সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নিষিদ্ধ মাছের ‘স্বর্গদ্বার’ আমতলী পয়েন্ট প্রশাসনের ঢিলেঢালা তদারকিতে ফুলে-ফেঁপে উঠছে পাচারচক্র

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ বঙ্গোপসাগরের নিষিদ্ধ মাছ পরিবহনের নিরাপদ সড়ক আমতলী পয়েন্ট। ট্রাফিক, কোষ্ট গার্ড, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারীর কারনে প্রতিদিন বিভিন্ন পরিবহন গাড়ীতে অনায়াসে ঢাকায় মাছ যাচ্ছে। ফলে সাগরে সরকার মাছ শিকার নিষিদ্ধ করলেও তা বন্ধ হচ্ছে না। দ্রত পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী পয়েন্টে ট্রাফিক, কোষ্টগার্ড, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারী […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ মে ২০২৫, ২২:৪৭

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বঙ্গোপসাগরের নিষিদ্ধ মাছ পরিবহনের নিরাপদ সড়ক আমতলী পয়েন্ট। ট্রাফিক, কোষ্ট গার্ড, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারীর কারনে প্রতিদিন বিভিন্ন পরিবহন গাড়ীতে অনায়াসে ঢাকায় মাছ যাচ্ছে। ফলে সাগরে সরকার মাছ শিকার নিষিদ্ধ করলেও তা বন্ধ হচ্ছে না।

দ্রত পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী পয়েন্টে ট্রাফিক, কোষ্টগার্ড, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারী বৃদ্ধি এবং চেক পোষ্ট বসানোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। 

জানাগেছে, গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন ৫৮ দিন সাগরে সকল ধরনের মাছ শিকার, পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করেছেন সরকার। কিন্তু সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপকুলীয় অঞ্চল মহিপুর, আলীপুর, কুয়াকাটা, তালতলীর অসাধু ব্যবসায়ীরা উপজেলার মৎস্য বিভাগ, কোষ্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও প্রশাসন ম্যানেজ করে জেলেদের দিয়ে সাগরে মাছ শিকার করাচ্ছেন এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

অসাধু ব্যবসায়ীরা কুয়াকাটা, কলাপাড়া, তালতলী ও ফকিরহাট বাস স্ট্যান্ডে ওই মাছ ডোলে করে ইসলাম, মিজান, আলিফ, অন্তরা, ইটালী, হাসান ও যমুনাসহ বিভিন্ন পরিবহন গাড়ীতে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ও তালতলী এই তিন সড়কের মধ্যস্থান আমতলী চৌরাস্তা। ওই সকল সড়কের পরিবহনগুলো আমতলী হয়ে যেতে হয়।

আমতলী ছাড়া এ সকল পরিবহন গাড়ী ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই বলে দাবী করেন গাড়ী চালক নজরুল ইসলাম। প্রতিদিনই এ সড়ক হয়ে বঙ্গোপসাগরে নিষিদ্ধ শিকার করা মাছ পরিবহনে যাচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে মাছ আহরনের পরিবহন গাড়ীগুলো আমতলী পয়েন্ট ত্যাগ করা শুরু করে, চলে গভীর রাত পর্যন্ত।\

ওই সময় সড়কে ট্রাফিক পুলিশ থাকার কথা থাকলেও কিন্তু অজ্ঞাত কারনে তারা সড়কে থাকে না। অভিযোগ রয়েছে, ট্রাফিক পুলিশ ম্যানেজ করে ব্যবসায়ীরা রাতে মাছ পরিবহনের গাড়ী গুলো আমতলী অতিক্রম করছে। ফলে অনায়াসে তারা আমতলী পয়েন্ট ত্যাগ করতে পারে। তবে এমন অভিযোগ ট্রাফিক বিভাগ অস্বীকার করছেন। মাঝে মধ্যে দুই একদিন মাছসহ পরিবহনগাড়ী প্রশাসনের কব্জায় ধরা পড়লেও তা অত্যান্ত প্রতুল বলে জানান রুবেল মিয়া।

