শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শেকৃবিতে নদী–উপকূলের পানিতে মাইক্রো–দূষক শনাক্তকরণে আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আশরাফুল ইসলাম,শেকৃবি প্রতিনিধি রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) “বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলের পানিতে মাইক্রো-দূষক (কীটনাশক, ওষুধ এবং PFAS) শনাক্তকরণ ও বিশ্লেষণ” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনের ষষ্ঠ তলার কনফারেন্স রুমে শেকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (SAURES) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কনফারেন্সে বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৫, ২০:৫০

আশরাফুল ইসলাম,শেকৃবি প্রতিনিধি

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) “বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলের পানিতে মাইক্রো-দূষক (কীটনাশক, ওষুধ এবং PFAS) শনাক্তকরণ ও বিশ্লেষণ” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনের ষষ্ঠ তলার কনফারেন্স রুমে শেকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (SAURES) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কনফারেন্সে বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলের পানি, ঢাকা ওয়াশার বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন বুথ ও দেশের নানা নদ-নদীর মাছ নমুনা হিসেবে নিয়ে তার গবেষণা ফলাফল তুলে ধরা হয়৷ কনফারেন্সে গবেষকগন জানান, তাদের এই রিসার্চ কার্যক্রম দেশ ও দেশের বাহিরের বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত সহযোগিতায় সম্পাদিত হয়েছে।

তারা আরও জানান, তাদের সংগ্রহ করা নমুনায় কীটনাশক, ওষুধের অবশিষ্টাংশ এবং PFAS সহ বিভিন্ন মাইক্রো–দূষক শনাক্ত হয়েছে। নমুনায় মাছের মধ্যে তারা সংগ্রহ করেন মাগুর মাছ ও হাওর-নদীর বিভিন্ন স্তরের পানি।

গবেষণার সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তারা জানান, এ বিশ্লেষণে ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির সনাক্ত ক্ষমতা ছিল ০.০১ ন্যানোগ্রাম/লিটার, যা দিয়ে ৫০০টিরও বেশি রাসায়নিক যৌগ নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে। শীত–বর্ষা মিলিয়ে একাধিক মৌসুমে দীর্ঘ সময় ধরে নমুনা সংগ্রহ করে এ গবেষণা পরিচালিত হয়েছে।

দূষকের প্রকৃতি ও পরিমাণ আন্তর্জাতিক গবেষণার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানান তারা৷ ঢাকার ওয়াশার ডিস্ট্রিবিউশন ওয়াটার বুথের নমুনায় PFAS এর ঝুকিপূর্ণ মাত্রার উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন তারা৷ গবেষকদের মতে, এ ফলাফল যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকির দিকে ইঙ্গিত করে। কৃষিজ রাসায়নিক, চিকিৎসা–সংশ্লিষ্ট ওষুধের অবশিষ্টাংশ ও শিল্পবর্জ্য এসব মাইক্রো–দূষকের প্রধান উৎস বলে জানান তারা৷

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইয়ারকার ফিক। কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম, ড. তাজুল ইসলাম, ড. সিরাজুল ইসলাম ও ড. আব্দুল কাইউম বাংলাদেশের নদী–উপকূলীয় পানিতে মাইক্রো–দূষকের উৎস, বিস্তার, ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ–কৌশল নিয়ে মতামত ও গবেষণা আলোচনা তুলে ধরেন। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণে এসব দূষক শনাক্তকরণ কিভাবে দেশের পানি নিরাপত্তা গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে তা আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন SAURES–এর পরিচালক প্রফেসর ড. এফ এম আমানুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ। তিনি গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “এ ধরনের গবেষণা দেশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত মূল্যবান। বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও এসব গবেষণায় সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ–উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. বেলাল হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর আবুল বাশার এবং নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান জনাব মো. জাকারিয়া। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

সেমিনারে সাংবাদিক ফাইজুল সিদ্দিকীর উপস্থাপনায় বাংলাদেশের নদী–উপকূলীয় মাইক্রো–দূষণ নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি নীতি–নির্ধারক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা, উদ্ভাবক, দাতা সংস্থা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।