালার পাশে সদ্য ব্যবহৃত গাজার ছাই পড়ে আছে এবং ওই স্থান থেকেই তীব্র গন্ধ বের হচ্ছে।

ঘটনার সময় কক্ষে উপস্থিত থাকলেও নাট্যকলা বিভাগের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী শোভন প্রথমে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন। এরপর একই ব্যাচের মনন মোস্তাকিন কক্ষ থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের ওপর উত্তেজিত আচরণ দেখাতে থাকেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মনন মোস্তাকিন প্রকাশ্যেই গাঁজা সেবনের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমি গাজা খাই, ভিসি ভবনের সামনে চল। আমি মাইকিং করে বলবো আমি গাঁজা খাই—যা করার কর।” তার এই আচরণকে সাংবাদিকরা ভয়ভীতি, উস্কানি এবং প্রত্যক্ষ অপমান হিসেবে দেখেছেন।

এরপর সৌমিক বোস, রুদ্ধসহ আরও কয়েকজন উদীচী সদস্য এবং দুই নারী সদস্যও সাংবাদিকদের উদ্দেশে অশোভন অঙ্গভঙ্গি ও হুমকি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়।

পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অবহিত করলে তিনি সহকারী প্রক্টরকে ঘটনাস্থলে পাঠান। সহকারী প্রক্টর উপস্থিত হলে উদীচীর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আমরিন জাহান অমি স্বীকার করেন যে সংগঠনের কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড হয়ে আসছে এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে এসব ঘটনা একাধিকবার প্রত্যক্ষ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব কর্মকাণ্ডে সংগঠনের কিছু সদস্য ছাড়াও কয়েকজন বহিরাগত নিয়মিতভাবে জড়িত। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অতীতেও উদীচীর কক্ষে সংগঠনের সদস্যদের হাতে-নাতে আটক করার ঘটনা প্রক্টরিয়াল বডির রেকর্ডে রয়েছে—যা কক্ষটিকে দীর্ঘদিন ধরে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার প্রমাণ বহন করে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ১৫ নভেম্বর (শনিবার) একাধিক সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে টিএসসির পাশে চায়ের দোকানে প্রেসক্লাবের সভাপতি মেহেদী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক ইউছুব ওসমান অবস্থানকালে বামধারার সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ফেলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসিবের নেতৃত্বে ১৫–২০ জন নেতাকর্মী সাংবাদিকদের চারদিক থেকে ঘিরে মব তৈরির চেষ্টা করেন। এ সময় সংবাদ কেন প্রকাশ করা হয়েছে জানতে উচ্চবাচ্য, ভয়ভীতি প্রদর্শন, উস্কানিমূলক মন্তব্য ও “দেখে নেওয়া হবে” ধরনের সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মনন মোস্তাকিন একজন সাংবাদিককে কয়েকবার উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি একজন খারাপ মানুষ, ভালো মানুষ হন”—যা স্পষ্টভাবে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা। সাংবাদিকরা শান্ত থেকে পেশাগত ব্যাখ্যা দিলেও নেতাকর্মীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। অভিযোগপত্রে এটিকে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা, শারীরিক নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, উদীচী কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক সেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করতেই সাংবাদিকদের ভয়ভীতি, হুমকি এবং সংগঠিতভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণবিধি, আইনি কাঠামো এবং সুশৃঙ্খল শিক্ষার পরিবেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সাংবাদিকদের প্রতি সহমর্মিতা ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

জবি প্রেসক্লাব অভিযোগপত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—১৪ নভেম্বর সাংবাদিকদের ওপর হুমকি ও অশোভন আচরণে জড়িত মনন মোস্তাকিন, সৌমিক বোস, রুদ্র এবং নারী সদস্যদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিমূলক বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ; ১৫ নভেম্বর টিএসসিতে সাংবাদিকদের ঘিরে ধরার ঘটনায় ইভান তাহসিবসহ ১৫–২০ জনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা;

উদীচীর কক্ষে চলমান মাদকসেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত; তদন্তকালীন সময় কক্ষটি সিলগালা; সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী নির্দেশনা প্রদান; এবং অবকাশ ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে দ্রুত সিসিটিভি স্থাপন।

এদিকে, গাঁজা সেবন ও সাংবাদিক হেনস্তার সংবাদ প্রকাশের জেরে উদীচীর পক্ষ থেকে প্রক্টর অফিসে একটি পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, “আমরা দুই পক্ষ থেকেই অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অভিযোগপত্র দেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইমরান হুসাইন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।