শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নেই কোনো আয়োজন

আবু তাহের, জাককানইবি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হলেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর জুলাই মাসজুড়ে গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ‘মসজিদ […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নেই কোনো আয়োজন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২০:৪৬

আবু তাহের, জাককানইবি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হলেও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর জুলাই মাসজুড়ে গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে ‘মসজিদ ও মন্দিরে শহিদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া, জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে গণ-স্বাক্ষর, অভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন, কালো ব্যাজ ধারণ, শহিদ পরিবারগুলোর সঙ্গে

সাক্ষাৎ, কবর জিয়ারত, জুলাই ৩৬ কর্নার উদ্বোধন, গ্রাফিতি অংকন ও চিত্রাংকন’ কর্মসূচি সহ নানা আয়োজন হলেও এবার শহীদদের স্মরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্মরণসভা, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ কিংবা কোনো প্রস্তুতিমূলক সভাও করা হয়নি।

এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল স্মরণসভা, সমাবেশ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন হলেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিকভাবে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। এ আন্দোলনে দেশের আপামর জনতা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে। এ আন্দোলনে দেশের অনেক মানুষ আহত ও নিহত হন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নীরবতা ও উদ্যোগহীনতা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়কে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক দায়িত্ব। তাই প্রশাসনের এ ধরনের উদাসীনতা হতাশাজনক।

বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই স্মরণে কোনো কর্মসূচি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য হৃদয় বলেন, ‘জুলাই শুধু একটি মাস নয়, এটি ধারণ করার বিষয়। এটি জোর করে পালন করার বিষয়ও নয়। জুলাইয়ের প্রকৃত অংশীদার সাধারণ মানুষ। তাই তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে এবং জুলাই শহীদদের স্মরণে যথাযথ কর্মসূচির আয়োজন করা জরুরি।

এমন আয়োজন হওয়া উচিত, যাতে শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো যায় এবং গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরা সম্ভব হয়। কিন্তু আমরা দেখছি, যে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের প্রথম সারিতে ছিলেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয়েই জুলাইকে স্মরণ করে প্রশাসনের কোনো আয়োজন নেই, যা হতাশাজনক।

আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত জুলাই স্মরণে কর্মসূচি ঘোষণা করবে এবং এমন আয়োজন করবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে জানতে ও এর চেতনা ধারণ করতে পারবে।’

লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. অলি উল্লাহ বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল এ বছর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে জুলাই উদযাপন করা হবে এবং জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় দৃঢ় ভূমিকা রাখবে।

জুলাই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং তরুণরাই ছিলেন এ আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি। জুলাই উদযাপনের মাধ্যমে আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কী করতে পারি, তা আলোচনার মাধ্যমে উঠে আসা দরকার ছিল।

গত বছরও সরকারি কোনো বাজেট না থাকলেও আমরা জুলাই পালন করেছি। এবারও জুলাই উপলক্ষে আয়োজনের জন্য এখনো কোনো বাজেট দেওয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সরকার বরাদ্দ দিক বা না দিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ উদ্যোগে জুলাই স্মরণ অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা উচিত ছিল। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের চেতনা পৌঁছে দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব।

বিশ্ববিদ্যালয় যখন এ কাজ করবে না, তখন রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টি নিজেদের মতো করে ব্যবহার করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে জুলাইয়ের ইতিহাস সংরক্ষণ করা এবং তা সঠিকভাবে তুলে ধরা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব উদ্যোগ না থাকাটা খুবই হতাশাজনক।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, কেন্দ্র থেকে এখনো আমাদের কোনো নির্দেশনা আসেনি, গতবছর আমাদের মাসব্যাপী পালন করার নির্দেশনা ছিলো। আমরা প্রস্তুত আছি নির্দেশনা পেলেই আয়োজন করবো।

তবে গত সোমবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) নিজ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।