এ সড়কে মাছ পরিবহন বন্ধ করতে হলে ট্রাফিক টহল, কোষ্টগার্ড, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনকে সজাগ হতে হবে। মাছ আহরনের পরিবহন বন্ধ করতে না পারলে সাগরে মাছ শিকারও বন্ধ হবে না বলে আরো দাবী করেন তিনি।

অপর দিকে সাগরে মাছ শিকার নিষিদ্ধের ৩৮ দিন পেরিয়ে গেলেও আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ তিন দিনে মাত্র তিনটি পরিবহন গাড়ী থেকে ৪১ মণ মাছ জব্দ করেছে। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ ও কোষ্টগার্ডের কোন তৎপরতা নেই। অভিযোগ রয়েছে তালতলীর ফকিরহাটে কোষ্টগার্ডের ক্যাম্প।

তাদের সামনের সড়কে সাগর থেকে জেলেদের শিকার করা মাছ ব্যবসায়ীরা পরিবহন গাড়ীতে তুলে দিচ্ছেন কিন্তু তারা নির্ভিকার। আরো অভিযোগ রয়েছে কোষ্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও তালতলী উপজেলা মৎস্য বিভাগ ম্যানেজ করেই জেলেরা সাগরে মাছ শিকার করছেন।

অপর দিকে তালতলী অফিসের সামনেই বাস স্ট্যান্ড। তাদের নাকের ডগায় ব্যবসায়ীরা পরিবহন গাড়ীতে মাছের ডোল তুললেও তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। দ্রত

ত পটুয়াখালী, কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী পয়েন্টে চেকপোষ্ট বসিয়ে পরিবহন তল্লাশীর দাবী জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। 

জেলে সুলতান, রফেজ ও আবুল বাশার বলেন, ব্যবসায়ীরা মাছ শিকার করতে সাগরে পাঠায়, তাই সাগরে মাছ শিকার যাই। সাগরে কোষ্টগার্ড, নৌ-পুলিশ আমাদের মাছ শিকার করা দেখেও তো কিছুই বলে না। 

তালতলী নিদ্রাসকিনা কোষ্টগার্ড ষ্টেশনের ইনচার্জ সুজা উদ্দিন মাহমুদ এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তবে ওই ষ্টেশনের গোয়েন্দা বিভাগের হাবিবুর রহমান বলেন, তথ্য পেলে আমরা সাগরে অভিযান পরিচালনা করি।

ফকিরহাটে যে মাছ উঠছে তা সাগরের মাছ নয়, নদীর মাছ। সাগরের মাছ পরিবহন গাড়ীতে আপনাদের সামনে থেকেই নিয়ে যাচ্ছে, আপনারা কি ব্যবস্থা নিয়েছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি বলতে পারবো না। ইনচার্জ সুজাউদ্দিন মাহমুদ স্যারে বলতে পারবেন। 

তালতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মখর্তা ভিক্টর বাইনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।  

আমতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাশ বলেন, গত মাসের আইন শৃংখলা সভায় সাগরে মাছ শিকার নিষিদ্ধের ৫৮ দিন পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী চৌরাস্তায় চেকপোষ্ট বসার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু পুলিশ রাজি হয়নি। তিনি আরো বলেন, আমার দপ্তরে সেই রকম জনবল নেই, যে অমি চেক পোষ্ট বসাবো। ফলে পরিবহন আটকে মাছ জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে না।

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, মৎস্য বিভাগ চেক পোষ্ট বসিয়ে পুলিশ চাইলেই আমি পুলিশ দিতে পারি। কিন্তু তারাতো চেক পোষ্টই বসায় না। আমি কোথায় পুলিশ পাঠাবো? পরিবহন গাড়ীর মাছ চেক করতে, তারাই চেক পোষ্ট বসাবেন।  

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান বলেন, মাছ পরিবহন বন্ধে দ্রæত চেক পোষ্ট বসানো হবে। তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়ে সামদ্রিক মাছ জব্দ করা হয়েছে। চেক পোষ্ট বসিয়ে অভিযান আরো জোরদার করা হবে। 

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।