শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভারত নিজেদের স্বার্থেই পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করেছিল

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, ভারত নিজেদের স্বার্থ ও সার্বভেৌমত্ব রক্ষার জন্যই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে এসে অংশগ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করেছিল। কারণ এত বড় একটা দেশ আরেকটা দেশের যুদ্ধে এমনি এমনি অংশ গ্রহণ করে না। শেখ হাসিনাকে খুনি এবং তার রক্তের পিপাসা এখনো শেষ হয়নি […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৬:৪৫

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, ভারত নিজেদের স্বার্থ ও সার্বভেৌমত্ব রক্ষার জন্যই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে এসে অংশগ্রহণ করেছিল। পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করেছিল। কারণ এত বড় একটা দেশ আরেকটা দেশের যুদ্ধে এমনি এমনি অংশ গ্রহণ করে না।

শেখ হাসিনাকে খুনি এবং তার রক্তের পিপাসা এখনো শেষ হয়নি বলেও মন্তব্য করে সারজিস আলম বলেন, ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারত এনে দিয়েছে। যা ১৬ ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও রাষ্ট্রপতির ফেসবুক ও টুইটার পোস্টে দেখেছি।

বাংলাদেশের মানুষের ওপর এই বিশ্বাসটা চাপিয়ে দেওয়ার চষ্টো করেছে। এখন নতুন যে কোনো যুক্তি-তর্ক নেওয়ার জন্য, ভালোকে গ্রহণ ও খারাপকে ছুড়ে ফেলার জন্য যে তরুণ প্রজন্ম প্রস্তুত তাদের বোঝাতে হবে যে, একটা দেশ কোনোদিন দুটি দেশের মধ্যে এমনি এমনি চলে আসে না।

একটা দেশ কখনো আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এতটা উদার হয় না যে, দুটি দেশের যুদ্ধের মাঝখানে নিজে অংশগ্রহণ করবে। একটা যুদ্ধে যে কেউ অংশগ্রহণ করুক না কেন, হারুক বা জিতুক তার সামরিক, অর্থনৈতিক ও সৈনিকের দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা অবশ্যই থাকে।

আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বোঝাতে হবে, কীভাবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করেছিল। তাদের সবচেয়ে বড় অন্তর্নিহিত ইচ্ছা, সেই ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ১৯৭১ সালে ভারত করেছে। তরুণদের বোঝাতে হবে, কেবল বাংলাদেশের মানুষের জন্য নয়; নিজেদের সেভেন সিস্টার্সকে ‘সেভ’ করার জন্য ভারত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল।

ওই সেভেন সিস্টার্স মুক্তিযুদ্ধের আগে অভ্যন্তরীণ কালচার, মতপার্থক্যসহ নানা পরিস্থিতির কারণে প্রায়ই বিদ্রোহের মধ্যে থাকত। তখন ভারত ভয় পেত, কখন তারা নিজেরাই দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। বাংলাদেশের তিন পাশে যেমন ভারত, একইভাবে ভারতের তিন পাশেও এই ভূখণ্ডের বাংলাদেশ আছে। আবার এই ভূখণ্ডের সঙ্গে এক পাশে মিয়ানমার, ওপারে নেপাল, ভুটান, পাশে চীন।

ভারতের মনে তখন এই ভয় ও স্বার্থটা বেশি ছিল যে, এখন যদি আমি পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করতে না পারি বা সহযোগিতা না করি তবে নিজেদের সার্বভেৌমত্বই বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় থ্রেডের সম্মুখীন হলো আমাদের সার্বভেৌমত্ব। সেই থ্রেড ১৯৭১ সাল থেকে ‘২৪-এর গণ-অভু্যত্থান-পরবর্তী সময়ে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ছিল।

সারজিস বলেন, ‘৭১-এর আগে ও পরে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরাশক্তিগুলো ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার, পাকিস্তানের সঙ্গে চীন-আমেরিকার, সাউথ এশিয়ার অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক গ্রুপগুলোতে নিজেদের ক্ষমতা ও প্রভাব টিকিয়ে রাখার জন্য ভারত মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। সেই বিষয়গুলো না থাকলে ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করত না।

তরুণ প্রজন্মকে এটা বোঝাতে হবে। আধিপত্যবাদ খণ্ডন করতে হবে। ভারতকে যেভাবে পিরের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেটাকে খণ্ডন করতে হবে। এই আধিপত্যবাদ যে প্যারামিটার থেকে তৈরি হয়েছে সেই প্যারামিটার ভাঙতে হবে। যদি না পারি তবে অন্য আধিপত্যবাদের সহযোগী হয়ে যে কোনো সময় যে কোনো ফর্মে ফিরে আসবে তারা।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।