বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি ও বিরোধীদলের মধ্যে তর্ক, বিতর্ক, দ্বিমত ও বহুমত থাকলেও ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ’ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমের ১৪৭ বিধিতে উত্থাপিত সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। […]

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ প্রতিরোধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩২

সরকারি ও বিরোধীদলের মধ্যে তর্ক, বিতর্ক, দ্বিমত ও বহুমত থাকলেও ‘ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ’ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংসদ অধিবেশনে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমের ১৪৭ বিধিতে উত্থাপিত সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিদেশে পলাতক আসামিদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় হত্যা মামলায় অভিযুক্ত, গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ও ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত মোহাম্মদ আরিফ সরকারকে গত ৬ মে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এবং মোবারক মণ্ডলকে ২৭ মে কাতার থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, কুমিল্লার আলোচিত তনু হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত মো. জাহিদুজ্জামান ও মো. শাহিন আলমকে আন্তর্জাতিকভাবে শনাক্ত এবং তাদের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য বাংলাদেশ পুলিশের এনসিবি (ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো) ঢাকা ও ইন্টারপোলের উদ্যোগে দুজনের বিরুদ্ধে পৃথক রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন এবং প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কাঠামোর আওতায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, এসব কার্যক্রম প্রমাণ করে যে বিদেশে অবস্থানরত পলাতক আসামিদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার ইন্টারপোল, সংশ্লিষ্ট বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোর সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ বিদেশে অবস্থানরত কোনো পলাতক আসামিকে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তার (বেনজীর) বর্তমান অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া, কথিত একাধিক পাসপোর্টের অভিযোগ যাচাই এবং দেশে-বিদেশে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ শনাক্ত ও আইনানুগভাবে জব্দ করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’

‘সরকার আইনের শাসন, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যাচাইহীন তথ্যের পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য ও আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে, সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সম্ভাব্য সব আইনগত, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পুলিশি পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা হয়েছে,’ যোগ করেন মন্ত্রী।

বেনজীরকে ইউএই থেকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেমের বক্তব্যের জবাবে তিনি আরও বলেন, শুধু এক দেশ থেকে আরেক দেশে গিয়ে কাউকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, এর জন্য আইনগত প্রক্রিয়া রয়েছে। ইউএই থেকে আসামি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে পারস্পরিক আইনি সহায়তা (এমএলএ) প্রক্রিয়া রয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘সরকার-টু-সরকার কথা বলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-টু-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কথা বলে। সব বিষয়ে দুবাই ছুটে গেলে হয় না, লিগ্যাল প্রসিডিউর আছে,’ বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে দুবাই সফর করেছেন এবং সেখানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বেনজীরকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টির গুরুত্বও তাদের বোঝানো হয়েছে। ইউএই কর্তৃপক্ষ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিদেশে পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে ধরে-বেঁধে ফাঁসি দিতে পারি না। একজন অপরাধী যত বড় অপরাধীই হোক, তাকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিতে হবে এবং আদালতের রায় অনুসারে সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই বিচারিক প্রক্রিয়া একটু লম্বা হয়। আইনের হাত যেমন লম্বা, বিচারিক প্রক্রিয়াটাও অনেক লম্বা। সুতরাং আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে।’

সংসদে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকারসংক্রান্ত আইন নিয়ে বিরোধীদলের বক্তব্যের জবাবও দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট আইনগুলো নিয়ে বিরোধীদলের সদস্যরা আপত্তি ও সংশোধনী দিতে পারতেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় তারা ওয়াকআউট করেছেন।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আগের অধ্যাদেশের তুলনায় বর্তমান আইনে ভুক্তভোগীর সরাসরি আদালত ও আইনের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে ‘এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স’ (গুম) শব্দটি চিরতরে মুছে ফেলা ছিল সরকারের প্রতিশ্রুতি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রত্যাশা এবং জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী সরকার এ বিষয়ে আইন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের পলাতক আসামি ও নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় মিছিল করছেন— বিরোধীদলের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বিতর্ক না বাড়িয়ে মূল বিষয়ে থাকতে চান।

পরে তিনি বলেন, ‘সরকারিদল, বিরোধীদল সবাই মিলে আমাদের একটাই অঙ্গীকার হবে, প্রতিশ্রুতি হবে। আমরা এখানেই বিতর্ক করবো, তর্ক করবো, দ্বিমত হবো, বহুমত হবো। কিন্তু ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের প্রশ্ন যেখানেই আসবে, তা প্রতিরোধের জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ।’

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা, গণতন্ত্রের পক্ষে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে দৃঢ় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, সেই ঐক্যকে শক্তিতে পরিণত করে গণতন্ত্রের ঝান্ডাকে আমরা ঊর্ধ্বে তুলে ধরবো।’

এর আগে বক্তব্যের একপর্যায়ে বিরোধীদলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিষয়ের ওপরে থাকেন।’ এসময় সংসদে দীর্ঘ আলোচনা নিয়ে হাস্যরসও হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি দ্রুত বক্তব্য শেষ করবেন।

সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আবারও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, তদন্তকারী সংস্থা, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন, ইন্টারপোল ও বিদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় অব্যাহত থাকবে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার স্বার্থে সংরক্ষণযোগ্য তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রেখেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সম্ভাব্য সব আইনগত, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।