শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নতুন-পুরাতন বুঝি না, যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ: ডা. শফিক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার পুরুষ ও মহিলা সদস্যরা অংশ নেন। অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম […]

নতুন-পুরাতন বুঝি না, যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ: ডা. শফিক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ জুন ২০২৬, ১২:২১

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন দলের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার পুরুষ ও মহিলা সদস্যরা অংশ নেন।

অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম (এমপি), অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলবৃন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্যরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সকল অন্যায় ও অপশক্তির বিরুদ্ধে জামায়াতের লড়াই অব্যাহত থাকবে। “নতুন-পুরাতন ফ্যাসিবাদ বুঝি না, যেখানেই ফ্যাসিবাদ সেখানেই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ”—উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দল আপসহীন অবস্থানে থাকবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন ও সংস্কার পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটে জনগণ দুটি বিষয়ে ভোট দিলেও একটি ভোটের মূল্যায়ন করা হয়েছে, অন্যটি উপেক্ষা করা হয়েছে। তার ভাষায়, কোনো ভোটই অগুরুত্বপূর্ণ নয় এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষিত হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি।

বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন, জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনায় পরিবর্তন ও মৌলিক সংস্কার চাইলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি। তিনি বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন গঠনের মতো মৌলিক বিষয়গুলো উপেক্ষিত হওয়ায় ফ্যাসিবাদ পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থেকেই গেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে ৩১টি রাজনৈতিক দল দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছিল এবং সেই ভিত্তিতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু জনগণের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় মানুষ শুধু হতাশ নয়, ক্ষুব্ধও হয়েছে।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ন্যায্য অধিকার আদায়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে আরও ত্যাগ স্বীকারের প্রস্তুতি রাখতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার কেউ স্বেচ্ছায় না দিলে তা আদায়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। সীমান্তে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজিবির পাশে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলের সম্মিলিত অবস্থান প্রয়োজন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যাকে এখনো জনসম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি। সুশিক্ষার অভাব এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে সমাজে দুর্নীতি ও অনিয়ম বেড়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা দায়িত্ব পালন করেন, তাদের সততা ও মানসিকতার ওপরই সমাজের উন্নয়ন নির্ভর করে।

তিনি বলেন, ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পরও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার কারণে দেশে সামাজিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষ নতুন আশার সঞ্চার দেখেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সরকার জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল সহযোগিতা করবে, তবে গণবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংসদের ভেতরে ও বাইরে প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য, যাতে ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শাসক হয়ে উঠতে না পারে এবং জনগণের অধিকার ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শিশু ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক সহিংসতার মতো ঘটনা বাড়ছে। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক নেতার নিহত হওয়ার ঘটনাসহ সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি মানবিক, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে কাজ করবে। শিশু, নারী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১