বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে স্লোগান দেন— “ছাত্র সংসদ আমার অধিকার, দিতে হবে দিতে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ আগস্ট ২০২৫, ০০:০২

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে স্লোগান দেন— “ছাত্র সংসদ আমার অধিকার, দিতে হবে দিতে হবে”, “অবিলম্বে ছাত্র সংসদ দিতে হবে”, “We want Nucsu”, “অতি দ্রুত ছাত্র সংসদের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে”, “গণতন্ত্রের প্রথম ধারা, ছাত্র সংসদ সবার সাড়া”, “তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি, সে কি মোর অপরাধ; ছাত্র সংসদ করতে কেন এত অজুহাত”, “ছাত্রের অধিকার, সংসদ হবে এবার”।

শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। এটি থাকলে ক্যাম্পাসে বৈষম্য, সিট বাণিজ্য ও একক সংগঠনের দৌরাত্ম্য রোধ হবে।

মানববন্ধনে ফোকলোর বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য বলেন, “আমরা গত ৫ আগস্ট নতুন প্রশাসন গঠনের পর থেকে বারবার দাবি জানিয়ে আসছি—অতি দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়া হোক। এখানে আমরা যারা আছি, সবাই জুলাইয়ের সহযোদ্ধা। আমরা যারা জুলাই আন্দোলন করেছি, আমাদের প্রত্যেকের দাবি ছিলো প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ দিতে হবে।

এই প্রশাসন যদি নির্বাচন না দেয়, তাহলে আমরা ভাববো তারা জুলাই স্পিরিটের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে না। শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সরকারও যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাধা দেয়, তাহলে আমরা বলবো—আপনারা জুলাই আন্দোলনের পক্ষে নন।

আমাদের রক্তের উপর দাঁড়ানো এই প্রশাসনের কাছে দাবি—আগামীকালের মধ্যে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় আমরা প্রতিদিন লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবো এবং এক সময় প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করবো।

আইন ও বিচার বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জেনাস ভৌমিক বলেন,এই প্রশাসন গণঅভ্যুত্থানের ফসল হলেও, তা ভাবতে আমাদের লজ্জা হয়। এক বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু ছাত্র সংসদ বাস্তবায়নে তাদের কোনো আন্তরিকতা দেখা যায়নি।

ভিসি স্যার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে কথা বলেছি, প্রথম সিন্ডিকেট সভায় সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। তবুও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই—অনতিবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন কার্যকর না হলে আমরা আমরণ অনশনে যাবো এবং আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় করবো।

ছাত্র সংসদ কোনো সন্ত্রাসের কেন্দ্র নয়; বরং এটি না থাকলেই ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, সিট দখল, মাদক বিস্তার, ক্যাফেটেরিয়ায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পায়। বিপরীতে, ছাত্র সংসদ থাকলে এসব রোধ হয় এবং এটি সব ছাত্র সংগঠনের জন্যই উপকারী। তাই অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ রিমন বলেন,

৫ আগস্টের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষার্থীদের সকল অধিকার নিশ্চিত করা। ছাত্র সংসদের দাবি আজ নতুন কিছু নয়। আমাদের জুলাই আন্দোলনের নয় দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল ছাত্র সংসদ নির্বাচন।

কিন্তু আমরা দেখেছি, যখনই এই দাবি উত্থাপন করেছি, প্রশাসন সময়ের অজুহাতে তা বিলম্বিত করেছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আর কোনো বিলম্ব শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না।

যত দ্রুত সম্ভব কমিটি গঠন করে, জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের পরামর্শের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে অবশ্যই এ বছরের মধ্যেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. ইলিয়াস বলেন, শেখ হাসিনা যেমন নির্বাচন ছাড়া স্বৈরাচার হয়ে উঠেছিলেন, আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনগুলিও যদি ছাত্র সংসদ না থাকে তবে স্বৈরাচার হয়ে উঠবে। তারাও ছাত্রলীগের মতো সিট বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়বে।

আমরা চাই না কোনো সিট বাণিজ্য কিংবা কোনো একক ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্ম্য। এই নজরুলের বুকে আমরা চাই অংশগ্রহণমূলক ছাত্র সংসদ। তাই আমরা চাই শিউলি মালা, অগ্নিবীণা এবং সবগুলো হল থেকে একেকটি অগ্নিকুণ্ড নেমে আসুক এবং শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলুক।”

মানববন্ধন শেষে তারা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং উপাচার্য ছাত্র সংসদ বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের সাথে বসে গঠনতন্ত্র বিষয়ে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।