শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বারহাট্টায় হিজড়া সর্দারের উপর হামলা, থানায় ঢুকে আত্মরক্ষা

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার হিজড়া সর্দার অন্তরার উপর হামলা করেছে প্রতিপক্ষ কয়েকজন হিজরা। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কিছু হিজড়া তার উপর হামলা করলে অন্তরা বারহাট্টা থানায় গিয়ে আত্মরক্ষার করেন। অন্তরা হিজড়ার দাবী জেলার লতা হিজড়া তাকে স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে বারহাট্রা উপজেলার সর্দারের দায়িত্ব দেন। তাকে নিয়মিত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় প্রায় সময় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২৯

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার হিজড়া সর্দার অন্তরার উপর হামলা করেছে প্রতিপক্ষ কয়েকজন হিজরা। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কিছু হিজড়া তার উপর হামলা করলে অন্তরা বারহাট্টা থানায় গিয়ে আত্মরক্ষার করেন।

অন্তরা হিজড়ার দাবী জেলার লতা হিজড়া তাকে স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্রের মাধ্যমে বারহাট্রা উপজেলার সর্দারের দায়িত্ব দেন। তাকে নিয়মিত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় প্রায় সময় তিনি তার অনুসারীদের দিয়ে ধরে নিয়ে মুক্তিপণ আদায় করেন।

অপরদিকে লতা হিজড়ার দাবী তাকে দাওয়াত দিয়ে অন্তরা হিজড়া বাড়িতে নিয়ে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে লিখিত রাখে।

অন্তরা উপজেলা দশাল গ্রামের জাফর আলী ছেলে। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অন্তরা হিজরা বারহাট্টা উপজেলার সর্দার। গত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নেত্রকোনা জেলার সর্দার লতা হিজড়া ৩০০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে লিখে দায়িত্ব দেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নৈহাটি বাজারে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন অন্তরা।

ইজিবাইক যোগে অন্তরা হিজড়া থানার কাছে পৌঁছা মাত্রই প্রতিপক্ষ হিজড়ারা তার ওপর হামলা করে। এ সময় অন্তরা হিজড়া থানায় গিয়ে আত্মরক্ষা করেন।

তার শিষ্যদের দাবী অন্তরা ওরফে নয়ন মিয়া সে হিজরা না। তার বৌ বাচ্চা আছে। তার একটা ছেলে কলেজে পড়ে। সে কিভাবে হিজরাদের সর্দার হয়। আমরা তাকে সর্দার মানি না। 

হামলাকারী হিজরা আঙ্গুর মিয়া ওরফে আংগুরী বলেন, আমি কয়েকদিন আগে ইন্ডিয়া গিয়েছিলাম। সে পুলিশ নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে নগদ ৫০ হাজার টাকা

ও তিন আনা ওজনের দুটি কানের দুল নিয়ে এসেছে। সে আমাদের ঠকিয়ে গাড়ি বাড়ি করেছে। আমরা এর বিচার চাই। এই সময় অন্য হিজরারাও নয়ন মিয়ার বিচার দাবী করে। 

নয়ন মিয়া ওরফে অন্তরা হিজরা বলে, আমাকে জেলা সর্দার লতা নায়েকের অনুসারীরা মেরে ফেলতে চেয়েছিল। আমি থানায় এসে আশ্রয় নিয়েছি। এরা কয়েকজন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি জেলা থেকে বারহাট্টার দায়িত্ব পেয়েছি।

লতা নায়েক আমাকে বারহাট্টা এরিয়া দলিল করে দিয়ে দিয়েছে। আমি ছেলে ছিলাম লতা নায়েক আমাকে হিজড়া বানিয়ে আমার জীবন টা শেষ করেছে। এরপর আমার চলার জন্য তিনি আমাকে বারহাট্টার দায়িত্ব লিখে দিয়েছে।

কিন্তু আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে নিয়মিত চাঁদা দেওয়ার কথা বলে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় প্রায় সময় আমার অনুসারীদেরকে ধরে নিয়ে যায় এবং মুক্তিপণ আদায় করে। গত কিছুদিন আগেও আমার তিনজন অনুসারীকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে তাদেরকে ছাড়ে।

নেত্রকোনা জেলার হিজড়া সর্দার লতা বলেন, বারহাট্টায় অন্তরা নামে কোন হিজড়া নেই। যে হিজড়া দাবী করছে সে আসলে হিজড়া না। আমাকে দাওয়াত দিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে আটকে রেখে ব্ল্যাকমেল করে ট্রাম্পে লিখিত রাখে। আমি তাকে দায়িত্ব বারহাট্টা উপজেলায় কেন দায়িত্ব দিব। সে তো হিজড়া না। 

অন্তরা হিজরার কাছে চান্দা দাবির বিষয়ে ও তার অনুসারীদের আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন। 

বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান জানান, তারা নিজেরা নিজেরা ঝগড়া করে এক পক্ষ থানায় এসে আশ্রয় নিয়েছে। অপর পক্ষটিকে আমরা থানায় প্রবেশ করতে দেইনি। আশ্রয় নেয়া পক্ষ টিকে নিরাপদে তাদের এলাকায় পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করছি। 

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।