শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জাবিতে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

হাবিবুর রহমান সাগর,জাবি প্রতিনিধি গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। শিক্ষার্থীদের মিছিলটি কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে (ডেইরি গেট) গিয়ে শেষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২২:১৭

হাবিবুর রহমান সাগর,জাবি প্রতিনিধি

গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। শিক্ষার্থীদের মিছিলটি কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে (ডেইরি গেট) গিয়ে শেষ হয়।

এসময় শিক্ষার্থীদের “আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও”, “ভারতীয় দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান”, “সন্ত্রাসলীগের প্রেতাত্মারা, হুশিয়ার সাবধান”, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ কর, করতে হবে, করতে হবে”, “খুনি হাসিনার বিচার করো, করতে হবে, করতে হবে”, “ভারতীয় রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়”, “বাকশালের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান”সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে একটি সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক নাজিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বক্তব্য প্রদান করেন।

এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাবি শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাকিরুল ইসলাম বলেন, “জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিক হলেও আজ আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে বৈষম্য এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মিছিলে শামিল হয়েছি। আমরা দেখেছি, সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের রক্তের বিনিময়ে আমাদের রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। যে রক্তের বিনিময়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সাত মাস পরেও অন্তর্বর্তী সরকার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আজ আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানার থেকে যত দ্রুত সম্ভব ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের বিচার চাই। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারকে তাদের সব ধরনের রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করুন।”

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মাহফুজ ইসলাম মেঘ বলেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামে যে দলটি আছে, তারা আজকেই ফ্যাসিস্টে পরিণত হয়েছে এমনটি নয়, তারা পঁচাত্তরেও ফ্যাসিস্টে পরিণত হয়েছিল। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর নির্বাচনের কথা তারা ভুলে যায়। একের পর এক আমরা তিনটি ভুয়া নির্বাচন দেখতে পাই। এর মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেছে। এরপর ২০২৪ সালে যখন অধিকারের জন্য লড়লাম, তখন আমাদের ভাইদের রক্তে এই রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। অথচ আজ পর্যন্ত আমরা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখলাম না। আমাদের সুস্পষ্ট দাবি, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত সময়ের মধ্যে তার বিচার করতে হবে এবং আওয়ামী লীগকে চিরতরে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, “আমরা আজকের মিছিল পরবর্তী সমাবেশ থেকে হলফ করে বলতে চাই, পুলিশ, প্রশাসন, বিচার বিভাগ থেকে সচিবালয় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যে দোসররা আছে, সবাইকে অপসারণ করতে হবে এবং আওয়ামী লীগকে এই দেশের মাটি থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপ্লবীদের উপর হামলা হচ্ছে, তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে, বিপ্লবীরা আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্লিপ্ততার সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার যদি অপরাধমূলক কাজ করতে চায়, তাহলে সেটিকে আমরা আর প্রশ্রয় দিতে চাই না। ৩৬ দিনে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সাম্রাজ্য ছাত্রজনতা চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছিল, আপনাদের হটাতে আমাদের ৩৬ ঘণ্টাও লাগবে না।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।