রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে চলতি মৌসুমে সার সংকট, খুচরা বাজারে চড়া দাম

মজনুর রহমান আকাশ, (মেহেরপুর প্রতিনিধি): কাগজ কলমে সারের সংকট না থাকলেও মেহেরপুরে সর্বত্র চলছে সার সংকট। ডিলার বা সাব ডিলার পর্যায়ে সার সংকট থাকলেও খোলা বাজারে সার পাওয়া যাচ্ছে চড়া মূল্যে। অধিক মূল্যে সার কিনে আবাদ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চাষিরা। তাছাড়াও উৎপাদন খরচ হচ্ছে বেশি। কৃষি বিভাগ বাজারে সার সংকট নেই বলে দাবী করলেও […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৭:২৮

মজনুর রহমান আকাশ, (মেহেরপুর প্রতিনিধি):

কাগজ কলমে সারের সংকট না থাকলেও মেহেরপুরে সর্বত্র চলছে সার সংকট। ডিলার বা সাব ডিলার
পর্যায়ে সার সংকট থাকলেও খোলা বাজারে সার পাওয়া যাচ্ছে চড়া মূল্যে। অধিক মূল্যে সার
কিনে আবাদ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চাষিরা। তাছাড়াও উৎপাদন খরচ হচ্ছে বেশি।

কৃষি বিভাগ বাজারে সার সংকট নেই বলে দাবী করলেও বাস্তবের সাথে মিল নেই। তবে চড়া মূল্যে সার
বিক্রি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, মেহেরপুর সদরের জন্য ৬২৪ মেঃটঃ টিএসপি, ৫৭৬.৩০ মেঃটঃ এমওপি, মুজিবনগরে
৩৪২ মেঃটঃ টিএসপি, ৩০৪ মেঃটঃ এমওপি এবং গাংনী উপজেলার জন্য ৬০১ মেঃটঃ টিএসপি ও
৬৩৭ মেঃটঃ এমওপি সার বরাদ্দ দেয়া হয় বিএডিসির ডিলারদের অনুকুলে।

চলতি অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে বিএডিসির ডিলারদের প্রত্যেককে ১৬.২৫ মেঃটঃ টিএসপি ও ১৭.২০ মেঃ টঃ এমওপি সার বরাদ্দ আসে। শুধু গাংনীর একজন ডিলারের অনুক‚লে ৩২.৫০ মেঃটঃ টিএসপি ও ৩৪.৪০ মেঃটঃ এমওপি সার বরাদ্দ দেয়া হয়। একই সংখ্যক ডিলার ও তাদের অনুকুলে একই পরিমান সার বরাদ্দ দেয়া হয়।

ডিলারদের কাছে যে সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা উপজেলার চাষিদের জন্য পর্যাপ্ত নয়। তাই ভোক্তা পর্যায়ে সে সার সংকট দেখা দিয়েছে। চাষিরা ডিলার ও সাব ডিলারদের কাছ থেকে স্বল্প সার পাচ্ছেন। বাকিটা বাইরে খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে নিতে হচ্ছে চড়া মূল্যে। শুধু খুচরা বিক্রেতা নয়, ডিলারদের অনেকেই চড়া দামে সার বিক্রয় করছেন। ইতোমধ্যে ভেঅক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অীভযান চালিয়ে চার সার ব্যবসায়িকে জরিমানা করে। সেই সাথে সকল ব্যবসায়িকে সতর্ক করে।

ষোলটাকা ইউনিয়নের সার ডিলার শহিদুল ইসলাম সাহা জানান, তিনি যে সার বরাদ্দ পেয়েছেন তা নিয়মানিুযায়ি চাষিদেরকে দিচ্ছেন। তবে চাষিদের চাহিদা অনুযায়ি সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। যাদের ৩ বস্তা দরকার তাদেরকে এক বস্তা দেয়া হচ্ছে। তা না হলে অন্যান্য চাষিরা বঞ্চিত হবেন। মটমুড়া ইউপির সার ডিলার নুরুল ইসলাম জানান, তিনি সার বরাদ্দ পাবার পরপরই চাষিরা সব সার নিয়ে গেছে। এখন দোকানে কোন সার নেই। চাহিদার তুলনায় সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে কম। নতুন করে চাহিদা দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ আসলে চাষিরা সার পাবেন।

গাংনীর চেংগাড়া গ্রামের চাষি রাশিদুল জানান, তিনি এ মৌসুমে ৮ বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য আবাদ করছেন। প্রয়োজনের তুলনায় তিনি সার পাচ্ছেন না। আরো সার প্রয়োজন। কুঞ্জনগরের পেয়াজ ও গমচাষি রফিকুল ইসলাম জানান, সরকারী হিসেবে প্রতিবস্তা টিএসপি ১৩৫০ টাকা হলেও খুচরা বাজারে কিনতে হচ্ছে ১৬০০ টাকা দরে। একই অবস্থা এমওপি সারে। ১০০০ টাকা বস্তা দর হলেও বাজারে কিনতে হচ্ছে ১৩০০ টাকা বস্তা। দোকানে বিক্রির রশিদ চাইলে দোকানীরা সার দিতে চাচ্ছেন না। একই কথা জানালেন মেহেরপুর সদর উপজেলার কালিগাংনীর চাষি রবিউল ও তাহের।

কয়েকজন ডিলার জানান, চাষিরা প্রয়োজনের তুলনায় সার বেশি ব্যবহার করেন। অনেকেই সার কিনে মজুদ করেন ভবিষ্যতের জন্য। তাছাড়া অন্যান্যবার তামাক কোম্পানী তামাক চাষিদেরকে বিভিন্ন ধরনের সার দিলেও এবছর কোন সার দেয়নি। চাষিরা খাদ্য শস্য আবাদের সার তামাক চাষে ও মৎস্য চাষে ব্যবহার করছেন। তাই সারের কিছুটা সংকট দেখা দেয়। তবে চলতি মৌসুমে আরো সার বরাদ্দ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন তারা।

গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসার এমরান হোসেন জানান, গাংনীতে সার সংকট নেই। চাহিদা অনুযায়ি সার বরাদ্দ এসেছে। চাষিরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বেশি সার ব্যবহার করে। চাষিদেরকে সার অপচয় না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তিনি আরো জানান, চড়া দামে কেউ যদি সার বিক্রি করে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মেহেরপুর জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ জানান,
চড়া দামে সার বিক্রি স্টক রেজিস্টার না থাকা ও ক্রেতাদের রশিদ না দেয়ায় ইতোমধ্যে মেহেরপুরে দুই
ডিলঅরকে জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান চলছে। বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে
আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।