সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আতঙ্কে মধুমতি মডেল টাউন বাসিন্দারা

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজারের পাশে মধুমতি মডেল টাউনে বসবাসরত হাজারখানের পরিবার চরম আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি চিঠিই এর কারণ। ওই চিঠিতে হাউজিংটির বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ সড়ক কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, হাউজিংয়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা না করে কিংবা তাদেরকে পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়ে রাজউক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:২২

রাজধানীর অদূরে আমিনবাজারের পাশে মধুমতি মডেল টাউনে বসবাসরত হাজারখানের পরিবার চরম আতঙ্কের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একটি চিঠিই এর কারণ। ওই চিঠিতে হাউজিংটির বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ সড়ক কাটার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, হাউজিংয়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের সঙ্গে কোনপ্রকার আলোচনা না করে কিংবা তাদেরকে পূর্বে কোন নোটিশ না দিয়ে রাজউক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে-যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন
শুক্রবার এই প্রতিনিধি মধুমতি মডেল টাউন সরেজমিনে পরিদর্শন করে এর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা জানান, এখানে প্রায় সাড়ে চার হাজার প্লট মালিক রয়েছেন। অনেকে তাদের জীবনের শেষ সম্বল বিক্রি করে এই সামান্য বাস্তুভিটাটি কিনেছেন। সরকারের ভূমি অফিস প্লটগুলো রেজিস্ট্রেশনও দিয়েছে। তার ভিত্তিতে প্রায় হাজারখানের প্লট মালিক এখানে মাথা গুঁজার ঠাই করে নিয়েছেন। এখানে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বিদ্যুতের লাইনও দিয়েছে৷ গত প্রায় দুই দশক ধরে বাসিন্দারা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন। রাজউকের এই চিঠি দেখে তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।

 

তবে রাজউক সূত্র জানিয়েছে, মধুমতি মডেল টাউনকে অবৈধ করে আদালত ২০১২ সালে যে রায় দিয়েছে সেটা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রায়ে কি ছিল প্রশ্ন করা হলে রাজউকের এক কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, আদালত মধুমতি মডেল টাউনকে অবৈধ বলে যে রায় দিয়েছে তাতে দুটি বিষয় ছিল। প্রথমত, যারা এখানে প্লট কিনেছেন তাদেরকে বিক্রয়কৃত মূল্যের দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেওয়া এবং ওই জায়গার মাটি সরিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া । তবে মধুমতি মডেল টাউনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আদালতের রায় অনুযায়ী তারা কেউ ক্ষতিপূরণের অর্থ পাননি। এটি বাস্তবায়ন না করে ‘রাজউক যদি এখানকার বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে তাহলে আদালতের রায়ের অবমাননা হবে।

মধুমতিতে বসবাসকারী প্লট মালিক মাহবুবুর রহমান জানান, রাজউক এখানে ক্রেতাস্বার্থ দেখছে না। তারা অদৃশ্য শক্তির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে। ক্রেতারা যে টাকা দিয়ে প্লট কিনেছেন তার দ্বিগুণ অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও রাজউক এ বিষয়টি আমলে আনছে না। আরেক প্লট ক্রেতা এ এফ এম আবদুল আজিজ বলেন, জীবনের শেষ সঞ্চয় দিয়ে আমি প্লট কিনেছি। আমার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে রাষ্ট্র আজ আমার বিপরীতে দাঁড়িয়েছে।

প্লট মালিক নূরুল আমিন বলেন, ৫ আগষ্ট সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু রাজউকের চিঠিতে তা আমার কাছে মনে হচ্ছে না। আমি জনস্বার্থে অবিলম্বে এ ধরনের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য রাজউকের প্রতি আহবান জানাবো।

গত ১৮ নভেম্বর রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সংস্থা থেকে বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথা জানা যায় ।

এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, মধুমতি মডেল টাউনের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কাছে চিঠি দেওয়া, সংযোগ সড়ক থেকে মধুমতি মডেল টাউনকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে চিঠি দেওয়া ইত্যাদি । তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজউকের কোন কর্মকর্তা কিছুই বলতে রাজি হননি।

মধুমতি মডেল টাউন বাসিন্দারা জানান, সেখানে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে গত ১৫ বছর ধরে বসবাস করছেন। আদালতের রায় অনুযায়ী প্লট ক্রেতারা ক্ষতিপূরণ না পেলে তাদের পথে বসে যাওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

জানা গেছে, রাজউকের চিঠির প্রেক্ষিতে মধুমতি মডেল টাউনের বাসিন্দারা আজ শনিবার প্রকল্পের ভেতর জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে তারা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবেন। এ ব্যাপারে জানতে মধুমতি মডেল টাউন কর্তৃপক্ষের ( ডেভেলপার কোম্পানি) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।