রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফলাফল ভ্যানিশের হুমকি ও ইন্টার্নাল মার্কে দ্বিচারিতার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ইরফান উল্লাহ , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষার্থীদের ফলাফল ‘ভ্যানিশ’ করার ভয়ভীতি, ইন্টার্নাল মার্কে দ্বিচারিতা, ডমিনেট করার চেষ্টা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষক তন্ময় সাহা জয়ের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার ক্লাস বর্জন করেছেন বিভাগটির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিভাগটির […]

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফলাফল ভ্যানিশের হুমকি ও ইন্টার্নাল মার্কে দ্বিচারিতার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:৩১

ইরফান উল্লাহ , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়:

শিক্ষার্থীদের ফলাফল ‘ভ্যানিশ’ করার ভয়ভীতি, ইন্টার্নাল মার্কে দ্বিচারিতা, ডমিনেট করার চেষ্টা ও শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষক তন্ময় সাহা জয়ের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার ক্লাস বর্জন করেছেন বিভাগটির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিভাগটির সভাপতি ড. মো. রাশিদুজ্জামান বরাবর তিন দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- তন্ময় সাহা জয় স্নাতক চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকে স্নাতকোত্তরের ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত কোনো অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে (ক্লাস, পরীক্ষা,

মৌখিক পরীক্ষা, খাতা মূল্যায়ন, পূণর্মূল্যায়ন) অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারবেন না। অ্যাকাডেমিক স্বার্থে আঘাত আসতে পারে এমন কোনো আশংকা দেখা দিলে বিভাগ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তার সভাপতিত্ব চলাকালে ব্যাচের অ্যাকাডেমিক কোনো জটিলতা যেন সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়াও স্মারকলিপিকে তারা বলেন, আমরা শিক্ষক তন্ময় সাহা জয় এর ক্লাস করতে অনিচ্ছুক। এ নিয়ে বিভাগীয় সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা কিংবা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেই। স্যার আমাদের ক্লাস নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তার ক্লাস বর্জন করেছি। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে স্থির আছি। এছাড়া স্যারের কোনো ক্ষতিসাধন কিংবা অনিষ্ট চিন্তায় আমাদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় নি।

বিভাগটির শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক তন্ময় সাহা জয় শিক্ষার্থীদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা, ফলাফল ‘ভ্যানিশ’ করে দেওয়ার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন, এবং ইন্টার্নাল মার্ক প্রদানে দ্বিচারিতা করে আসছেন। এছাড়া ক্লাসে অন্য শিক্ষকদের সমালোচনা, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ এবং আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলার অভিযোগও রয়েছে জয়ের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগটির একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষক জয় ফলাফল নিয়ে কিভাবে বের হব এবং দেখে নেওয়া হবে—এ ধরনের হুমকি দিতেন। সর্বশেষ নির্বাচনের পর স্যারের একটি ক্লাস ছিল। অনেক শিক্ষার্থীর বাসা দূরে হওয়ায় ক্লাস বাতিলের জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। বরং ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। অথচ অন্যান্য শিক্ষকরা বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে উপস্থিত না হলে তিনি ক্লাস বর্জনের নোটিশ দেন এবং সকলের অ্যাটেনডেন্স বাতিল করার হুমকি দেন। তিনি যখন আমাদের ক্লাস বর্জন করেন, তখন আমরাও তার ক্লাস বর্জন করে স্মারকলিপি জমা দিই। এরপর জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে চেয়ারম্যান স্যারের কাছে সার্বিক বিষয়ে আমরা অভিযোগ জানাই।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক তন্ময় সাহা জয় জাগো নিজকে বলেন, ‘৩ মার্চ অ্যাকাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। এর আগে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। বিভাগ বিষয়টি দেখবে।’

বিভাগটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ রশিদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ মার্চ আমাদের অ্যাকাডেমিক মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। মিটিংয়ে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কোর্সটি অন্য শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অন্যান্য অভিযোগ লিখিতভাবে দিলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।