রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ছাত্র রাজনীতির ছায়ায় শেকৃবি: মব জাস্টিস বনাম প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলেও এবার ছাত্রদলের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে দেওয়া, শিক্ষকদের কক্ষে তালা লাগানো, ক্যাম্পাসের দোকানগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তারসহ নানা কার্যক্রমের অভিযোগ সামনে এসেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. নজরুল […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৪৭

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলেও এবার ছাত্রদলের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের হল থেকে বের করে দেওয়া, শিক্ষকদের কক্ষে তালা লাগানো, ক্যাম্পাসের দোকানগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তারসহ নানা কার্যক্রমের অভিযোগ সামনে এসেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশীদ, অধ্যাপক ড. আয়েশা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবু কুমার ভট্টাচার্য, সহযোগী অধ্যাপক রুহুল আমিনসহ দুই কর্মকর্তার কক্ষে তালা লাগানোর ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনায় জড়িত হিসেবে আহসান হাবীব, জিব্রিল শরীফ, রাশেদসহ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এতে জিব্রিল শরীফ, সাজু ইসলাম, রাশেদ, আহসান হাবীব, হামিদুর রহমান হিমেলসহ মোট ১২ জনের নাম সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে। হুমকির শিকার শিক্ষার্থীদের কেউ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, আবার কেউ তাৎক্ষণিকভাবে হল ত্যাগ করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রদল সমর্থিত শিক্ষার্থী বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা সরাসরি বিরোধিতা করেছিল, লাঠি হাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিল, তাদেরই টার্গেট করা হয়েছে। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে কিছু করা হয়নি।”

শিক্ষকদের রুমে তালা দেওয়ার বিষয়ে জিব্রিল শরীফ বলেন, “যে শিক্ষকরা ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন বা নিয়োগ বাণিজ্যের সাথে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাই আমরা প্রতিবাদ স্বরূপ এ পদক্ষেপ নিয়েছি।”

তথ্য অনুযায়ী, হুমকির শিকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও তারা জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সমর্থন করেছেন আবার অনেকে নিজে অংশও নিয়েছিলেন বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

এছাড়াও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের আত্মীয়-স্বজন এবং অনুসারীদের দোকান স্থাপন ও আশপাশের দোকানগুলোতে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। এসব দোকান থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে। তবে অভিযুক্তরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ছাত্রদলের শেকৃবি শাখার সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ছাত্রদলের লিখিত সদস্য ছাড়া কোনো ব্যক্তির কাজের দায়ভার ছাত্রদল নেবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে এসব সম্পর্কে অবগত নই।”

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর এই ধরনের ঘটনার পরেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রক্টর ড. মো. আরফান আলী বলেন, “অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা শিক্ষকদের রুমে তালা দিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।”

এরুপ পরিস্থিতিতে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে ছাত্রদলের ব্যানারে মানববন্ধন করতেও দেখা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং শিক্ষার্থীদের সহাবস্থান নিশ্চিত করাই এক্ষেত্রে মূল চ্যালেঞ্জ মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।

আশরাফুল ইসলাম (শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়)

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।