শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আমতলীতে ধানের বীজে প্রতারনা,পাঁচ মাসেও ফলন আসেনি, নিঃস্ব দুই শতাধিক পরিবার

রাশিমুল হক রিমন, নিজস্ব প্রতিবেদক  বরগুনার আমতলী উপজেলার ছুরিকাটা এলাকায় দুই শতাধিক কৃষক বীজ কিনে প্রতারনার শিকার হয়েছেন। পাঁচ মাসেও ফলন না আসায় তারা এখন নিঃস্ব। আউশ মৌসুমে ফলনতো আসেনি, আমন চাষও অনিশ্চিত। প্রতারনার শিকার কৃষকরা বীজ ডিলার মোঃ খালেক হাওলাদারে শাস্তি দাবী করেছেন। শুক্রবার প্রতারনার শিকার কৃষকরা ধানের গোছা হাতে নিয়ে এমন অভিযোগ করেছেন।  জানাগেছে, […]

আমতলীতে ধানের বীজে প্রতারনা,পাঁচ মাসেও ফলন আসেনি, নিঃস্ব দুই শতাধিক পরিবার

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৪৪

রাশিমুল হক রিমন, নিজস্ব প্রতিবেদক 

বরগুনার আমতলী উপজেলার ছুরিকাটা এলাকায় দুই শতাধিক কৃষক বীজ কিনে প্রতারনার শিকার হয়েছেন। পাঁচ মাসেও ফলন না আসায় তারা এখন নিঃস্ব। আউশ মৌসুমে ফলনতো আসেনি, আমন চাষও অনিশ্চিত। প্রতারনার শিকার কৃষকরা বীজ ডিলার মোঃ খালেক হাওলাদারে শাস্তি দাবী করেছেন। শুক্রবার প্রতারনার শিকার কৃষকরা ধানের গোছা হাতে নিয়ে এমন অভিযোগ করেছেন। 

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার ছুরিকাটা এলাকার দুই শতাধিক কৃষক গত এপিল মাসে ব্রি-৯৮ জাতের ধান চাষাবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করেন। আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট এলাকার বীজ ডিলার মো.খালেক হাওলাদারের কাছ থেকে ব্রি-৯৮ ধানের বীজ ক্রয় করেন। ওই বীজ দিয়ে চারা প্রস্তুত করে জমিতে বপন করেছেন।

ব্রি-৯৮ ধানের বৈশিষ্ট ১১০ দিনে ফলন পাওয়া যায়। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে গেলেও ওই ধানের ফলন আসছে না। এতে কৃষকদের সন্দেহ হয়। কৃষকরা ডিলার খালেক হাওলাদারের কাছে বিষয়টি জানতে গেলে তাদের খারাপ আচরণ করেন। কৃষকদের অভিযোগ বীজ ডিলার খালেক হাওলাদারের কাছ থেকে বীজ ধান ক্রয় করে প্রতারনার শিকার হয়েছেন।

ধার দেনা করে জমি চাষাবাদ করেছেন, এখন ধান গাছে ফলন না আসায় তারা নিঃস্ব। কৃষকদের আরো অভিযোগ ডিলার মো. খালেক হাওলাদারের তাদের কাছে ব্রি-৯৮ ধানের নামে অন্য ধান বিক্রি করেছেন। ওই বীজ রোপণের পর প্রায় পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও ধানে কাঙ্ক্ষিত ফলন না আসায় তারা মহা বিপদে পরেছে।

এতে কোটি টাকার বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তাঁরা। তাদের আরো অভিযোগ, জ্যৈষ্ঠ মাসে বীজতলা তৈরি করে ধান রোপণ করা হলে ভাদ্র মাসের মধ্যে তা কাটার উপযোগী হওয়ার কথা। এরপর একই জমিতে ভাদ্র মাসে আমন ধান চাষ করা হয়। কিন্তু ব্রি-৯৮ বীজ হিসেবে কেনা ধান রোপণের পর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও অনেক জমিতে কাঙ্ক্ষিত ফলন আসেনি। ফলে আউশ মৌসুমের পর জমিতে আমন ধান চাষ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

কৃষক মো. দুলাল হাওলাদার বলেন, ৮ একর জমিতে ব্রি-৯৮ ধানের চারা রোপন করেছি। কিন্তু ওই ধানে আঙ্খিত ফসল আসেনি। এখন আমন ধান চাষ করবো সেই অবস্থাও নেই। ধার দেনা করে চাষাবাদ করেছি, এখন আমার পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।  

কৃষক দেলোয়ার গাজী বলেন, মোরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। মোরা কি খামু কইতে পারি না। মোরা ডিলার খালেক হাওলাদারের শাস্তি দাবী হরছি। 

কৃষক মো. রনি আহমেদ বলেন, ব্রি-৯৮ ধান রোপন করে এলাকার দুই শতাধিক কৃষক নিঃস্ব হয়ে গেছে। এখন কৃষকদের পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।  

কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, কৃষি আমার মুল পেশা। ধান চাষের আয় দিয়ে সারা বছর পরিবার পরিজনের ভরণ পোষন করতে হয়। সেই ধান হয়নি। এখন কি করবো ভেবে পাচ্ছি না। তিনি আরো বলেন , আমরা আউশ-আমন দুই সিজনে ধান চাষ করি কিন্তু এবছর কোন সিজনেই ধান হবে না। 

বীজ ডিলার মো. খালেক হাওলাদার কৃষকদের কাছে ব্রি-৯৮ ধান বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আয়ান সীডের মোড়কে আমি অন্য কোনো জাতের ধান প্যাকেটজাত করিনি। কোম্পানি যেভাবে দিয়েছে, আমি সেভাবেই কৃষকদের কাছে বিক্রি করেছি।’ 

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল বলেন, অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন পরিদর্শণ করেছি। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা সরেজমিনে বিষয়টি দেখতে আসবেন। তিনি আরো বলেন, ডিলার বিধি ভঙ্গ করে বীজ বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি জেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।