সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ ঘোষণার প্রতিবাদে কুবিতে বিক্ষোভ মিছিল

কুবি প্রতিনিধি: সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’ কর্তৃক ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ‘ঢাকা লকডাউন’ ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে আনসার ক্যাম্প (ছাত্র আন্দোলন চত্বর) ঘুরে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। মিছিলে অংশ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪১

কুবি প্রতিনিধি:

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’ কর্তৃক ১৩ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ‘ঢাকা লকডাউন’ ঘোষণার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে আনসার ক্যাম্প (ছাত্র আন্দোলন চত্বর) ঘুরে পুনরায় প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় তারা বলেন, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর’, ‘আওয়ামীলীগের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান’, ‘ছাত্রলীগের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান’, ‘আওয়ামীলীগের গালে গালে, ‘জুতা মারো তালে তালে’, দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিবো রক্ত’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘আমার সোনার বাংলায়, ছাত্রলীগের ঠাঁই নাই’, ‘কই গেলি রে কই গেলি, ছাত্রলীগ কই গেলি’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে সারা বাংলাদেশে আবার জালাও পোড়াও আন্দলোন শুরু করেছে। আমরা লক্ষ্য করেছি আমাদের বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য গাড়ি পুড়িয়েছে।

যে কাজ গুলো গত ১৭ বছর চালিয়েছে তা আবার শুরু করেছে। আমরা বলতে চাই যে, এই বাংলা থেকে যে ফ্যাসিবাদ স্বমূলে উৎখাত হয়েছে সেই ফ্যাসিবাদ’কে আবার এই বাংলাই ফিরতে দিব না। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি থেকে গর্জন করে বলতে চাই এই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২৪ এর গণ-জোয়ার উঠেছিল। সেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থাকে আবার আমরা আওয়ামীলীগকে প্রতিহত করব।’

লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আরেক শিক্ষার্থী তানভীর হোসাইন বলেন, ‘আমরা এরাতে একত্রিত হয়েছি শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গর্জন উঠানোর জন্য কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়। আমরা এসেছি এই আওয়ামীলীগকে বাংলার মাটি থেকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দিতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ আমরা দেখেছি জুলাই ১১ তারিখে পুরো বাংলাদেশের মধ্যে কুবি থেকে রক্তঝরা শুরু হয়েছে। আমরা আরো দেখেছি ১৬ তারিখ আবু সাঈদ ভাইকে কিভাবে মৃত্যুর বুকে ফেলে দিয়েছিল। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বলতে চাই, আমরা দেখিনি যে স্বৈরাচ্যের সহযোগী হিসেবে সন্দেহভাজন কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের বিবেক কখনো ফিরবে এটাই আমার প্রশ্ন।

ইন্টারিম সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আমি বলতে চাই, আপনারা কখন নিজেরা নিজেদের মূল কাজগুলো পর্যালোচনা করবেন? কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে, লীগ তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করছে; এই ইন্টারিম সরকার যদি তাদের এই কর্মসূচি প্রতিহত করতে না পারে, তাহলে আমাদের এমন ইন্টারিম সরকারের প্রয়োজন নেই।’

ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভুঁইয়া বলেন, ‘১১ জুলাই, ১৮ জুলাই, ৩ রা আগস্ট, ৪ঠা আগস্ট আমাদের ওপর ছাত্রলীগ যারা যে করুণ হত্যাকান্ড চালিয়েছে আমরা কি সেই ইতিহাস ভুলে গেছি? আমাদের ভাইয়ের রক্তের দাগ কি শুকায় গেছে? এখন পর্যন্ত আমরা যদি শহীদ ভাইদের মায়ের কাছে যাই, তাদের কান্না দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনা আমরা।’

তিনি বলেন, ‘রক্তের ওপর দাড়িয়ে এই চব্বিশের বাংলার ওপর দাঁড়িয়ে এখনো যারা আওয়ামীলীগকে রিলিভেন্ট ভাবতেছে আমরা তাদের জানিয়ে দিতে চাই, আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে আর কখনো রিলিভেন্ট হবে না। আওয়ামী লীগ যদি মনে করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসবে, এটা সপ্নে কল্পনা করতে পারে কিন্তু বাস্তবিক অর্থে কখনোই সম্ভব না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কুবিয়ানরা সবসময় ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে সেই ১৮ জুলাই, ১১ জুলাই যে রকম প্রতিরোধ গড়ে তুলছি, সবসময়, যদি কখনো আওয়ামী লীগের মতো অন্য কেউ ফ্যাসিজম সৃষ্টি করতে চায় আমরা রুখে দেবো।’

উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষিত হবে আগামীকাল (১৩ নভেম্বর)। গত ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তারিখ নির্ধারণ করে। এ রায়কে ঘিরে আওয়ামী লীগের স্থগিত নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক ২ নভেম্বর ফেসবুক টকশোতে ১৩ নভেম্বর ঢাকা লকডাউনের ডাক দেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।