সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চাহিদার তুলনায় গবাদি পশু বেশী বাজারে,সড়কে চাঁদা নিয়ে বড় দুচিন্তায় ব্যবসায়ীরা

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমতলীর ৮ টি বাজারে বেশ পশু আসছে। উপজেলায় চাহিদার চেয়ে পশু বেশী রয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা কম। কিন্তু সড়কে চাঁদার ভয়ে পাইকারী ব্যবসায়ীরা বাজারে আসছেন না বলেন জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সড়কে চাঁদা বন্ধের দাবী জানিয়েনে তারা।    আমতলী প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় কোরবানীর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ মে ২০২৫, ২১:৩৮

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমতলীর ৮ টি বাজারে বেশ পশু আসছে। উপজেলায় চাহিদার চেয়ে পশু বেশী রয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা কম। কিন্তু সড়কে চাঁদার ভয়ে পাইকারী ব্যবসায়ীরা বাজারে আসছেন না বলেন জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সড়কে চাঁদা বন্ধের দাবী জানিয়েনে তারা।   

আমতলী প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় কোরবানীর জন্য ৮ হাজার ৮’শ ১৩ টি গবাদি পশুর চাহিদা রয়েছে। চাহিদার বিপরীতে এ উপজেলার ৯ হাজার ৭০ টি পশু রয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯’শ ১২ টি গরু, ৫৯৫ টি মহিষ,২ হাজার ৫ টি ৬৩ টি ছাগল । চাহিদার তুলনায় ২’শ৫৭ টি পশু বেশী রয়েছে। শেষ সময়ে ভালো লাভের আশায় ব্যস্ত খামারীরা।

খুব যতœ সহকারে গবাদি পশুর দেখভাল করছেন তারা। ইতিমধ্যে খামারীরা বাজারে পশু নিয়ে আসছেন। আমতলী উপজেলার ৮ টি হাটের গরু দেশের যশোর, খুলনা, ঝিনাইদাহ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নওগা ও নেত্রকোনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হয়। ওই অঞ্চলগুলোর পাইকারী ব্যবসায়ীরা আমতলীর হাটগুলো গরুর হাট থেকে পশু ক্রয় করেন।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদার ভয়ে পাইকারী ব্যবসায়ীরা বাজারে আসছেন না এমন অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। ফলে গরুর দাম কম যাচ্ছে। প্রশাসনকে দ্রæত সড়কের চাঁদা বন্ধের দাবী জানিয়েছেন তারা। 

আমতলী গাজীপুর বন্দরের গরু ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান হাওলাদার বলেন, এ বছর বাজারে গরু অনেক বেশী উঠছে। গত বছরর তুলনায় এ বছর বড় ও মাঝাই ধরনের গরু ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত  কোরবানী উপযুক্ত ৫২ টি গরু বিক্রি করেছি।

তেমন বেশী লাভ হয়নি। তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীরা সড়কে চাঁদার ভয়ে বাজারে আসছেন না। ফলে গরুর দাম কম। ২৭ টি গরু ঢাকায় নেয়ার উদ্দেশ্যে ট্রাক লোড করছি। কিন্তু সড়কের চাঁদার জন্য ভয় হয়। এক ট্রাক গরু ঢাকায় পৌছতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে। এ চাঁদা বন্ধের দাবী জানান তিনি।  

নেত্রকোনার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম ও নওগাঁ ব্যবসায়ী গফুর মিয়া বলেন, গরু ক্রয় করে ট্রাক লোড দিয়েছি। কিন্তু যথাস্থানে যেতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দিতে হয়। এ নিয়ে আমরা ব্যবসায়ীরা বেশ সমস্যায় আছি। তারা আরো বলেন, সড়কে চাঁদা বন্ধ হলে আমরা অল্প লাভে গরু বিক্রি করতে পারতাম। এখন ওই সকল খরচ ক্রেতাদের ওপরে বর্তায়।

খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, বাজারে চাহিদার তুলনা গরু বেশী উঠেছে। কিছুটা কম দামে পশু বিক্রি হচ্ছে। খামার মালিকার পশু বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন। 

পশ্চিম চুনাখালী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৪০ হাজার টাকায় একটি ছোট গরু ক্রয় করেছি। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম কম। 

জিমি এগ্রো ভেট এর মালিক আবুল বাশার নয়ন মৃধা বলেন, আমার খামারে কোরবানী উপযোগী ১৭ টি গরু রয়েছে। ওইগুলো বিক্রি করা হবে। তিনি আরো বলেন, আমি গরু বাজারে নেব না। খামারে রেখেই বিক্রি করবো। অনেক ব্যবসায়ী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। 

খামারী জাহাঙ্গির বলেন, খামারের ৮ টি গরু বিক্রি করেছি। কোরবানী কাছাকাছি আসলে হয়ত দাম বৃদ্ধি পেতে পারে কিন্তু সেই ঝুঁকি নেইনি। 

আমতলী গরু হাটের ইজারাদার আলাউদ্দিন মৃধা বলেন, বাজারে অনেক গরু আসছে। বিক্রিও ভালো। এ বাজারে ৫’শ গরু বিক্রি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ঈদুল আজহা কাছাকাছি আসলে বিক্রি আরো বৃদ্ধি পাবে। তবে বিগত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম কিছুটা কম। 

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, উপজেলার সকল বাজারে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রয়েছে। বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা পশু ক্রয়-বিক্রি করে যাতে নির্বিঘেœ বাড়ী ফিরতে পারে সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, জাল টাকা লেনদেন যাতে না হয় বেশী ব্যাপারে নজরদারী থাকবে। সড়কের চাঁদা বন্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন মতেই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা যাবে না। 

আমতলী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সাদেকুর রহমান বলেন, উপজেলায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশী গবাদি পশু রয়েছে। কোরবানীর চাহিদা পুরণ হয়েও কিছু পশু উদ্ভুত্ত থাকবে। তিনি আরো বলেন, বাজার মনিটরিং করতে দুইটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা বাজারে পরিদর্শনে গিয়ে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। 

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খাঁন বলেন, পশুর হাটগুলোর উপরে বেশ নজরদারী রয়েছে। কেউ সড়কে চাঁদা আদায় করতে পারবে না। সড়কে চাঁদা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।