মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভারী বৃষ্টির আতঙ্কে উপকূলীয় অঞ্চলের আলু চাষীরা

মো. মিজানুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি সাগরে গভীর লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ও আকাশে ঘন মেঘ থাকায় চাপা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আলু চাষীরা। এরই মধ্যে অধিক লাভের আশায় গলাচিপার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমবেশি আলু চাষ করেছেন চাষিরা। উপজেলাটিতে আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ না হলেও […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৪৮

মো. মিজানুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি

সাগরে গভীর লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ও আকাশে ঘন মেঘ থাকায় চাপা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আলু চাষীরা। এরই মধ্যে অধিক লাভের আশায় গলাচিপার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমবেশি আলু চাষ করেছেন চাষিরা।

উপজেলাটিতে আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ না হলেও অতিরিক্ত মুনাফার আশায় চাষিরা তাদের ধানী জমিগুলোর ধান দ্রুত কেটে পরিস্কার করে আলু চাষ করছেন।

শনিবার (২১ডিসেম্বর) উপজেলা কৃষি অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, অধিক লাভের আশায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উঁচু জমিগুলোতে আলু চাষ করেছেন চাষিরা। ডায়মন্ড ও কার্টিনাল আলু রোপণের ৬০ থেকে ৭০ দিনের মাথায় তা বিক্রির উপযোগী হয়। কিছুটা অধিক পুষ্টিকর ও তুলনামূলক কম সময় লাগায় এ আলু চাষ করে লাভবান হওয়া যায় সহজেই। যারা সঠিকভাবে জমিতে যত্ন করতে পারবেন, তাদের লোকসান হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই গতবারের মতো এবারও আলু চাষে নেমেছেন চাষিরা।

গলাচিপা  সদর, পানপট্রি, ডাকুয়া, গোলখালী চিকনিকান্দি, রতনদী তালতলী, বকুলবাড়ীয়া, আমখোলা, কলাগাছিয়া, গজালিয়া, চরকাজল, চরবিশ্বাস ইতোমধ্যে উপজেলার আলু চাষিরা প্রস্তুতকৃত জমিতে আলুর বীজ রোপণ করেছেন। চাষিদের কেউ কেউ সেই জমি খড়কুটো দিয়ে ঢাকতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের রতনদি, মুরাদনগর, চরখালী, বোয়ালিয়া ও পক্ষিয়া ঘুরে দেখা যায়, অত্র অঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে কৃষকরা আলু আবাদ করেছেন।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের আনিসুর রহমান, মোশারেফ চৌকিদার, মিজানুর রহমানসহ একাধিক চাষি জানান, গত কয়েক বছর ভালো দাম পাওয়ায় তারা এখন আলু চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন ।তারা আশা করছেন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারেও আলুর বাম্পার ফলন হবে । কৃষি অফিস থেকে আলু চাষের প্রশিক্ষণ ও উৎপাদিত আলু সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করলে তারা বেশি লাভবান হওয়ার পাশাপাশি আলু চাষে আরও আগ্রহী হবেন বলেও জানান চাষিরা।

তারা জানান, চলতি বছর তাদের দ্বিগুণেরও বেশি দামে আলুর বীজ কিনতে হয়েছে। এ বছর তারা ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে আলু ক্রয় করেছেন। সার, ঔষধ ও চাষাবাদ খরচ বিঘাপ্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা বেশি খরচ হয়েছে। তবুও সবমিলিয়ে আলুতে অধিক লাভের আশায় বুক বেঁধেছেন তারা। কঠোর পরিশ্রম আর অর্থ ব্যয় শেষে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোই তাদের স্বপ্ন।

তারা আরো জানান, প্রতিবছর অতিরিক্ত মুনাফার লক্ষ্যে তাদের মতো অনেকেই আলু চাষে আলু আগ্রহী হয়ে উঠছেন।তবে চলতি বছর আলুর বীজের দাম তুলনামূলক অনেক বেশি এবং পর্যাপ্ত বীজের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় অনেকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আলু চাষ করতে পারেনি। বর্তমানে বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করায় তারা কিছুটা শঙ্কিত।

সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার আলু চাষী জহিরুন্নবী জানান, গত  মৌসুমে আলুতে ভালো দাম পাওয়ার সে লাভবান হয়েছেন। তাই তিনি এবারও আলু চাষে মনোযোগ দিয়েছেন। ফলন ভালো হলে অধিক মুনাফাও হবে। গত বছর তিনি সাড়ে ১ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছিলেন এবং প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভবান হয়েছেন। এ বছর খরচ বেশি থাকা সত্ত্বেও  ১০ বিঘা জমিতে আলুর চাষ  করেছেন। বীজের দাম বেশি থাকায় এবং শ্রমিকের মজুরি বাড়ায় গতবারের চেয়ে এবার আলু চাষের খরচ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের কামাল মৃধা, মহাসিন সরদার, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, টিপু তালুকদার নামে কয়েকজন শ্রমিক জানান, জহিরুন্নবী সাহেব ১০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আলুর চাষ করছেন। তারা দিনমজুর হিসেবে কাজ করছেন। এজন্য দিন শেষে তারা পাচ্ছেন ৫০০-৭০০ টাকা। এ আয় দিয়ে তাদের সংসার চলে।

অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. আকরামুজ্জামান জানান, শুকনো মাটির জমি আলু চাষের জন্য উপযোগী। আলু চাষের জন্য এ অঞ্চলের বেলে ও দোঁ-আশ মাটি বেশ উপযোগী। গলাচিপা বিভিন্ন এলাকায় তুলনামূলক উঁচু জমিগুলোতে আলু চাষ করা হয়েছে। অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেকেই আলু চাষ করছেন। এ উপজেলায় আনুমানিক প্রায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে।  উপজেলা কৃষি অফিস আলু চাষীদেরকে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ এলাকার আলু চাষীরা বেশ লাভবান হবে।

বিষয়ঃ

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।