বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নেই কোনো আয়োজন

আবু তাহের, জাককানইবি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হলেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর জুলাই মাসজুড়ে গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ‘মসজিদ […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নেই কোনো আয়োজন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২০:৪৬

আবু তাহের, জাককানইবি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হলেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর জুলাই মাসজুড়ে গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ‘মসজিদ ও মন্দিরে শহিদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া, জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে গণ-স্বাক্ষর, অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন, কালো ব্যাজ ধারণ, শহিদ পরিবারগুলোর সঙ্গে

সাক্ষাৎ, কবর জিয়ারত, জুলাই ৩৬ কর্নার উদ্বোধন, গ্রাফিতি অংকন ও চিত্রাংকন’ কর্মসূচি সহ নানা আয়োজন হলেও এবার শহীদদের স্মরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্মরণসভা, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ কিংবা কোনো প্রস্তুতিমূলক সভাও করা হয়নি।

এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল স্মরণসভা, সমাবেশ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিকভাবে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। এ আন্দোলনে দেশের আপামর জনতা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে। এ আন্দোলনে দেশের অনেক মানুষ আহত ও নিহত হন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা ও উদ্যোগহীনতা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়কে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক দায়িত্ব। তাই প্রশাসনের এ ধরনের উদাসীনতা হতাশাজনক।

বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মরণে কোনো কর্মসূচি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য হৃদয় বলেন, ‘জুলাই শুধু একটি মাস নয়, এটি ধারণ করার বিষয়। এটি জোর করে পালন করার বিষয়ও নয়। জুলাইয়ের প্রকৃত অংশীদার সাধারণ মানুষ। তাই তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে এবং জুলাই শহীদদের স্মরণে যথাযথ কর্মসূচির আয়োজন করা জরুরি।

এমন আয়োজন হওয়া উচিত, যাতে শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো যায় এবং গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরা সম্ভব হয়। কিন্তু আমরা দেখছি, যে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের প্রথম সারিতে ছিলেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই জুলাইকে স্মরণ করে প্রশাসনের কোনো আয়োজন নেই, যা হতাশাজনক।

আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত জুলাই স্মরণে কর্মসূচি ঘোষণা করবে এবং এমন আয়োজন করবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে জানতে ও এর চেতনা ধারণ করতে পারবে।’

লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. অলি উল্লাহ বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল এ বছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে জুলাই উদযাপন করা হবে এবং জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় দৃঢ় ভূমিকা রাখবে।

জুলাই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং তরুণরাই ছিলেন এ আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি। জুলাই উদযাপনের মাধ্যমে আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কী করতে পারি, তা আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসা দরকার ছিল।

গত বছরও সরকারি কোনো বাজেট না থাকলেও আমরা জুলাই পালন করেছি। এবারও জুলাই উপলক্ষে আয়োজনের জন্য এখনো কোনো বাজেট দেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সরকার বরাদ্দ দিক বা না দিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ উদ্যোগে জুলাই স্মরণ অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা উচিত ছিল। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের চেতনা পৌঁছে দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব।

বিশ্ববিদ্যালয় যখন এ কাজ করবে না, তখন রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টি নিজেদের মতো করে ব্যবহার করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে জুলাইয়ের ইতিহাস সংরক্ষণ করা এবং তা সঠিকভাবে তুলে ধরা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব উদ্যোগ না থাকাটা খুবই হতাশাজনক।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, কেন্দ্র থেকে এখনো আমাদের কোনো নির্দেশনা আসেনি, গতবছর আমাদের মাসব্যাপী পালন করার নির্দেশনা ছিলো। আমরা প্রস্তুত আছি নির্দেশনা পেলেই আয়োজন করবো।

তবে গত সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) নিজ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।