মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে স্লোগান দেন— “ছাত্র সংসদ আমার অধিকার, দিতে হবে দিতে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ আগস্ট ২০২৫, ০০:০২

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের নিচে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে স্লোগান দেন— “ছাত্র সংসদ আমার অধিকার, দিতে হবে দিতে হবে”, “অবিলম্বে ছাত্র সংসদ দিতে হবে”, “We want Nucsu”, “অতি দ্রুত ছাত্র সংসদের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে”, “গণতন্ত্রের প্রথম ধারা, ছাত্র সংসদ সবার সাড়া”, “তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি, সে কি মোর অপরাধ; ছাত্র সংসদ করতে কেন এত অজুহাত”, “ছাত্রের অধিকার, সংসদ হবে এবার”।

শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার। এটি থাকলে ক্যাম্পাসে বৈষম্য, সিট বাণিজ্য ও একক সংগঠনের দৌরাত্ম্য রোধ হবে।

মানববন্ধনে ফোকলোর বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য বলেন, “আমরা গত ৫ আগস্ট নতুন প্রশাসন গঠনের পর থেকে বারবার দাবি জানিয়ে আসছি—অতি দ্রুত ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়া হোক। এখানে আমরা যারা আছি, সবাই জুলাইয়ের সহযোদ্ধা। আমরা যারা জুলাই আন্দোলন করেছি, আমাদের প্রত্যেকের দাবি ছিলো প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ দিতে হবে।

এই প্রশাসন যদি নির্বাচন না দেয়, তাহলে আমরা ভাববো তারা জুলাই স্পিরিটের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে না। শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সরকারও যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাধা দেয়, তাহলে আমরা বলবো—আপনারা জুলাই আন্দোলনের পক্ষে নন।

আমাদের রক্তের উপর দাঁড়ানো এই প্রশাসনের কাছে দাবি—আগামীকালের মধ্যে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় আমরা প্রতিদিন লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবো এবং এক সময় প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করবো।

আইন ও বিচার বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জেনাস ভৌমিক বলেন,এই প্রশাসন গণঅভ্যুত্থানের ফসল হলেও, তা ভাবতে আমাদের লজ্জা হয়। এক বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু ছাত্র সংসদ বাস্তবায়নে তাদের কোনো আন্তরিকতা দেখা যায়নি।

ভিসি স্যার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে কথা বলেছি, প্রথম সিন্ডিকেট সভায় সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। তবুও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই—অনতিবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন কার্যকর না হলে আমরা আমরণ অনশনে যাবো এবং আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় করবো।

ছাত্র সংসদ কোনো সন্ত্রাসের কেন্দ্র নয়; বরং এটি না থাকলেই ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, সিট দখল, মাদক বিস্তার, ক্যাফেটেরিয়ায় চাঁদাবাজি বৃদ্ধি পায়। বিপরীতে, ছাত্র সংসদ থাকলে এসব রোধ হয় এবং এটি সব ছাত্র সংগঠনের জন্যই উপকারী। তাই অবিলম্বে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ রিমন বলেন,

৫ আগস্টের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে শিক্ষার্থীদের সকল অধিকার নিশ্চিত করা। ছাত্র সংসদের দাবি আজ নতুন কিছু নয়। আমাদের জুলাই আন্দোলনের নয় দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল ছাত্র সংসদ নির্বাচন।

কিন্তু আমরা দেখেছি, যখনই এই দাবি উত্থাপন করেছি, প্রশাসন সময়ের অজুহাতে তা বিলম্বিত করেছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আর কোনো বিলম্ব শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না।

যত দ্রুত সম্ভব কমিটি গঠন করে, জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের পরামর্শের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে অবশ্যই এ বছরের মধ্যেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী মো. ইলিয়াস বলেন, শেখ হাসিনা যেমন নির্বাচন ছাড়া স্বৈরাচার হয়ে উঠেছিলেন, আজ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনগুলিও যদি ছাত্র সংসদ না থাকে তবে স্বৈরাচার হয়ে উঠবে। তারাও ছাত্রলীগের মতো সিট বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়বে।

আমরা চাই না কোনো সিট বাণিজ্য কিংবা কোনো একক ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্ম্য। এই নজরুলের বুকে আমরা চাই অংশগ্রহণমূলক ছাত্র সংসদ। তাই আমরা চাই শিউলি মালা, অগ্নিবীণা এবং সবগুলো হল থেকে একেকটি অগ্নিকুণ্ড নেমে আসুক এবং শিক্ষার্থীরা নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলুক।”

মানববন্ধন শেষে তারা উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং উপাচার্য ছাত্র সংসদ বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের সাথে বসে গঠনতন্ত্র বিষয়ে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।