বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আতঙ্কে মধুমতি মডেল টাউন বাসিন্দারা

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজারের পাশে মধুমতি মডেল টাউনে বসবাসরত হাজারখানের পরিবার চরম আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি চিঠিই এর কারণ। ওই চিঠিতে হাউজিংটির বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ সড়ক কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, হাউজিংয়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা না করে কিংবা তাদেরকে পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়ে রাজউক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:২২

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজারের পাশে মধুমতি মডেল টাউনে বসবাসরত হাজারখানের পরিবার চরম আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি চিঠিই এর কারণ। ওই চিঠিতে হাউজিংটির বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ সড়ক কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাউজিংয়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা না করে কিংবা তাদেরকে পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়ে রাজউক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে-যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন
শুক্রবার এই প্রতিনিধি মধুমতি মডেল টাউন সরেজমিনে পরিদর্শন করে এর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা জানান, এখানে প্রায় সাড়ে চার হাজার প্লট মালিক রয়েছেন। অনেকে তাদের জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে এই সামান্য বাস্তুভিটাটি কিনেছেন। সরকারের ভূমি অফিস প্লটগুলো রেজিস্ট্রেশনও দিয়েছে। তার ভিত্তিতে প্রায় হাজারখানের প্লট মালিক এখানে মাথা গুঁজার ঠাই করে নিয়েছেন। এখানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বিদ্যুতের লাইনও দিয়েছে৷ গত প্রায় দুই দশক ধরে বাসিন্দারা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন। রাজউকের এই চিঠি দেখে তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।

 

তবে রাজউক সূত্র জানিয়েছে, মধুমতি মডেল টাউনকে অবৈধ করে আদালত ২০১২ সালে যে রায় দিয়েছে সেটা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রায়ে কি ছিল প্রশ্ন করা হলে রাজউকের এক কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, আদালত মধুমতি মডেল টাউনকে অবৈধ বলে যে রায় দিয়েছে তাতে দুটি বিষয় ছিল। প্রথমত, যারা এখানে প্লট কিনেছেন তাদেরকে বিক্রয়কৃত মূল্যের দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেওয়া এবং ওই জায়গার মাটি সরিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া । তবে মধুমতি মডেল টাউনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আদালতের রায় অনুযায়ী তারা কেউ ক্ষতিপূরণের অর্থ পাননি। এটি বাস্তবায়ন না করে ‘রাজউক যদি এখানকার বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে তাহলে আদালতের রায়ের অবমাননা হবে।

মধুমতিতে বসবাসকারী প্লট মালিক মাহবুবুর রহমান জানান, রাজউক এখানে ক্রেতাস্বার্থ দেখছে না। তারা অদৃশ্য শক্তির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে। ক্রেতারা যে টাকা দিয়ে প্লট কিনেছেন তার দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও রাজউক এ বিষয়টি আমলে আনছে না। আরেক প্লট ক্রেতা এ এফ এম আবদুল আজিজ বলেন, জীবনের শেষ সঞ্চয় দিয়ে আমি প্লট কিনেছি। আমার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে রাষ্ট্র আজ আমার বিপরীতে দাঁড়িয়েছে।

প্লট মালিক নূরুল আমিন বলেন, ৫ আগষ্ট সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু রাজউকের চিঠিতে তা আমার কাছে মনে হচ্ছে না। আমি জনস্বার্থে অবিলম্বে এ ধরনের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য রাজউকের প্রতি আহবান জানাবো।

গত ১৮ নভেম্বর রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সংস্থা থেকে বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথা জানা যায় ।

এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, মধুমতি মডেল টাউনের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কাছে চিঠি দেওয়া, সংযোগ সড়ক থেকে মধুমতি মডেল টাউনকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে চিঠি দেওয়া ইত্যাদি । তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজউকের কোন কর্মকর্তা কিছুই বলতে রাজি হননি।

মধুমতি মডেল টাউন বাসিন্দারা জানান, সেখানে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে গত ১৫ বছর ধরে বসবাস করছেন। আদালতের রায় অনুযায়ী প্লট ক্রেতারা ক্ষতিপূরণ না পেলে তাদের পথে বসে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

জানা গেছে, রাজউকের চিঠির প্রেক্ষিতে মধুমতি মডেল টাউনের বাসিন্দারা আজ শনিবার প্রকল্পের ভেতর জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে তারা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবেন। এ ব্যাপারে জানতে মধুমতি মডেল টাউন কর্তৃপক্ষের ( ডেভেলপার কোম্পানি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।